মালালার উপর হামলাকারী ধৃত ১০জনের মধ্যে মুক্তি পেল ৮

মালালার উপর হামলাকারী ধৃত ১০জনের মধ্যে মুক্তি পেল ৮

মালালা ইউসুফজাইয়ের উপর হামলাকারী ১০ তালিবানি আততায়ীর মধ্যে মুক্তি পেয় গেল ৮জন। এর আগে নোবেল বিজয়ী মালালার উপর প্রাণঘাতী হামলার অপরাধে চলতি বছরের এপ্রিলে ১০ তালিবানি জঙ্গির ২৫ বছরের জেলের সাজা শুনিয়েছিল পাকিস্তানের একটি আদালত।

মালালার আক্রমণকারী ১০ জনের যাবজ্জীবন কারাদণ্ড মালালার আক্রমণকারী ১০ জনের যাবজ্জীবন কারাদণ্ড

মালালা ইউসুফজাইয়ের ওপর আক্রমণকারীদের সারা জীবনের জন্য হাজতবাসের সাজা ঘোষণা করল সওয়াতের সন্ত্রাস বিরোধী  আদালত(অ্যান্টি-টেরোরিজম কোর্ট/ATC)। ২০১৪ সেপ্টেম্বরে মালালা সহ আরও ২ ছাত্রীর ওপর সন্ত্রাসবাদী হামলায় অভিযুক্তদের চিহ্নিত করে গ্রেফতার করে পুলিস।  

নিজের রক্তেভেজা স্কুল ইউনিফর্ম দেখে কান্নায় ভেঙে পড়ল মালালা নিজের রক্তেভেজা স্কুল ইউনিফর্ম দেখে কান্নায় ভেঙে পড়ল মালালা

নিজের রক্তে ভেজা পোশাক দেখে কান্নায় ভেঙে পড়ল নোবেল জয়ী মালালা ইউসুফজাই। এই সেই স্কুল ইউনিফর্ম। যেটা পড়ে স্কুলে যাওয়ার সময় তার উপর গুলি চালিয়েছিল তালিবান জঙ্গিরা।

বিবাদমান দুই প্রতিবেশী দেশে শান্তির বার্তা ছড়িয়ে নোবেল শান্তি পুরস্কার পেলেন মালালা, কৈলাস সত্যার্থী বিবাদমান দুই প্রতিবেশী দেশে শান্তির বার্তা ছড়িয়ে নোবেল শান্তি পুরস্কার পেলেন মালালা, কৈলাস সত্যার্থী

নোবেল শান্তি পুরস্কার পেলেন ভারতের কৈলাস সত্যার্থী ও পাকিস্তানের কিশোরী মালালা ইউসুফজাই।

লক্ষ লক্ষ শিশুদের ভোটে ২০১৪ সালের ওয়ার্ল্ডস চিলড্রেন প্রাইজ পেলেন মালালা লক্ষ লক্ষ শিশুদের ভোটে ২০১৪ সালের ওয়ার্ল্ডস চিলড্রেন প্রাইজ পেলেন মালালা

ফের আর এক পালক যোগ হল মালালা ইউসুফজাইয়ের মুকুটে। ২৯ অক্টোবর লক্ষ লক্ষ শিশুদের ভোটে নির্বাচিত হয়ে ২০১৪ সালের বিশ্ব শিশু পুরস্কার (World’s Children Prize) পেল পাকিস্তানের এই কিশোরী।  স্টকহোমের কাছে মেরিস্ট্যাডে এক পুরস্কার বিতরণী অনুষ্ঠানে তাঁর হাতে তুলে দেওয়া হল এই পুরস্কার।

শান্তিতে যৌথ জয় ভারত-পাকের শান্তিতে যৌথ জয় ভারত-পাকের

যৌথভাবে নোবেল শান্তি পুরস্কার পেল ভারত-পাকিস্তান। ভারতীয় সমাজকর্মী কৈলাশ সত্যার্থী পাচ্ছেন এ বছরের নোবেল শান্তি পুরস্কার।  শিশু অধিকার রক্ষা নিয়ে দীর্ঘদিন ধরেই কাজ করে চলেছেন দিল্লির কৈলাশ সত্যার্থী। নিজের সংগঠন 'বচপন বাঁচাও আন্দোলন' নিয়ে ১৯৯০  সাল থেকে শিশুশ্রমের বিরুদ্ধে সক্রিয় কৈলাশ। এখনও পর্যন্ত প্রায় ৮০ হাজার শিশু শ্রমিককে পুনর্বাসিত করেছেন তিনি।

 মালালার উপর হামলাকারী বন্দুকবাজ জঙ্গিকে গ্রেফতার পাক সেনার মালালার উপর হামলাকারী বন্দুকবাজ জঙ্গিকে গ্রেফতার পাক সেনার

মালালা ইউসুফজাইয়ের উপর হামলাকারী বন্দুকবাজকে গ্রেফতার করল পাকিস্তান সেনা। ২০১২ সালে পাকিস্তানের উত্তরপশ্চিমে কিশোরী মালালার উপর গুলি চালায় তালিবান জঙ্গিরা। তালিবানি হুমকির তোয়াক্কা না করে স্কুলে যেতে চাওয়ার অধিকারের জেহাদ ঘোষণা করেছিল মালালা।  শুধুমাত্র সেই কারণেই তালিবানের গুলির শিকার হতে হয়েছিল পাকিস্তানের সোয়াত প্রদেশের ছোট্ট মেয়েটাকে।

টাইম-এর বিচারে `পার্সন অফ দি ইয়ার`-এর দৌড়ে মালালার সঙ্গে নরেন্দ্র মোদী

বিশ্বখ্যাত ম্যাগাজিন টাইম-এর বিচারে বছরের সেরা ৪২ জন প্রভাবশালী ব্যক্তির তালিকায় জায়গা করে নিলেন বিজেপির প্রধানমন্ত্রী পদপ্রার্থী নরেন্দ্র মোদী। টাইম ম্যাগাজিন গোটা বিশ্বের মধ্যে একমাত্র ভারতীয় হিসাবে মোদীকে রেখেছে `পার্সন অফ দি ইয়ার` হিসাবে।

মিলিওনেয়র হওয়ার পথে মালালা

নিজের অভিজ্ঞতার কথা লিখে এবার তিন মিলিয়ন মার্কিন ডলারের মালকিন হতে চলেছে পাকিস্তানের স্কুলছাত্রী মালালা ইউসাফজাই। তালিবানি ফতোয়া অগ্রাহ্য করে মেয়েদের শিক্ষার অধিকার নিয়ে সোচ্চার হয়েছিল মালালা। `শাস্তি` স্বরূপ পয়েন্ট ব্ল্যাঙ্ক রেঞ্জ থেকে মালালার মাথায় গুলি চালায় তালিবানরা।

ব্রিটেনে হাসপাতাল থেকে ছাড়া পেলেন মালালা

হাসপাতাল থেকে ছাড়া পেল মালালা ইউসুফজাহি। পাকিস্তানের সোয়াতে মেয়েদের শিক্ষার অধিকারের স্বপক্ষে সওয়াল করায় গত বছরের অক্টোবরে তালিবানরা তাঁর কপালে গুলি করে। কোনও মতে প্রাণে বেঁচে গেলেও চিকিৎসার জন্য তাঁকে ব্রিটেনে নিয়ে যাওয়া হয়। সেখানকার হাসপাতাল থেকেই আজ ছাড়া পেলেন মালালা। তবে এ মাসের শেষেই মাথায় ফের অস্ত্রপচারের জন্য তাঁকে আবারও হাসপাতালে ভর্তি হতে হবে।

পড়াশুনার মাসুল, তালিবানি গুলিতে ক্ষত বিক্ষত পাক কিশোরী

তালিবানদের রক্তচক্ষু উপেক্ষা করে পড়াশুনা চালিয়ে যেতে চেয়েছিল মালালা ইউসুফজাই। স্বপ্ন ছিল ডাক্তার হওয়ার। আর সেই স্বপ্নেরই মাসুল দিতে হল চোদ্দ বছরের এই কিশোরীকে। স্কুলের সামনে তালিবানি বুলেটে ক্ষত বিক্ষত হতে হল মালালাকে। পেশোয়ারের সামরিক হাসপাতালে গুরুতর জখম মামালার চিকিতসা চলছে। হামলার দায় স্বীকার করেছে তেহরিক-এ-তালিবান। বছর চারেক আগে পাকিস্তানের সোয়াতে শুরু হয়েছিল তালিবানি দাপট। গোটা অঞ্চল জুড়ে শুরু হয়েছিল চরম অরাজকতা। পশ্চিমি সংস্কৃতির প্রচার হচ্ছে এই অজুহাতে প্রায় সব স্কুল বন্ধ করে দিয়েছিল তালিবান। তালিবানি ফতোয়ায় নিষিদ্ধ হয়ে ছিল মেয়েদের স্কুলে যাওয়াও। কিন্তু এই ফতোয়া মানতে পারেনি বছর এগারোর মালালা ইউসুফজাই। গুল মাকাই ছদ্মনামে উর্দুতে ব্লগ লেখা শুরু করেছিল সে। আর তখন থেকেই হয়ে উঠেছিল তালিবানের চক্ষুশূল। সাহসিকতার সঙ্গে শিক্ষা ও শান্তির প্রচার করার জন্য পাক সরকারের তরফে পুরস্কার দেওয়া হয়েছিল তাকে। মালালার স্বপ্ন ছিল বড় হয়ে চিকিত্‍সক হবে সে।