পশ্চিমবঙ্গ সরকারের একটি বড় সাফল্যের নাম কন্যাশ্রী পশ্চিমবঙ্গ সরকারের একটি বড় সাফল্যের নাম কন্যাশ্রী

  পশ্চিমবঙ্গ সরকারের একটি বড় সাফল্যের নাম কন্যাশ্রী পকল্প। প্রায় ৩০ লক্ষ মেয়েদের এই প্রকল্পের আওতায় আনা হয়েছে। এর ফলে কমেছে স্কুলছুটের সংখ্যা, কমানো গেছে অল্প বয়সে মেয়েদের বিয়ে দেওয়ার প্রবণতাও। কন্যাশ্রীর সাফল্যের জন্য ইউকে এবং ইউনিসেফের আন্তর্জাতিক উন্নয়ন দফতর আয়োজিত 'গার্ল সামিট'-এ সেরা নির্বাচিত হয়েছে কন্যাশ্রী। পেয়েছে মন্থন পুরস্কারও।  কন্যাশ্রীর আওতায় লাভবান হয়েছে সাধারণ সম্প্রদায়ের ৩৭.৬৫ শতাংশ, তফসিলি সম্প্রদায়ের ২৩.৯৭ শতাংশ, উপজাতি সম্প্রদায়ের ৫.৮৬ শতাংশ, ওবিসি ৮.৮০ শতাংশ এবং সংখ্যালঘুদের ২৩.৭২ শতাংশ। কন্যাশ্রীর সাফল্য উদযাপন করতে ১৪ আগস্ট, কন্যাশ্রী দিবসে মুখ্যমন্ত্রী মমতা বন্দ্যোপাধ্যায় এক বর্ণাঢ্য অনুষ্ঠানের আয়োজন করেছিলেন। অপুষ্টিতে আক্রান্ত শিশুদের জন্য সরকার চালু করেছে বিশেষ প্রকল্প। শিশুদের অপুষ্টি থেকে রক্ষা করতে শুরু হয়ছে আইসিডিএস প্রকল্প। এই কাজকে সফল ভাবে এগিয়ে নিয়ে যেতে ২০টি জেলায় চালু হয়েছে ১ লক্ষ ১৪ হাজার ৪৭৭টি অঙ্গনওয়ারি কেন্দ্র। ৬ মাস থেকে ৬ বছর বয়সের ৬৯৩৯৬৭৩ জন শিশু এবং  ১৩৭৭৩৬০ জন গর্ভবতী ও স্তনদায়ী মহিলাকে প্রয়োজনীয় পুষ্টির জোগান দেওয়া হয়েছে। ৫ বছর বয়সী ৬০৫২০৯১ জন অপুষ্টিতে আক্রান্ত শিশু এখন সুস্থ। সরকারের এইসব প্রকল্পের ফলে অপুষ্টিতে আক্রান্ত শিশুদের সংখ্যা এখন অনেকটাই কম। ২০১১য় যা ছিল ৩৬.০৬ শতাংশ তা বর্তমানে ১৯.৯৭ শতাংশ। রাজ্যের শিশুদের অবস্থার উন্নতির জন্য ১৬ ডিসেম্বর ২০১৪ মুখ্যমন্ত্রী মমতা বন্দ্যোপাধ্যায় 'স্টেট প্ল্যান অব অ্যাকশন অন চিল্ড্রেন ২০১৪-১৮'-এর উদ্বোধন করেন। রাজ্যের মহিলাদের স্বনির্ভর করতে মমতা বন্দ্যোপাধ্যায় চালু করেছেন 'স্ববলম্বন প্রকল্প' । যৌন কর্মীদের জন্য শুরু হয়েছে প্রকল্প 'মুক্তির আলো'।