জুতো বিলি কর্মসূচির শুরুতেই হোঁচট জুতো বিলি কর্মসূচির শুরুতেই হোঁচট

মুখ্যমন্ত্রীর ইচ্ছাপূরণে পুর বিদ্যালয়ে জুতো বিলি। তবে কলকাতা পুরসভার কর্মসূচির শুরুতেই হোঁচট। নতুন জুতো পেয়েও মনমরা পড়ুয়ারা। কারও জুতো মাপে ছোট , তো কারও বেশ বড়!  তাড়াহুড়োর জুতো বিলিতেই কি এই বিভ্রাট? উঠছে প্রশ্ন। প্রাথমিক স্কুলের ছাত্র-ছাত্রীদের জুতো দেওয়ার কথা ঘোষণা করেছিলেন মুখ্যমন্ত্রী। সেই ইচ্ছা পূরণেই উদ্যোগী কলকাতা পুরসভাও। কলকাতার পুরসভার স্কুলগুলিতে পড়ুয়াদের ড্রেস-বইয়ের সঙ্গে এবার দেওয়া হল জুতোও।  প্রথম দিন একশ সাতাশ জনকে জুতো দেওয়া হল। জুতো দেওয়া হবে দুশো একাত্তরটি পুর বিদ্যালয়ের সব ছাত্রছাত্রীকে।

প্রায় ১ বছর বাদে তৃণমূলের মিছিলে হাঁটলেন মুকুল রায় প্রায় ১ বছর বাদে তৃণমূলের মিছিলে হাঁটলেন মুকুল রায়

আজ ফের তৃণমূলের মিছিলে দেখা গেল মুকুল রায়কে। সকাল নটা নাগাদ কাঁচড়াপাড়ায় শুভ্রাংশু রায়ের সমর্থনে মিছিল বের করবে তৃণমূল। সেই মিছিলে হাঁটবেন মুকুল রায়ও। প্রায় এক বছর পর ফের তৃণমূলের মিছিল দেখা যাবে মুকুল রায়কে। এবং ছেলের হয়ে প্রচারে নামার মধ্যে দিয়েই শুরু হচ্ছে এই নতুন পর্বের।  ইতিমধ্যে নানা ঘটনাবালীর মধ্যে দিয়ে তৃণমূলের সঙ্গে দূরত্ব কমেছে তাঁর। কলকাতায় গুলাম আলির অনুষ্ঠানে মমতা ব্যানার্জির গাড়িতেই আসেন মুকুল।  দূরত্ব কমার পর্বে  দলের কাজে প্রথম তাঁকে দেখা গেছে নাজমা হেপতুল্লার কাছে দলের সাংসদদের ডেপুটেশনেক সময়। সাংসদ হিসাবেই এই ডেপুটেশনে হাজির ছিলেন মুকুল। কাল  সম্পূর্ণ হল বৃত্ত। তৃণমূল ভবনে দলনেত্রীর সঙ্গে বৈঠকও করেন তিনি। এবার ছেলের হয়েই প্রচারে নেমে দলের মিছিলে যোগ দেবেন তিনি।

শীতে জমজমাট পাহাড়ের রাজনীতি, কংগ্রেস বা বামেদের সঙ্গে জোট করতে পারে মোর্চা শীতে জমজমাট পাহাড়ের রাজনীতি, কংগ্রেস বা বামেদের সঙ্গে জোট করতে পারে মোর্চা

জমে গেল পাহাড়ের রাজনীতি। পাহাড় সফরে গিয়ে মমতা বন্দ্যোপাধ্যায় ইঙ্গিত দেন, পাহাড়ের বাকি সব দলগুলিকে জড়ো করে মোর্চার বিরুদ্ধে প্রার্থী দিতে পারে তৃণমূল। প্রার্থী হিসেবে বেছে নেওয়া হতে পারে একদা বিমল গুরুংয়ের কাছের কাউকে। আজ পাল্টা দিলেন বিমল গুরুং। বললেন, তৃণমূলের বিভাজনের রাজনীতির মোকাবিলায় কংগ্রেস বা বামেদের সঙ্গেও জোট করতে পারে মোর্চা। বস্তুত শুধু মমতা বন্দ্যোপাধ্যায় নন, এভাবে বিজেপিকেও বার্তা দিলেন মোর্চা সভাপতি। কারণ মোর্চা কংগ্রেস কিংবা বামেদের সঙ্গে জোট বাঁধলে পাহাড়ে ক্ষতি বিজেপিরই। একই সঙ্গে তাঁর অভিযোগ, জিটিএ আইন মানছে না রাজ্য সরকার নিজেই।

জোট ইস্যুতে সরাসরি বাম- কংগ্রেসকে বিঁধলেন মুখ্যমন্ত্রী, পাল্টা অধীরের জোট ইস্যুতে সরাসরি বাম- কংগ্রেসকে বিঁধলেন মুখ্যমন্ত্রী, পাল্টা অধীরের

সূর্যকান্ত-বুদ্ধদেবের জোটের আহ্বানকে তীব্র কটাক্ষ মমতা বন্দ্যোপাধ্যায়ের। গত কয়েকদিন ধরেই বামেদের পক্ষ থেকে কংগ্রেসকে জোটের বার্তা দেওয়া নিয়ে সরগরম বাংলার রাজনীতি। আঁচ দিল্লিতেও। এই পরিস্থিতিতেই এবার জোট ইস্যুতে সরাসরি বাম কংগ্রেসকে বিঁধলেন মুখ্যমন্ত্রী। তাঁর যুক্তি জোট হয় মতাদর্শের ভিত্তিতে। তবে মতাদর্শগত ভাবে কোনও মিল নেই  সিপিএম-কংগ্রেসের। সেক্ষেত্রে ভোটের আগে বাম কংগ্রেস এক মঞ্চে এলে তা জোট নয় বরং ঘোঁট হবে। অন্যদিকে, উন্নয়নকে সামনে রেখে নির্বাচন লড়বে তৃণমূল। আমাদের প্রতিনিধিকে একান্তে বলেন মমতা।  

ফের মমতার গাড়িতে সওয়ার মুকুল ফের মমতার গাড়িতে সওয়ার মুকুল

ফের মমতা বন্দ্যোপাধ্যায়ের গাড়িতে মুকুল রায়। নেতাজি ইন্ডোরে গুলাম আলির অনুষ্ঠান। মমতা বন্দ্যোপাধ্যায়ের গাড়িতে চেপেই নেতাজি ইন্ডোরে গেলেন মুকুল । ঘটনাচক্রে যেদিন সিজিও কমপ্লেক্সের সামনে দিনভর সারদা ইস্যুতে তৃণমূলের বিরুদ্ধে তোপ দাগছেন বামেরা, ঠিক সেদিনই  মমতা বন্দ্যোপাধ্যায়ের গাড়িতে  মুকুল রায়। নতুন বছরের প্রথম দিনে তৃণমূলের প্রতিষ্ঠা দিবসে, প্রায় ন মাস পর, কালীঘাটে মমতা বন্দ্যোপাধ্যায়ের বাড়িতে গিয়েছিলেন মুকুল। সেদিন দুজনের মধ্যে কথা হয় প্রায়  ঘণ্টাখানেক। আর আজ  মমতা বন্দ্যোপাধ্যায়ের গাড়িতে চেপেই নেতাজি ইন্ডোরে গেলেন মুকুল। তাহলে বিচ্ছেদ পর্ব ঘুচে গিয়ে সম্পূর্ণ হল কি বৃত্ত?

বিশ্ববঙ্গ সম্মেলনে ভুটানের ড্রুক এয়ার সংস্থার সঙ্গে মউ সাক্ষর বিএপিএল-এর  বিশ্ববঙ্গ সম্মেলনে ভুটানের ড্রুক এয়ার সংস্থার সঙ্গে মউ সাক্ষর বিএপিএল-এর

বিশ্ববঙ্গ সম্মেলনের প্রথম বাণিজ্য সমঝোতা। আন্তর্জাতিক উড়ান মানচিত্রে এসে গেল দুর্গাপুরের অন্ডাল বিমানবন্দর। ভুটানের ড্রুক এয়ার সংস্থার সঙ্গে এই মর্মে মউ স্বাক্ষর হল বেঙ্গল এয়ারোট্রোপোলিস প্রজেক্ট লিমিটেডের। কলকাতা ও দিল্লিতে বিমান যোগাযোগ রয়েছে ব্রুক এয়ারের। তবে অন্ডালে এখনই তারা যাত্রীবাহী বিমান চালাতে পারবে না। কারণ অন্ডালের সেই অনুমতি নেই। তাই কারিগরি সহায়তার জন্য ব্যবহার করা হবে, অন্ডালকে। যার মধ্যে রয়েছে অন্ডালের হ্যাঙ্গারে বিমান রাখা এবং জ্বালানি ভরা। অন্ডালের বিমান জ্বালানিকে করমুক্ত ঘোষণা করেছে পশ্চিমবঙ্গ সরকার। সেজন্য বহু বিমান সংস্থাই অণ্ডাল থেকে জ্বালানি ভরাতে আগ্রহী। অন্ডাল বিমানবন্দর সূত্রে খবর, আন্তর্জাতিক যাত্রীবাহী উড়ান পরিষেবার ছাড়পত্র পেতে শিগগিরই অসামরিক বিমান পরিবহণ মন্ত্রকের কাছে আবেদন জানাবে তারা। 

বিশ্ববঙ্গ শিল্প সম্মেলনের শেষ দিন আজ বিশ্ববঙ্গ শিল্প সম্মেলনের শেষ দিন আজ

আজ বিশ্ববঙ্গ শিল্প সম্মেলনের শেষ দিন। কোন ক্ষেত্রে কত লগ্নি, কতগুলি মউ স্বাক্ষর হবে, সেই ঘোষণা হওয়ার সম্ভাবনা আজই। নিজেদের মধ্যেও বৈঠক করবেন শিল্পপতিরা। বস্ত্র-শক্তি ও খনি শিল্প নিয়ে আলোচনার সম্ভাবনা। আজও শিল্পমহলের সামনে বক্তব্য রাখবেন মুখ্যমন্ত্রী। বিনিয়োগের সেরা গন্তব্য বাংলা। এই দাবি নিয়েই গতকাল দুদিনের বিশ্ববঙ্গ শিল্প সম্মেলনের সূচনা করেন মুখ্যমন্ত্রী। ছিলেন রিলায়েন্স ইন্ডাস্ট্রিজের মুকেশ অম্বানি থেকে এসেল গ্রুপের  ড. সুভাষ চন্দ্র সহ তাবড় শিল্পপতিরা। রাজ্যে শিল্পের পরিবেশ নেই। এই অভিযোগ উড়িয়ে সরকারের হয়ে ব্যাট ধরেন দেশের প্রথম সারির এই শিল্পপতিরা। তাঁদের সার্টিফিকেট, গত সাড়ে ৪ বছরে রাজ্যে শিল্পায়নে গতি এসেছে। বুঝিয়ে দেওয়া হয়, এ রাজ্যে লগ্নির পরিবেশে আস্থা রাখছেন তাঁরা।

কাল থেকে শুরু হচ্ছে বিশ্ব বঙ্গ সম্মেলন কাল থেকে শুরু হচ্ছে বিশ্ব বঙ্গ সম্মেলন

তীব্র সংঘাতের মধ্যেই একমঞ্চে হাজির হতে পারেন অরুণ জেটলি আর অরবিন্দ কেজরিওয়াল। সৌজন্যে মমতা বন্দ্যোপাধ্যায়। কাল কলকাতায় শুরু হচ্ছে দুদিনের গ্লোবাল বিজনেস সামিট। প্রথম দিন বক্তা হিসেবে আমন্ত্রিত জেটলি ও কেজরিওয়াল। প্লেনারি সেশনে প্রথমে বক্তব্য রাখবেন কেন্দ্রীয় অর্থমন্ত্রী। দুজনের পরে বক্তব্য রাখার কথা দিল্লির মুখ্যমন্ত্রীর। জেটলি আর কেজরিওয়াল, DDCA ইস্যুতে দুজনেই এখন একে অপরের ঘোষিত শত্রু। DDCA-তে দুর্নীতির জন্য জেটলিকে কাঠগড়ায় তুলেছেন কেজরিওয়াল। দিল্লির মুখ্যমন্ত্রী ও তাঁর পার্ষদদের বিরুদ্ধে মানহানির মামলা করেছেন জেটলি। শেষ পর্যন্ত দুই যুযুধান রাজনীতিক বাংলার বাণিজ্য মঞ্চে মুখোমুখি হলে, কীভাবে দুজনের মোলাকাত হয়, সেদিকে তাকিয়ে অনেকেই।

ঝালমুড়ির পর গান, প্রতিষ্ঠাদিবসে তৃণমূলের মঞ্চ থেকে গান গাইলেন বাবুল ঝালমুড়ির পর গান, প্রতিষ্ঠাদিবসে তৃণমূলের মঞ্চ থেকে গান গাইলেন বাবুল

ঝালমুড়ির পর এবার গান। বছরের শুরুতে রাজনৈতিক ভেদাভেদ ভুলে তৃণমূলের প্রতিষ্ঠাদিবসের অনুষ্ঠানে গান গাইলেন বিজেপি সাংসদ বাবুল সুপ্রিয়। প্রতিষ্ঠাদিবস উপলক্ষ্যে আসানসোলের কর্পোরেশন মোড়ে তৃণমূলের একটি অনুষ্ঠান চলছিল। সেই সময় কর্পোরেশন মোড়ের সামনে দিয়েই দলীয় সভায় যোগ দিতে যাচ্ছিলেন বাবুল সুপ্রিয়। আচমকাই গাড়ি থামিয়ে নেমে পড়েন বিজেপি সাংসদ। এরপর সব্বাইকে চমকে দিয়ে সটান মঞ্চে উঠে পড়েন তিনি। মঞ্চে উঠতেই মেয়র জীতেন্দ্র কুমার তিওয়ারির তরফে আসে গানের অনুরোধ। যেমন বলা তেমন কাজ। সঙ্গে সঙ্গে গান ধরলেন বাবুল। পরে ফের দলীয় সভার উদ্দেশ্যে রওনা দেন বাবুল ।