মমতার রোম সফর

মমতার রোম সফর

দ্বিতীয়বার ক্ষমতায় আসার পর উত্‍পাদন শিল্পে রাজ্যকে এগিয়ে নিয়ে যাওয়ার ওপর জোর দিয়েছেন মুখ্যমন্ত্রী। সেপ্টেম্বরে তাঁর ইতালি ও জার্মান সফর এই লক্ষ্য অর্জনে গুরুত্বপূর্ণ ভূমিকা নেবে বলে মনে করছে রাজ্য সরকার।

মমতার ত্রিপুরা অভিযান মমতার ত্রিপুরা অভিযান

কংগ্রেসের ভাঙন না ধরাতে পারলে দলের সামনে আর কোনও পথ খোলা নেই।

সিন্ডিকেট তোলাবাজি রুখতে আরও কড়া মুখ্যমন্ত্রী সিন্ডিকেট তোলাবাজি রুখতে আরও কড়া মুখ্যমন্ত্রী

সিন্ডিকেট তোলাবাজি রুখতে আরও কড়া মুখ্যমন্ত্রী। যেকোনও অভিযোগে ব্যবস্থা নিতে হবে। CMO-র আধিকারিকদের কড়া নির্দেশ মুখ্যমন্ত্রীর। তাঁর স্পষ্ট বার্তা, সিন্ডিকেট প্রশ্নে কাউকে রেয়াত করা যাবে না। পয়লা জুলাই উত্তর চব্বিশ জেলার প্রশাসনিক বৈঠকেও সিন্ডিকেট রুখতে পুলিস প্রশাসনকে কড়া ব্যবস্থা নেওয়ার নির্দেশ দেন মুখ্যমন্ত্রী। কিন্তু, তারপরেও বিভিন্ন জায়গা থেকে তোলাবাজির অভিযোগ আসতে থাকায় ক্ষুদ্ধ মুখ্যমন্ত্রী।

দিল্লিতে আন্তঃরাজ্য কাউন্সিলের বৈঠকের মাঝে মুখোমুখি বসতে পারেন মোদী-মমতা দিল্লিতে আন্তঃরাজ্য কাউন্সিলের বৈঠকের মাঝে মুখোমুখি বসতে পারেন মোদী-মমতা

দিল্লিতে আন্তঃরাজ্য কাউন্সিলের বৈঠকের ফাঁকেই, মুখোমুখি বসতে পারেন মোদী-মমতা। দুজনের ওয়ান-টু-ওয়ান বৈঠকের সম্ভাবনা রয়েছে। সেক্ষেত্রে রাজ্যের ঋণের ওপর সুদ মকুব, আধার কার্ড ইস্যু, কেরোসিনে ভর্তুকি তুলে দেওয়ার প্রস্তাব সহ একাধিক বিষয় প্রধানমন্ত্রীর সামনে তুলে ধরতে পারেন মমতা বন্দ্যোপাধ্যায়।

মমতাই মমতার বার্তাকে সঠিক প্রমাণ করলেন মমতাই মমতার বার্তাকে সঠিক প্রমাণ করলেন

প্রশাসনিক বৈঠকই হোক বা দলের কর্মশালা। দ্বিতীয়বার ক্ষমতায় আসার পরই মমতা বন্দ্যোপাধ্যায় বুঝিয়ে দিয়েছেন, সিন্ডিকেট-তোলাবাজি তিনি বরদাস্ত করবেন না। এই ধরনের কাজে তৃণমূলের নেতানেত্রীরা যুক্ত থাকলে রেহাই পাবেন না তাঁরাও।

ভাল কাজ করলে, পরিবারের একজনের চাকরি, 'ইনসেন্টিভ' ঘোষণা মুখ্যমন্ত্রীর ভাল কাজ করলে, পরিবারের একজনের চাকরি, 'ইনসেন্টিভ' ঘোষণা মুখ্যমন্ত্রীর

ভাল কাজ করলে, পরিবারের একজনের চাকরি হবে। ট্রাফিক পুলিসদের মনোবল বাড়াতে এমনই ইনসেন্টিভ ঘোষণা করলেন মুখ্যমন্ত্রী।  নজরুল মঞ্চে পরিবহন দফতরের সভায় পরিবহন ব্যবস্থাকে ঢেলে সাজাতে একগুচ্ছ প্রস্তাব দেন মমতা বন্দ্যোপাধ্যায়। রাত দশটার পর উড়ালপুড়ে বাইক নিষিদ্ধ,  সিসিটিভির  আওতায় রাজ্যের সবকটি গুরুত্বপূর্ণ সড়ককে আনার প্রস্তাব সহ স্কুল কলেজের পাঠক্রমে পরিহন শিক্ষাকে অন্তভুক্ত করার প্রস্তাব দেন মুখ্যমন্ত্রী।

রনং দেহী মমতা: দলের নেতাদের ও প্রশাসনকে কড়া বার্তা দিলেন রনং দেহী মমতা: দলের নেতাদের ও প্রশাসনকে কড়া বার্তা দিলেন

দল বা সরকারের ইমেজে আর কোনও দাগ বরদাস্ত করা হবে না। উত্তর চব্বিশ পরগনা জেলার প্রশাসনিক বৈঠকে সেটাই পরিষ্কার করে দিলেন মুখ্যমন্ত্রী। সাফ জানালেন পুলিস-প্রশাসনের অপদার্থতা বা দলের নেতাদের খেয়োখেয়িতে সাধারণের দুর্ভোগ, আর মানবেন না তিনি।

বিধানসভায় কোন মন্ত্রীরা 'মমতার সবথেকে কাছে'? বিধানসভায় কোন মন্ত্রীরা 'মমতার সবথেকে কাছে'?

মমতা বন্দ্যোপাধ্যায়। সর্বভারতীয় তৃণমূল কংগ্রেসের সভাপতি। আবার তিনিই পশ্চিমবঙ্গের মুখ্যমন্ত্রী। একাধারে দলনেত্রী, আবার অন্যদিকে রাজ্যের প্রশাসনিক প্রধান। স্বভাবতই তাঁর কাছে থাকার সৌভাগ্য সবার জোটে না। মিটিং মিছিলও হোক আর রাজ্যের বিধানসভাই হোক মমতা বন্দ্যোপাধ্যায়ের নিজস্ব 'কমফোর্ট জোনে' ঠাঁই পেয়েছেন মাত্র কয়েকজনই। কাঁরা এই জনা কয়েক? 

মুখ্যমন্ত্রীকে তৃণমূল নেতার উপহার 'ডালের বড়া' মুখ্যমন্ত্রীকে তৃণমূল নেতার উপহার 'ডালের বড়া'

নারায়ণগড়ে জিতলে বেলদার ডালের বড়া খেতে আসবেন। নির্বাচনী সভায় নিজের ইচ্ছের কথা জানিয়েছিলেন মমতা বন্দ্যোপাধ্যায়। ইচ্ছে পূরণ হয়েছে। আর তাই আজ নারায়ণগড়ে মুখ্যমন্ত্রীর সভায় ডালের বড়াই ছিল সুপার হিট।

আজ টাউন হলে মুখ্যমন্ত্রীর প্রশাসনিক বৈঠক আজ টাউন হলে মুখ্যমন্ত্রীর প্রশাসনিক বৈঠক

আজ টাউন হলে মুখ্যমন্ত্রীর প্রশাসনিক বৈঠক। মমতা বন্দ্যোপাধ্যায়ের নজর কাড়তে মরিয়া মন্ত্রীরা। সূত্রের খবর, রীতিমতো হোমওয়ার্ক করে টাউনহলে হাজিরা দেবেন  মন্ত্রিসভার সদস্যরা। বিধানসভা ভোটের কারণে গত পাঁচ মাস রাজ্যের উন্নয়নে বিভিন্ন খাতে খরচ করার সুযোগ থাকলেও করা সম্ভব হয়নি।

রাজ্যের ৪২ জন মন্ত্রী একসঙ্গে, এই বিরল ছবি প্রথমবার সামনে এল রাজ্যের ৪২ জন মন্ত্রী একসঙ্গে, এই বিরল ছবি প্রথমবার সামনে এল

তৃণমূল ২১১, আর বাকিরা 'ধুয়ে মুছে সাফ'। এটাই ছিল তৃণমূলের পক্ষে বাংলার মানুষের রায়। সেদিন গোলাপ অভিনন্দনে ভরে গিয়েছিল কালীঘাট। তবে গোলাপ যেমন ছিল, তেমন গোলাপের কাঁটাও ছিল। রাজ্যের রায়ের অভিনন্দনের মাঝে মাঝেই তৃণমূলের মাথা ব্যথার কারণ হয়ে উঠছিল সেই 'পুরাতন রোগ' গোষ্ঠীকোন্দল। শপথ গ্রহণের আগেই দলের অন্দরের কাজিয়া থামিয়ে মিলে মিশে কাজ করার বার্তা দিয়েছিলেন জননেত্রী। বিধায়ক সব্যসাচী দত্ত এবং সাংসদ কাকলি ঘোষ দস্তিদারকে স্পষ্ট বার্তা দিয়েছিলেন মুখ্যমন্ত্রী। উত্তর কলকাতার দুই বিধায়ক তথা দুই মন্ত্রী শশী পাঁজা এবং সাধন পাণ্ডেকেও একই বার্তা দেওয়া হয়েছে দলের পক্ষে থেকে। আর বার্তা পেয়েই মহামিলনের ছবি। হাজারো মত বিরোধ থাকলেও শপথ মঞ্চে ৪২ জন মন্ত্রী একসঙ্গে। শিশু ও নারী কল্যাণ দপ্তরের মন্ত্রী এবং ক্রেতা সুরক্ষা দপ্তরের মন্ত্রী সাধন পাণ্ডে একই ফ্রেমে। রয়েছেন নতুন মুখরাও। কোনওদিন এটাও ভাবা যায়নি, তৃণমূলের মন্ত্রী সভায় স্তান পাবেন 'প্রাক্তন' সিপিএম বিধায়ক তথা বামফ্রন্ট সরকারের মন্ত্রী রেজ্জাক মোল্লা। শপথ মঞ্চে আর বাকি ৪১ জনের সঙ্গে একই ফ্রেমে তিনিও। 

আমন্ত্রণ পত্র পেলেও শপথগ্রহণে থাকছে না কংগ্রেসের কোনও কেন্দ্রীয় নেতৃত্ব আমন্ত্রণ পত্র পেলেও শপথগ্রহণে থাকছে না কংগ্রেসের কোনও কেন্দ্রীয় নেতৃত্ব

আমন্ত্রণ পত্র পেলেও আজ মমতা বন্দ্যোপাধ্যায়ের শপথগ্রহণে থাকছে না কংগ্রেসের কোনও কেন্দ্রীয় নেতৃত্ব। কংগ্রেস পরিষদীয় দলের বৈঠক উপলক্ষে আজ শহরে আসছেন AICC-র দুই প্রতিনিধি সিপি যোশি এবং অম্বিকা সোনি। ধারনা হয়েছিল যে শপথগ্রহণ অনুষ্ঠানে অংশ নেওয়ার পরই তাঁরা রাজ্য নেতৃত্বের সঙ্গে বৈঠকে বসবেন। তবে রাতে প্রদেশ নেতৃত্বে স্পষ্ট ভাবে জানিয়ে দিয়েছেন যে রাজ্য নেতৃত্বের পাশাপাশি AICC-র নেতারাও মমতা বন্দ্যোপাধ্যায়ের শপথগ্রহণে থাকছেন না। ফল প্রকাশের পর থেকে রাজ্যজুড়ে আক্রান্ত বিরোধী দলের নেতা কর্মীরা। তার প্রতিবাদেই  শপথগ্রহণ অনুষ্ঠান বয়কটের সিদ্ধান্ত বিরোধীদের।