ভুল চিকিত্‍সার দায় না নিয়ে নার্সিংহোমে চিকিত্‍সার পরামর্শ দিলেন খোদ সরকারি ডাক্তার

ভুল চিকিত্‍সার দায় না নিয়ে নার্সিংহোমে চিকিত্‍সার পরামর্শ দিলেন খোদ সরকারি ডাক্তার

সরকারি হাসপাতালে ভর্তি রোগীকে, পরামর্শ দিয়ে নার্সিংহোমে ভর্তি করিয়ে দিলেন খোদ সরকারি হাসপাতালেরই ডাক্তার। চাঞ্চল্য মালদা মেডিক্যাল কলেজে। তার ওপর উঠল, ভুল চিকিত্‍সার অভিযোগ। সঙ্কটজনক অবস্থা রোগীর। পুলিসে অভিযোগ দায়ের করল রোগীর পরিবার।    

লিচি সিনড্রোমের আতঙ্কে রাজ্য জুড়েই ব্যপক হারে কমছে লিচু বিক্রি

এ এক অদ্ভুত সমস্যা। লিচু খেয়ে অসুস্থ হয়ে শুধু পশ্চিমবঙ্গে মারা গেছে ১৪ জন শিশু। মালদহ মেডিকেল কলেজে এ মাসের শুরুর এই ঘটনা আপাতত আতঙ্কের পরিবেশ তৈরি করেছে ।রাজ্যে লিচুর চিহ্ন পাওয়া যাচ্ছেনা। আতঙ্ক শুরু এ মাসের প্রথম থেকেই। রাতে মালদা কলেজে একদিনের মধ্যেই মৃত্যু হল ছজনের। কয়েকদিনের মধ্যে সেই সংখ্যা বেড়ে দাড়ালো চদ্দো।চিকিত্সকরা এখনও এই রোগের কারণ সঠিক করে বলতে পারেননি। কিন্তু বাড়ছে আতঙ্ক।

লিচি সিনড্রোমে আক্রান্ত হয়ে মালদা মেডিক্যাল কলেজে মৃত ৮ শিশু

লিচি সিনড্রোম। ভাইরাস ঘটিত এই রোগে আক্রান্ত হয়ে গত চব্বিশ ঘণ্টায় মালদা মেডিক্যাল কলেজ হাসপাতালে আটটি শিশুর মৃত্যু হয়েছে। কলেজের ভাইস প্রিন্সিপাল এম রশিদ জানিয়েছেন, যেখানে লিচু উত্পাদনের আধিক্য বেশি সেখানেই এই রোগের প্রকোপ দেখা যায়।

মালদহ মেডিক্যাল কলেজের বিরুদ্ধে এবার শিশু বদলের অভিযোগ

শিশুবদলের অভিযোগ উঠল মালদহ মেডিক্যাল কলেজ হাসপাতালের বিরুদ্ধে। ৩১ ডিসেম্বর কালিয়াচক থানার নেহরপুর গ্রামের বাসিন্দা টুনটুনি চৌধুরী প্রসব যন্ত্রণা নিয়ে মালদহ মেডিক্যাল কলেজে ভর্তি হন। সন্ধ্যার দিকে তাঁর সিজার অপারেশন হয়। টুনটুনির দাবি, তিনিএকটি পুত্র সন্তান প্রসব করেছেন। তাঁকে তেমনই দেখানো হয়েছিল। কিন্তু পরে হাসপাতালের পক্ষ থেকে টুনটুনির পরিবারকে একটি কন্যা সন্তান দেওয়া হয়।

মালদা মেডিক্যাল কলেজে শিশুমৃত্যুর মিছিল, ৩০ ঘণ্টায় মারা গেল ১৩টি সদ্যজাত

মালদা মেডিক্যাল কলেজ হাসপাতালে ফের শিশু মৃত্যুর মিছিল। ৩০ ঘণ্টায় মারা গেল ১৩জন সদ্যোজাত। ১৩টির মধ্যে আটটি শিশুর জন্ম হয়েছিল মালদা মেডিক্যাল কলেজেই। হাসপাতালের আধুনিক চিকিৎসা পরিকাঠামোর মধ্যে জন্মেও কেন ওই শিশুদের মৃত্যু হল তা নিয়ে প্রশ্ন তুলছেন পরিজনরা।

ফের শিশু মৃত্যু মালদহে

এর আগেও মালদহ মেডিক্যাল কলেজে একদিনে একাধিক শিশু মৃত্যুর ঘটনা ঘটেছিল। বিভিন্ন ক্ষেত্রে চিকিত্‍‍সায় গাফিলতি ও অস্বাস্থ্যকর পরিবেশের অভিযোগ উঠেছিল। সমস্যা এড়াতে বেশ কিছু পদক্ষেপ নিয়েছিল স্বাস্থ্য দফতর। হাসপাতালের তরফ থেকেও বেশকিছু প্রস্তাব দেওয়া হয়েছিল। কিন্তু গত একবছরে নিউ ন্যাটাল কেয়ার ইউনিট চালু বিশেষ কিছু হয়নি। চিকিত্‍‍সক, নার্স ও শয্যার সংখ্যা বাড়ানোর প্রস্তাব থাকলেও তা কার্যকর হয়নি। ফলে একই শয্যায় একাধিক শিশুকে রাখা হচ্ছে।