বিজেপির পর এবার কংগ্রেসের মঞ্চে শিলাদিত্য

মাওবাদী তকমা লাগা শিলাদিত্য চৌধুরীকে দেখা গেল লালগড়ে কংগ্রেসের মঞ্চে। আর এই ঘটনা ঘিরে নতুন করে তৈরি হয়েছে রাজনৈতিক বিতর্ক। বিতর্ক তৈরি হয়েছে, ৪

কেন্দ্রীয় মন্ত্রীর জনসভার নিরাপত্তা ব্যবস্থা নিয়েও। লালগড়ে মমতা বন্দ্যোপাধ্যায়ের জনসভা। সারের দাম কেন বাড়ছে তা নিয়ে নালিশ জানাতে উঠে দাঁড়িয়েছিলেন এক

লালগড়বাসী। এহেন কর্মের জন্য জেলে যেতে হয়েছিল তাঁকে। জুটেছিল মাওবাদী তকমা। শনিবার তাঁকেই দেখা গেল কংগ্রেসের মঞ্চে। কেন্দ্রের গ্রামোন্নয়ন মন্ত্রীর সঙ্গে তাঁকে

পরিচয় করিয়ে দিলেন আরেক মন্ত্রী দীপা দাশমুন্সি। হাতে হাত মিলিয়ে তাঁকে অভিনন্দন জানালেন জয়রাম রমেশ। রীতিমতো বুকে জড়িয়ে ধরলেন আরেক কংগ্রেস নেতা,

প্রাক্তন মন্ত্রী মানস ভুঁইঞা।

সম্মুখও সমরের প্রস্তুতেই জয়রামের সভা জঙ্গলমহলে

জঙ্গলমহলের মাটি থেকেই রাজ্যসরকারের বিরুদ্ধে জেহাদ ঘোষণা করতে চলেছে কংগ্রেস। একই মঞ্চে চার কেন্দ্রীয় মন্ত্রীর উপস্থিতিতেই আগামী দিনের আন্দোলনের রূপরেখাও ঘোষণা করবে প্রদেশ নেতৃত্ব। কিন্তু কেন বেছে নেওয়া হয় জঙ্গলমহলকেই? রাজনৈতিকমহলে এখন এই নিয়ে চর্চা তুঙ্গে। অনেক ঝড়ঝাপটার পর শেষপর্যন্ত এফডিআই বিতর্কে জয়ী হয়েছে ইউপিএ। কখনও মায়াবতীর হাত, কখনও মুলায়েমের সঙ্গে গোপন শলাপরামর্শ, সব পথ খোলা রেখেই এগোতে হয়েছে তাদের। তৃণমূল কংগ্রেস আগেই জোট ছেড়ে বেরিয়ে গেলেও শেষমুহূর্ত পর্যন্ত কংগ্রেসের নেতৃত্বের একাংশের ধারনা ছিল হয়তো বা ঘুরপথে সমর্থন পাবেন তারা। তাও হয়নি। ফলে সরকার বাঁচানোর পরের দিন থেকেই তৃণমূল কংগ্রেসের বিরুদ্ধে জোরদার আন্দোলনে রাজপথে কংগ্রেস।

এবার গণবণ্টন নিয়ে সংঘাতে কেন্দ্র-রাজ্য

পি চিদাম্বরম, জয়রাম রমেশের পর এবার রাজ্যের বিরুদ্ধে তোপ দাগলেন কেন্দ্রীয় খাদ্য দফতরের প্রতিমন্ত্রী কে ভি থমাস। তাঁর অভিযোগ, ২০১১-১২ সালে কেন্দ্রের মোট বরাদ্দের মাত্র ১২ শতাংশ খাদ্যশস্য সংগ্রহ করেছে রাজ্য। যদিও কেন্দ্রীয় মন্ত্রীর এই অভিযোগ মানতে সম্পূর্ণ অস্বীকার করেছেন রাজ্যের খাদ্যমন্ত্রী জ্যোতিপ্রিয় মল্লিক।

জঙ্গলমহল সফরে আসছেন জয়রাম রমেশ

জঙ্গলমহলে মাওবাদী সমস্যা রুখতে উন্নয়নকেই মূল হাতিয়ার করতে চলেছে রাজ্য সরকার।