আফজল গুরু: টাইম লাইন

মুম্বই সন্ত্রাসে দোষী সাব্যস্ত আজমল আমির কসাভকে গত বছর একুশে নভেম্বর যে ভাবে ফাঁসি দেওয়া হযেছিল, ঠিক সেই রকম গোপনীয়তায় আরও একবার আফজল গুরুকেও ফাঁসি দেওয়া হল।

২৬/১১-র পাক সাক্ষীদের জেরা করতে আবেদন ভারতের

মুম্বই হামলায় সাক্ষীদের জেরা করার জন্য ভারতের কাছে আবেদন জানাল পাকিস্তান। ভারতের দাবি মুম্বই হামলায় অভিযুক্তদের মধ্যে সাতজনই লুকিয়ে রয়েছে পাকিস্তানে। পাকিস্তান সরকার তাদের বিরুদ্ধে কোনওরকম ব্যবস্থা নিচ্ছে না। স্বারাষ্ট্রমন্ত্রক সূত্রে খবর পাকিস্তানের পক্ষ থেকে ওই সাত অভিযুক্তের বিরুদ্ধে ব্যবস্থা নেওয়ার আগে আরও একবার অভিযোগ সম্পর্কে নিশ্চিত হতে চাইছে পাকিস্তান। সেই কারণেই দ্বিতীয় বার একটি জুডিশিয়াল কমিশন ভারতে পাঠাতে চাইছে তারা।

২৬/১১-র বর্ষপূর্তি, হুমকির নিশানায় মুম্বই

আজকের দিনেই জঙ্গী হানায় কেঁপে উঠেছিল বাণিজ্য নগরী মু্ম্বই। মুম্বই সন্ত্রাসের চার বছর পূর্তিতে দেশজুড়ে কড়া সতর্কতা জারি করেছে স্বরাষ্ট্রমন্ত্রক। কড়া নিরাপত্তায় মুড়ে ফেলা হয়েছে মুম্বই শহর। কসাবের ফাঁসির পর পাকিস্তানে তেহরিক-ই-তালিবানের লাগাতার হামলার হুমকির পর নিরাপত্তা বাড়ানো হয়েছে।

কসাভের প্রাণদণ্ডকে স্বাগত জানিয়ে এবার আজফল গুরুর ফাঁসির দাবি বিজেপির

২৬/১১-র মুম্বই হানার একমাত্র জীবিত জঙ্গী আজমল কসাভের ফাঁসির ঘটনাকে স্বাগত জানিয়েছে দেশের প্রধান বিরোধী দল বিজেপি। দলের মুখপাত্র মুখতার আব্বাস নখভি বলেন এর মাধ্যমে সন্ত্রাসবাদীদের কাছে কড়া বার্তা পৌঁছবে। তবে রাষ্ট্রপতির কাছে আরও যে সব আবেদন পড়ে আছে সেগুলিও ফেলে রাখা উচিত নয় বলেও জানিয়েছে বিজেপি। সেই সঙ্গে ২০০১ সালে সংসদ চত্বরে জঙ্গি হানা মামলায় দোষি আফজল গুরুকেও প্রাণদণ্ড দেওয়ার দাবিতে সরব হয়েছে বিজেপি।

ভোরের আলো ফুটতেই ফাঁসি আজমল কসাভের

মুম্বই হামলার ঘটনায় সাজাপ্রাপ্ত পাকিস্তানি জঙ্গি আজমল কসাভের ফাঁসি হয়ে গেল। আজ সকাল সাড়ে সাতটায় পুণের ইয়েরওয়াড়া জেলে কসাভকে ফাঁসি দেওয়া হয় বলে মহারাষ্ট্র সরকারের তরফে জানানো হয়েছে। ঘটনাস্থলে উপস্থিত চিকিত্সকও কসাভকে মৃত ঘোষণা করেছেন। কেন্দ্রীয় স্বরাষ্ট্রমন্ত্রক সূত্রে খবর, কসাভের প্রাণভিক্ষার আবেদন গত পাঁচই নভেম্বরই কসাভের ফাঁসির আর্জি খারিজ করে দিয়েছিলেন রাষ্ট্রপতি। এই সংক্রান্ত যাবতীয় নথি তারপর পাঠিয়ে দেওয়া হয় মহারাষ্ট্র সরকারের কাছে।

কসাভের ফাঁসিতে সরাবজিতের মুক্তি প্রক্রিয়া জটিল হওয়ার আশঙ্কা

আজমল কসাভের মৃত্যুদণ্ড প্রভাব ফেলতে পারে পাক জেলে বন্দি সরাবজিত সিংয়ের প্রাণভিক্ষার আবেদনের ওপর। পাক প্রেসিডেন্টের দফতর সূত্রে এমনই জানা গেছে। ১৯৯০-এ পাকিস্তানের পঞ্জাব প্রদেশে বিস্ফোরণের ঘটনায় অভিযুক্ত সরাবজিত সিং। দীর্ঘদিন ধরেই গুপ্তচরবৃত্তির অভিযোগে পাক জেলে বন্দি তিনি। তাঁর মৃত্যুদণ্ডের নির্দেশ দেয় পাক আদালত। এরপর পাক প্রেসিডেন্টের কাছে বারবার প্রাণভিক্ষার আবেদন জানিয়েছেন তিনি। ভারত সরকারের তরফেও সরাবজিতের মুক্তির বিষয়ে আবেদন জানানো হয়। কিন্তু সে বিষয়ে এখনও কোনও চূড়ান্ত সিদ্ধান্ত হয়নি।