বিধানসভায় কোন মন্ত্রীরা 'মমতার সবথেকে কাছে'?

বিধানসভায় কোন মন্ত্রীরা 'মমতার সবথেকে কাছে'?

মমতা বন্দ্যোপাধ্যায়। সর্বভারতীয় তৃণমূল কংগ্রেসের সভাপতি। আবার তিনিই পশ্চিমবঙ্গের মুখ্যমন্ত্রী। একাধারে দলনেত্রী, আবার অন্যদিকে রাজ্যের প্রশাসনিক প্রধান। স্বভাবতই তাঁর কাছে থাকার সৌভাগ্য সবার জোটে না। মিটিং মিছিলও হোক আর রাজ্যের বিধানসভাই হোক মমতা বন্দ্যোপাধ্যায়ের নিজস্ব 'কমফোর্ট জোনে' ঠাঁই পেয়েছেন মাত্র কয়েকজনই। কাঁরা এই জনা কয়েক? 

মুখ্যমন্ত্রীকে তৃণমূল নেতার উপহার 'ডালের বড়া' মুখ্যমন্ত্রীকে তৃণমূল নেতার উপহার 'ডালের বড়া'

নারায়ণগড়ে জিতলে বেলদার ডালের বড়া খেতে আসবেন। নির্বাচনী সভায় নিজের ইচ্ছের কথা জানিয়েছিলেন মমতা বন্দ্যোপাধ্যায়। ইচ্ছে পূরণ হয়েছে। আর তাই আজ নারায়ণগড়ে মুখ্যমন্ত্রীর সভায় ডালের বড়াই ছিল সুপার হিট।

আজ টাউন হলে মুখ্যমন্ত্রীর প্রশাসনিক বৈঠক আজ টাউন হলে মুখ্যমন্ত্রীর প্রশাসনিক বৈঠক

আজ টাউন হলে মুখ্যমন্ত্রীর প্রশাসনিক বৈঠক। মমতা বন্দ্যোপাধ্যায়ের নজর কাড়তে মরিয়া মন্ত্রীরা। সূত্রের খবর, রীতিমতো হোমওয়ার্ক করে টাউনহলে হাজিরা দেবেন  মন্ত্রিসভার সদস্যরা। বিধানসভা ভোটের কারণে গত পাঁচ মাস রাজ্যের উন্নয়নে বিভিন্ন খাতে খরচ করার সুযোগ থাকলেও করা সম্ভব হয়নি।

রাজ্যের ৪২ জন মন্ত্রী একসঙ্গে, এই বিরল ছবি প্রথমবার সামনে এল রাজ্যের ৪২ জন মন্ত্রী একসঙ্গে, এই বিরল ছবি প্রথমবার সামনে এল

তৃণমূল ২১১, আর বাকিরা 'ধুয়ে মুছে সাফ'। এটাই ছিল তৃণমূলের পক্ষে বাংলার মানুষের রায়। সেদিন গোলাপ অভিনন্দনে ভরে গিয়েছিল কালীঘাট। তবে গোলাপ যেমন ছিল, তেমন গোলাপের কাঁটাও ছিল। রাজ্যের রায়ের অভিনন্দনের মাঝে মাঝেই তৃণমূলের মাথা ব্যথার কারণ হয়ে উঠছিল সেই 'পুরাতন রোগ' গোষ্ঠীকোন্দল। শপথ গ্রহণের আগেই দলের অন্দরের কাজিয়া থামিয়ে মিলে মিশে কাজ করার বার্তা দিয়েছিলেন জননেত্রী। বিধায়ক সব্যসাচী দত্ত এবং সাংসদ কাকলি ঘোষ দস্তিদারকে স্পষ্ট বার্তা দিয়েছিলেন মুখ্যমন্ত্রী। উত্তর কলকাতার দুই বিধায়ক তথা দুই মন্ত্রী শশী পাঁজা এবং সাধন পাণ্ডেকেও একই বার্তা দেওয়া হয়েছে দলের পক্ষে থেকে। আর বার্তা পেয়েই মহামিলনের ছবি। হাজারো মত বিরোধ থাকলেও শপথ মঞ্চে ৪২ জন মন্ত্রী একসঙ্গে। শিশু ও নারী কল্যাণ দপ্তরের মন্ত্রী এবং ক্রেতা সুরক্ষা দপ্তরের মন্ত্রী সাধন পাণ্ডে একই ফ্রেমে। রয়েছেন নতুন মুখরাও। কোনওদিন এটাও ভাবা যায়নি, তৃণমূলের মন্ত্রী সভায় স্তান পাবেন 'প্রাক্তন' সিপিএম বিধায়ক তথা বামফ্রন্ট সরকারের মন্ত্রী রেজ্জাক মোল্লা। শপথ মঞ্চে আর বাকি ৪১ জনের সঙ্গে একই ফ্রেমে তিনিও। 

আমন্ত্রণ পত্র পেলেও শপথগ্রহণে থাকছে না কংগ্রেসের কোনও কেন্দ্রীয় নেতৃত্ব আমন্ত্রণ পত্র পেলেও শপথগ্রহণে থাকছে না কংগ্রেসের কোনও কেন্দ্রীয় নেতৃত্ব

আমন্ত্রণ পত্র পেলেও আজ মমতা বন্দ্যোপাধ্যায়ের শপথগ্রহণে থাকছে না কংগ্রেসের কোনও কেন্দ্রীয় নেতৃত্ব। কংগ্রেস পরিষদীয় দলের বৈঠক উপলক্ষে আজ শহরে আসছেন AICC-র দুই প্রতিনিধি সিপি যোশি এবং অম্বিকা সোনি। ধারনা হয়েছিল যে শপথগ্রহণ অনুষ্ঠানে অংশ নেওয়ার পরই তাঁরা রাজ্য নেতৃত্বের সঙ্গে বৈঠকে বসবেন। তবে রাতে প্রদেশ নেতৃত্বে স্পষ্ট ভাবে জানিয়ে দিয়েছেন যে রাজ্য নেতৃত্বের পাশাপাশি AICC-র নেতারাও মমতা বন্দ্যোপাধ্যায়ের শপথগ্রহণে থাকছেন না। ফল প্রকাশের পর থেকে রাজ্যজুড়ে আক্রান্ত বিরোধী দলের নেতা কর্মীরা। তার প্রতিবাদেই  শপথগ্রহণ অনুষ্ঠান বয়কটের সিদ্ধান্ত বিরোধীদের।

দ্বিতীয়বার মুখ্যমন্ত্রী পদে শপথ নেওয়ার পরই নবান্নে যাবেন মমতা বন্দ্যোপাধ্যায় দ্বিতীয়বার মুখ্যমন্ত্রী পদে শপথ নেওয়ার পরই নবান্নে যাবেন মমতা বন্দ্যোপাধ্যায়

কিছুক্ষণের মধ্যেই দ্বিতীয়বার মুখ্যমন্ত্রী পদে শপথ নেবেন মমতা বন্দ্যোপাধ্যায়। তার আগে কালীঘাটে উত্‍সবের মেজাজ। ফুল-মালা নিয়ে হাজির দলীয় কর্মী সমর্থকরা। শঙ্খধ্বনীর মধ্যে দিয়ে রেড রোডের উদ্দেশে রওনা হলেন তৃণমূল নেত্রীসহ অন্যান্যরা।

 আজ দ্বিতীয়বার মুখ্যমন্ত্রী পদে শপথ নেবেন মমতা বন্দ্যোপাধ্যায় আজ দ্বিতীয়বার মুখ্যমন্ত্রী পদে শপথ নেবেন মমতা বন্দ্যোপাধ্যায়

আজ দ্বিতীয়বার মুখ্যমন্ত্রী পদে শপথ নেবেন মমতা বন্দ্যোপাধ্যায়। তাঁর সঙ্গেই শপথ নেবেন বেয়াল্লিশজন মন্ত্রী। গত মন্ত্রিসভার সব হেভিওয়েটই এবারও মন্ত্রী হচ্ছেন। কলকাতার মেয়র শোভন চট্টোপাধ্যায় এবং তৃণমূলের প্রথম বিধায়ক শোভনদেব চট্টোপাধ্যায় দুজনেই মন্ত্রিসভায় জায়গা পাচ্ছেন।

মমতার শপথ বয়কট রাজ্য বিজেপির, আসছেন দুই কেন্দ্রীয় মন্ত্রী মমতার শপথ বয়কট রাজ্য বিজেপির, আসছেন দুই কেন্দ্রীয় মন্ত্রী

শপথগ্রহণ অনুষ্ঠানে উপস্থিতি নিয়ে কার্যত দুমুখো অবস্থান নিল বিজেপি। আগামিকালের অনুষ্ঠান বয়কট করছে রাজ্য বিজেপি। অথচ, উপস্থিত থাকবেন দুই কেন্দ্রীয় মন্ত্রী। আসছেন কেন্দ্রীয় অর্থমন্ত্রী অরুণ জেটলি ও কেন্দ্রীয় নগরোন্নয়ন প্রতিমন্ত্রী বাবুল সুপ্রিয়। বিজেপির  যুক্তি, প্রোটোকল মেনেই আসছেন তিনি। কিন্তু, প্রশ্ন উঠছে যেখানে সন্ত্রাস ইস্যুতে রাজ্য বিজেপি সরব, সেখানে কেন দুই কেন্দ্রীয় মন্ত্রী  আসছেন? রাজ্যসভায় তৃণমূলকে পাশে পাওয়ার জন্যই কি এই দুমুখো নীতি? 

সবাইকে মন্ত্রী করা যাবে না: মমতা সবাইকে মন্ত্রী করা যাবে না: মমতা

শপথের আগেই দলে গোষ্ঠীদ্বন্দ্ব থামাতে কড়া বার্তা দিলেন  মমতা বন্দ্যোপাধ্যায়। বিধানসভা ভোটে পরাজিত তৃণমূল প্রার্থীদের মধ্যে অনেকেই অন্তর্ঘাতের অভিযোগ করেছেন।

মমতার মন্ত্রিসভা, সোশ্যাল মিডিয়াতে যা এখন কৌতূহলের তুঙ্গে মমতার মন্ত্রিসভা, সোশ্যাল মিডিয়াতে যা এখন কৌতূহলের তুঙ্গে

১৯ তারিখের জনাদেশে রাজ্যের সংখ্যাগরিষ্ঠ মানুষের রায় ছিল তৃণমূলের পক্ষে, ফের মসনদে 'দিদি'ই। দ্বিতীয়বারের জন্য মুখ্যমন্ত্রী পদে শপথ নেবেন মমতা বন্দ্যোপাধ্যায়। রেড রোডে অনুষ্ঠিত হবে শপথ গ্রহণ অনুষ্ঠান। নন্দীগ্রামের নব বিধায়ক শুভেন্দু অধিকারী যে মমতার মন্ত্রিসভার হেভিওয়েটদের মধ্যে একজন হতে চলেছেন, সে আভাষ ছিল অনেক আগে থেকেই। ভোট প্রচারে গিয়ে মমতা বন্দ্যোপাধ্যায় নিজেই বলেছিলেন, "শুভেন্দু আমাদের মন্ত্রিসভায় আসুক"। তাই এ নিয়ে সংশয়ের কোনও অবকাশই নেই। তবে এও ঠিক নারদকাণ্ডের পর মুখ্যমন্ত্রী দলের অনেক নেতা মন্ত্রীদের ওপরই 'ক্ষুব্ধ' ছিলেন। প্রকাশ্যেই তিনি জানিয়েছিলেন, "আগে জানলে টিকিট দিতেন না"। এমন অবস্থায় নারদায় অভিযুক্ত অনেকেই ফের জয়ী। তবে কি তাঁরা মন্ত্রিত্ব হারাতে চলেছেন? না আসছে রদবদল? নতুন মুখ কারা? কোনও সরকারী ঘোষণা না থাকলেও মমতার মন্ত্রিসভা নিয়ে সোশ্যাল মিডিয়াতে এখন বেশ রকম হৈ চৈ। একনজরে দেখে নিন কারা হবেন নতুন সরকারের মন্ত্রী- (সোশ্যাল মিডিয়া থেকেই এই তথ্য সংগৃহীত)

মাদার টেরিজাকে সেন্টহুডে ভূষিত করার অনুষ্ঠানে রোমে আমন্ত্রিত মমতা বন্দ্যোপাধ্যায় মাদার টেরিজাকে সেন্টহুডে ভূষিত করার অনুষ্ঠানে রোমে আমন্ত্রিত মমতা বন্দ্যোপাধ্যায়

শুভেচ্ছার শেষ নেই। মমতা বন্দ্যোপাধ্যায়কে অভিনন্দন জানাতে প্রতিদিনই কালীঘাটে উপচে পড়ছে ভিড়। এরই মধ্যে এল রোম যাওয়ার আমন্ত্রণ। মাদার টেরিজাকে সেন্টহুডে ভূষিত করার অনুষ্ঠানে রোম যাওয়ার আমন্ত্রণ নিয়ে এলেন সিস্টার প্রেমা। আমন্ত্রণ গ্রহণ করলেন মমতা বন্দ্যোপাধ্যায়। সাতাশে মে রেড রোডের মুক্তাঙ্গনে দ্বিতীয়বারের জন্য মুখ্যমন্ত্রী হিসাবে শপথ নেবেন মমতা বন্দ্যোপাধ্যায়। তার আগে ব্যস্ততার শেষ নেই মমতার। প্রতিদিনই শুভেচ্ছা জানাতে আসছেন কেউ না কেউ। এরই মধ্যে এল রোম যাওয়ার আমন্ত্রণ।

তৃণমূলের জয়ের সবথেকে বড় তিনটি কারণ তৃণমূলের জয়ের সবথেকে বড় তিনটি কারণ

এই প্রথমবার এ রাজ্যের বিধানসভা নির্বাচনের আগাম ফল নিয়ে কোনও নিশ্চয়তা ছিল না মানুষের মধ্যে। গতকাল পর্যন্ত যাকেই ভোটের ফল নিয়ে জিজ্ঞেস করা হয়েছে, সেই বলেছে, ঠিক বোঝা যাচ্ছে না। লড়াইটা এবার হাড্ডাহাড্ডি হবে বলে মনে হচ্ছে। আসলে প্রথম দুই দফা ভোটের পর থেকে নির্বাচন কমিশন এতটাই কড়াকড়ি করে যে, হাওয়ায় রটে যায়, মানুষের ভোট মানুষ দিয়েছে। আর মানুষের ভোটের বেশিরভাগটাই যাবে বিরোধী জোটের পক্ষে।

ব্যর্থতায় অজুহাত না দিয়ে বামেদের দিকে আঙুল তুললেন অধীর! ব্যর্থতায় অজুহাত না দিয়ে বামেদের দিকে আঙুল তুললেন অধীর!

দুপুর ১ টা বাজতেই ভোটের ফল বুঝতে পেরে সাংবাদিক সম্মেলন করে ফেললেন কংগ্রেসের প্রদেশ কংগ্রেস সভাপতি অধীর রঞ্জন চৌধুরি। ২০১৬-র বিধানসভা নির্বাচনের ফল প্রকাশের দিন প্রথম সাংবাদিক সম্মেলনে অধীর চৌধুরি যা বললেন -