জোট না হলে আরও খারাপ ফল হত, বললেন সূর্যকান্ত মিশ্র

জোট না হলে আরও খারাপ ফল হত, বললেন সূর্যকান্ত মিশ্র

নির্বাচনী বিপর্যয়ের জন্য সাংগঠনিক দুর্বলতাই দায়ী। এজন্য জোটকে দোষারোপ করা ঠিক হবে না। জোট না হলে আরও খারাপ ফল হত। রাজ্য কমিটির বৈঠকে এমনই দাবি করলেন সিপিএম রাজ্য সম্পাদক সূর্যকান্ত মিশ্র। বিধানসভা নির্বাচনে বিপর্যয় নিয়ে আজ রিপোর্ট পেশ করেছেন তিনি। তিনি বলেন, জোট না হলে সব বুথে এজেন্ট দেওয়া সম্ভব হত না। জোটের হাওয়ায় সম্ভাবনা তৈরি হয়েছিল। রাজ্যের দু কোটি মানুষ জোটকে ভোট দিয়েছেন। এখন তাঁদের হাত ছাড়তে বলা দুর্ভাগ্যজনক হবে।

ইতিবাচক দৃষ্টিভঙ্গি দিয়েই বিরোধী ইনিংস শুরু করল বামেরা ইতিবাচক দৃষ্টিভঙ্গি দিয়েই বিরোধী ইনিংস শুরু করল বামেরা

ইতিবাচক দৃষ্টিভঙ্গি দিয়েই বিরোধী ইনিংস শুরু করল বামেরা। রেলের হকার উচ্ছেদের বিরোধিতা করায় মমতা বন্দ্যোপাধ্যায়কে চিঠি দিয়ে সাধুবাদ জানালেন সুজন চক্রবর্তী। নয়া হকার নীতি চালুর জন্যও মুখ্যমন্ত্রীকে অনুরোধ করেছেন বাম পরিষদীয় নেতা। অশান্তিই মিলিয়ে দিল বিবদমান দুই পক্ষকে। হকার উচ্ছেদের বিরোধিতায় রাজ্যের অবস্থানের প্রশংসা করল বামেরা। মুখ্যমন্ত্রীকে ধন্যবাদ জানিয়ে একটি চিঠিও দিয়েছেন বাম পরিষদীয় নেতা সুজন চক্রবর্তী। একইসঙ্গে স্মরণ করিয়ে দিয়েছেন বারুইপুর স্টেশনের যা ঘটেছে তা বিচ্ছিন্ন ঘটনা নয়।

ঘর ছাড়াদের ঘরে ফেরাতে এবার পথে নামছে বাম এবং কংগ্রেস ঘর ছাড়াদের ঘরে ফেরাতে এবার পথে নামছে বাম এবং কংগ্রেস

ঘর ছাড়াদের ঘরে ফেরাতে এবার পথে নামছে বাম এবং কংগ্রেস। প্রশাসনের কাছে প্রথম ডেপুটেশন। না মানলে জেলাশাসকের দফতরের সামনে লাগাতার ধরনার হুমকি অধীর চৌধুরীর। দিল্লিতে সোনিয়া গান্ধীর সঙ্গে দেখা করে একই কথা জানিয়ে এলেন বিরোধী দলনেতা আব্দুল মান্নান। ভোটের পর থেকে সন্ত্রাস চলছে।বাম এবং কংগ্রেসের তালিকা অনুযায়ী প্রায় সাত থেকে আট হাজার কর্মী সমর্থক এখনও ঘর ছাড়া। ঘরে থাকতে পারছেন না তাঁদের পরিবারের লোকেরাও। সব চেয়ে খারাপ অবস্থা উত্তর চব্বিশ পরগনা এবং হাওড়ায়। অভিযোগ, উনিশে মের পর থেকে শুধু হাওড়ার উদয়নারায়ণপুরেই দেড় হাজার মানুষ ঘরে ফিরতে পারেননি।

আক্রান্তদের পাশে দাঁড়াতে হলদিয়ায় ছুটলেন জোট নেতারা আক্রান্তদের পাশে দাঁড়াতে হলদিয়ায় ছুটলেন জোট নেতারা

আক্রান্তদের পাশে দাঁড়াতে হলদিয়ায় ছুটলেন জোট নেতারা। অধীর চৌধুরী, রবীন দেব, মনোজ চক্রবর্তী সহ বাম এবং কংগ্রেস নেতারা একসঙ্গে সভা করলেন ।  গেলেন আক্রান্ত বিধায়কের বাড়িতে। সভা শুরুর আগে প্রশাসন মাইক খুলে নিলেও সভা হল হাত মাইকেই।

জোটের ভরাডুবির সবথেকে বড় তিন কারণ জোটের ভরাডুবির সবথেকে বড় তিন কারণ

গতকাল পর্যন্তও এ রাজ্যের অনেক মানুষের 'মন বলছিল', ক্ষমতায় এবার আসতে পারে জোট সরকার।কিন্তু রাত পেরিয়ে সকাল হতেই সব কল্পনা আছড়ে পড়ল বাস্তবের মাটিতে। একা তৃণমূলের সামনে দাঁড়াতেই পারল না দুই মহারথীর জোট। একা তৃণমূল ২০০-র বেশি আসন ছিনিয়ে নিয়ে গেল। সেখানে বামফ্রন্ট আর কংগ্রেস দুই দল এক হয়ে নিজেদের অস্তিত্ব তো টিকিয়ে রাখলেন কিন্তু তা দিয়ে আর যাই হোক সরকার চালানোর জায়গায় আসা যায় না। কিন্তু কেন এমন ভরাডুবি হল জোটের? কারণ, হতেই পারে অনেক কিছু। তবু, ফল ঘোষণার পরপরই যে তিনটে প্রধান কারণ বলে মনে হচ্ছে, সেগুলোই তুলে ধরা হল নিচে।

 আমাদের পার্টিতে 'পদ' পার্টি দেয়, পদত্যাগের প্রশ্নে জবাব সূর্যর আমাদের পার্টিতে 'পদ' পার্টি দেয়, পদত্যাগের প্রশ্নে জবাব সূর্যর

মমতা বন্দ্যোপাধ্যায় সাংবাদিক সম্মেলন করে ফেলেছেন। অধীর চৌধুরি সাংবাদিক সম্মেলন করে ফেলেছেন। বামেদের দিকে আঙুলও তুলছেনে। তিনি সূর্যকান্ত মিশ্র। এলেন সবার পর সাংবাদিক সম্মেলন করতে। এই নির্বাচনে তিনি ১০ হাজারেরও বেশি ভোটে হেরে গিয়েছেন। তারপর প্রথম সাংবাদিক সম্মেলনে এসে তিনি যা বললেন, -

ব্যর্থতায় অজুহাত না দিয়ে বামেদের দিকে আঙুল তুললেন অধীর! ব্যর্থতায় অজুহাত না দিয়ে বামেদের দিকে আঙুল তুললেন অধীর!

দুপুর ১ টা বাজতেই ভোটের ফল বুঝতে পেরে সাংবাদিক সম্মেলন করে ফেললেন কংগ্রেসের প্রদেশ কংগ্রেস সভাপতি অধীর রঞ্জন চৌধুরি। ২০১৬-র বিধানসভা নির্বাচনের ফল প্রকাশের দিন প্রথম সাংবাদিক সম্মেলনে অধীর চৌধুরি যা বললেন -

চাণক্যর এক্সিট পোলে দেখুন কে কত আসন এবং কত শতাংশ ভোট পেল চাণক্যর এক্সিট পোলে দেখুন কে কত আসন এবং কত শতাংশ ভোট পেল

রাজ্যের ভোটে কে কত আসন পাচ্ছে তার সম্ভাব্য হিসেব দিলো টুডেস চাণক্য। শুধু আসন সংখ্যাই নয়, সঙ্গে কোন দল কত শতাংশ ভোট পেতে পারে, সেই হিসেবও দিয়েছে তারা।  এক নজরে দেখে নিন তাদের এক্সিট পোলের হিসেব।

যে তিনটে কারণে এবার ভোটের ফল কেউ আগে থেকে বলতে পারছেন না! যে তিনটে কারণে এবার ভোটের ফল কেউ আগে থেকে বলতে পারছেন না!

বাংলার রাজনীতিতে এই প্রথমবার। না, না এবার ভোটে এমন কিছু হয়নি যা একেবারে প্রথম। খুঁজে দেখলে, তেমন জিনিসও হয়তো দু একটা পাওয়া যাবে। কিন্তু আমরা বলতে চাইছি ভোটপরবর্তী ঘটনার কথা।

আজকের ৫৬টি কেন্দ্রের ২০১১-র ফলাফল আজকের ৫৬টি কেন্দ্রের ২০১১-র ফলাফল

আজ রাজ্যে দ্বিতীয় দফার ভোট। ৭ রাজ্যের ৫৬টি কেন্দ্রে চলছে। এই ৫৬টি কেন্দ্রে কী ছিল ২০১১ বিধানসভা নির্বাচনের ফল? কোন কেন্দ্র ছিল কার দখলে? এক ঝলকে দেখে নিন ২০১১ এর ফলাফল।

প্রিয়রঞ্জন দাশমুন্সির খাসতালুকে এবার জোটের রসায়ন প্রিয়রঞ্জন দাশমুন্সির খাসতালুকে এবার জোটের রসায়ন

প্রিয়রঞ্জন দাশমুন্সির খাসতালুকে এবার জোটের রসায়ন। তৃণমূলকে হঠাতে যৌথ প্রচারে নেমেছে বাম-কংগ্রেস। দ্বিতীয় দফার ভোটে নজরকাড়া কেন্দ্র রায়গঞ্জ। কংগ্রেসের শক্ত ঘাঁটি হিসাবে রায়গঞ্জের পরিচিতি।বামেদেরও সাংগঠনিক শক্তি থাকায় বরাবর হাত-হাতুড়ির লড়াই দেখেছেন রায়গঞ্জের মানুষ।এবার পরিস্থিতি একদম অন্যরকম। গোটা রাজ্যের মতো রায়গঞ্জেও এক হয়েছে হাত-হাতুড়ি।

প্রিয়রঞ্জন দাশমুন্সির খাসতালুকে এবার জোটের রসায়ন প্রিয়রঞ্জন দাশমুন্সির খাসতালুকে এবার জোটের রসায়ন

প্রিয়রঞ্জন দাশমুন্সির খাসতালুকে এবার জোটের রসায়ন। তৃণমূলকে হঠাতে যৌথ প্রচারে নেমেছে বাম-কংগ্রেস। দ্বিতীয় দফার ভোটে নজরকাড়া কেন্দ্র রায়গঞ্জ। কংগ্রেসের শক্ত ঘাঁটি হিসাবে রায়গঞ্জের পরিচিতি।বামেদেরও সাংগঠনিক শক্তি থাকায় বরাবর হাত-হাতুড়ির লড়াই দেখেছেন রায়গঞ্জের মানুষ।এবার পরিস্থিতি একদম অন্যরকম। গোটা রাজ্যের মতো রায়গঞ্জেও এক হয়েছে হাত-হাতুড়ি।

প্রিয়রঞ্জন দাশমুন্সির খাসতালুকে এবার জোটের রসায়ন প্রিয়রঞ্জন দাশমুন্সির খাসতালুকে এবার জোটের রসায়ন

প্রিয়রঞ্জন দাশমুন্সির খাসতালুকে এবার জোটের রসায়ন। তৃণমূলকে হঠাতে যৌথ প্রচারে নেমেছে বাম-কংগ্রেস। দ্বিতীয় দফার ভোটে নজরকাড়া কেন্দ্র রায়গঞ্জ। কংগ্রেসের শক্ত ঘাঁটি হিসাবে রায়গঞ্জের পরিচিতি।বামেদেরও সাংগঠনিক শক্তি থাকায় বরাবর হাত-হাতুড়ির লড়াই দেখেছেন রায়গঞ্জের মানুষ।এবার পরিস্থিতি একদম অন্যরকম। গোটা রাজ্যের মতো রায়গঞ্জেও এক হয়েছে হাত-হাতুড়ি।

প্রিয়রঞ্জন দাশমুন্সির খাসতালুকে এবার জোটের রসায়ন প্রিয়রঞ্জন দাশমুন্সির খাসতালুকে এবার জোটের রসায়ন

প্রিয়রঞ্জন দাশমুন্সির খাসতালুকে এবার জোটের রসায়ন। তৃণমূলকে হঠাতে যৌথ প্রচারে নেমেছে বাম-কংগ্রেস। দ্বিতীয় দফার ভোটে নজরকাড়া কেন্দ্র রায়গঞ্জ। কংগ্রেসের শক্ত ঘাঁটি হিসাবে রায়গঞ্জের পরিচিতি।বামেদেরও সাংগঠনিক শক্তি থাকায় বরাবর হাত-হাতুড়ির লড়াই দেখেছেন রায়গঞ্জের মানুষ।এবার পরিস্থিতি একদম অন্যরকম। গোটা রাজ্যের মতো রায়গঞ্জেও এক হয়েছে হাত-হাতুড়ি।

প্রিয়রঞ্জন দাশমুন্সির খাসতালুকে এবার জোটের রসায়ন প্রিয়রঞ্জন দাশমুন্সির খাসতালুকে এবার জোটের রসায়ন

প্রিয়রঞ্জন দাশমুন্সির খাসতালুকে এবার জোটের রসায়ন। তৃণমূলকে হঠাতে যৌথ প্রচারে নেমেছে বাম-কংগ্রেস। দ্বিতীয় দফার ভোটে নজরকাড়া কেন্দ্র রায়গঞ্জ। কংগ্রেসের শক্ত ঘাঁটি হিসাবে রায়গঞ্জের পরিচিতি।বামেদেরও সাংগঠনিক শক্তি থাকায় বরাবর হাত-হাতুড়ির লড়াই দেখেছেন রায়গঞ্জের মানুষ।এবার পরিস্থিতি একদম অন্যরকম। গোটা রাজ্যের মতো রায়গঞ্জেও এক হয়েছে হাত-হাতুড়ি।