জঙ্গলমহলে বিশবাঁও জলে কৃষিবন্ধু প্রকল্প

জঙ্গলমহলের উন্নয়নের জন্য হত দুবছরে একগুচ্ছ প্রকল্পের ঘোষণা করেছেন মুখ্যমন্ত্রী। তবে একাধিক প্রস্তাবিত প্রকল্পের বাস্তবায়ন নিয়ে এখন কার্যত ধন্দ্বে জঙ্গমহলের বাসিন্দারা। ঝাড়গ্রামের প্রতিটি ব্লকে কৃষিবন্ধু প্রকল্পের ঘোষণা করেছিলেন মুখ্যমন্ত্রী।  তবে বছর দুয়েক বাদে এখনও বিশ বাঁও জলে প্রকল্পের কাজ। এলাকায় কৃষিবন্ধুর কোনও দেখাই মেলেনি বলে অভিযোগ লালগড় সহ ঝাড়গ্রামের  বাসিন্দাদের।  দুহাজার এগারো সালে ঝাড়গ্রামে মুখ্যমন্ত্রী ঘোষণা করেছিলেন প্রতিটি ব্লকে নিয়োগ করা হবে পঞ্চাশ জন করে কৃষিবন্ধু। মাসে চার হাজার টাকা বেতনের বিনিময়ে এই কৃষিবন্ধুরাই স্থানীয় কৃষকদের চাষবাস সংক্রান্ত যাবতীয় সমস্যায় পরামর্শ দেবেন। এই প্রকল্প বাস্তবায়িত হলে কর্মসংস্থানের পাশপাশি এলাকার কৃষিজীবী মানুষের অনেক সমস্যার সুরাহার আশা ছিল। কিন্তু প্রায় দু বছর কেটে গেলেও বিশ বাঁও জলে সেই প্রকল্প। লালগড়ের বাসিন্দাদের অভিযোগ, এখনও কৃষিবন্ধুদের দেখা মেলেনি এলাকায়।

মুখ্যমন্ত্রীর দেহরক্ষী, তাই কি জুটল পদক?

খোদ মুখ্যমন্ত্রীর হাত থেকে পুরস্কৃত হয়েছেন যে পুলিস অফিসার, তিনিই পদোন্নতির যোগ্যতা অর্জন করতে পারেননি। গত ডিসেম্বর মাসে মুখ্যমন্ত্রীর হাত থেকে সেবাপদক পেয়েছিলেন তাঁর দেহরক্ষী কুসুম কুমার দ্বিবেদী। তারমাত্র চার মাসের মধ্যেই পদোন্নতির পরীক্ষায় চূড়ান্ত ব্যর্থ হয়েছেন তিনি। স্বাভাবিকভাবেই হয় পদক পাওয়ার জন্য,  তাঁর নাম যারা বিবেচনা করেছে তাঁরা ভুল করেছেন নয় যাঁরা তাঁর যোগ্যতা পরীক্ষা করেছেন ভুলটা তাঁদের। এমনই বিতর্ক দেখা দিয়েছে কলকাতা পুলিসে।

সাধন পান্ডের বিস্ফোরক মন্তব্যে সারদা জটে আরও জড়ালেন মুখ্যমন্ত্রী

রাজ্য সরকারের অস্বস্তি বাড়িয়ে চিট ফান্ড ইস্যুতে সরব হলেন রাজ্যের ক্রেতা সুরক্ষা মন্ত্রী সাধন পান্ডে। তাঁর অভিযোগ, দুবছর ধরেই সারদার মত চিটফান্ডের রমরমার বিরুদ্ধে কেন্দ্র রাজ্য সব পক্ষকেই জানিয়ে আসছিলেন তিনি। এমনকি চিটফান্ডের বিরুদ্ধে ব্যবস্থা নিতে প্রশিক্ষণ প্রাপ্ত দলও তৈরি করেছিল তাঁর দফতর। কিন্তু সেই দলকে কার্যত কোনও কাজেই লাগায়নি সরকার।

মোর্চা নেতাদের সঙ্গে বৈঠকে মুখ্যমন্ত্রী

চারদিনের সফরে দার্জিলিং গিয়ে গোর্খা জনমুক্তি মোর্চার নেতাদের সঙ্গে বৈঠক করলেন মুখ্যমন্ত্রী মমতা বন্দ্যোপাধ্যায়। দার্জিলিংয়ের রিচমন্ড গেস্ট হাউসে আজ সন্ধেয় মুখ্যমন্ত্রীর সঙ্গে দেখা করেন মোর্চা নেতারা।

বর্ষপূর্তির আনন্দে উৎসবে উড়ছে টাকা

নতুন সরকারের দু বছর পূর্তি উপলক্ষে জেলায় জেলায় অনুষ্ঠানের খরচ নিয়ে ফের বিতর্কে তৃণমূল কংগ্রেস। প্রশ্ন উঠছে কোথা থেকে আসছে এত টাকা? প্রশ্নের মুখে উত্তর চব্বিশ পরগনা জেলা প্রশাসনও। রাজ্য সরকারের দুবছর পূর্তি উপলক্ষে রবিবার থেকে উত্তর চব্বিশ পরগনার বারাসতের রবীন্দ্রভবনে পনেরো দিন ব্যাপী উত্সবের আয়োজন করেছে তৃণমূল কংগ্রেস। অনুষ্ঠানের উদ্বোধন করেন মন্ত্রী উজ্জ্বল বিশ্বাস। প্রতিদিন সান্ধ্য অনুষ্ঠানের জন্য বাইরে থেকে আনা হচ্ছে শিল্পী। শিল্পীদের সাম্মানিক থেকে প্রচার সবেতেই খরচ হচ্ছে হাজার হাজার টাকা। কিন্তু কোথা থেকে আসছে এতবড় কর্মযজ্ঞের টাকা? সরকারের কোষাগার নাকি শূন্য? বিতর্ক দানা বেঁধেছে ইতিমধ্যেই।

কোষাগারের ভাঁড়ে মা ভবানী, সরকারের বর্ষপূর্তিতে জৌলুসের আধিক্য

সরকারের মাথায় কোটি টাকা ঋণের বোঝা। বিভিন্ন সময়ে এই নিয়ে সরব হয়েছেন মুখ্যমন্ত্রী মমতা বন্দ্যোপাধ্যায়। কিন্তু সেই আর্থিক সংকটের কোনও ছাপই পড়েনি সরকারের দ্বিতীয় বর্ষপূর্তি অনুষ্ঠানে। ঢালাও বিজ্ঞাপন, স্টল বা সাংস্কৃতিক অনুষ্ঠান বাবদ খরচ হচ্ছে কোটি কোটি টাকা। বর্ষপূর্তি অনুষ্ঠানের বিপুল খরচের যৌক্তিকতা নিয়েই দেখা দিয়েছে প্রশ্ন।     

চিটফান্ড ইস্যুতে যুযুধান শাসক-বিরোধী

চিটফান্ড ইস্যুতে মুখোমুখি শাসক ও বিরোধী দল। চ্যালেঞ্জ, পাল্টা চ্যালেঞ্জের জেরে রীতমতো সরগরম রাজ্য রাজনীতি। মুখ্যমন্ত্রীর হুমকি, বাড়াবাড়ি করলে চিটফান্ড কর্তাদের সঙ্গে বামেদের যোযাযোগ ফাঁস করে দেবেন তিনি। পারলে তাঁদের গ্রেফতার করুন মুখ্যমন্ত্রী, পাল্টা চ্যালেঞ্জ ছুঁড়ে দিলেন গৌতম দেব।

পানিহাটিতে ভাবমূর্তি উদ্ধারের চেষ্টায় মুখ্যমন্ত্রী

আসন্ন হাওড়া উপনির্বাচন থেকেই প্রচারের জন্য বাইরের কোনও সংস্থার কাছে থেকে টাকা নেবে না তৃণমূল কংগ্রেস। পানিহাটিতে প্রকাশ্যে জনসভায় এমনই ঘোষণা করলেন মুখ্যমন্ত্রী মমতা বন্দ্যোপাধ্যায়। সারদা কাণ্ডে তৃণমূল নেতা-মন্ত্রীদের নাম জড়িয়ে যাওয়ায় তৃণমূলনেত্রীকে তড়িঘড়ি এই ধরণের ঘোষণা করতে হল বলে মনে করছে রাজনৈতিক মহল। 

মুখ্যমন্ত্রীর কি মিথ্যা বলছেন? সরকারের হলফনামায় ইঙ্গিত সেই দিকেই

মুখ্যমন্ত্রী কি চিট ফান্ড কাণ্ডে কোনও সত্য আড়াল করতে চাইছেন? সন্দেহটা তৈরি হচ্ছে কারণ, মুখ্যমন্ত্রীর কথার সঙ্গে কোর্টে জমা দেওয়া তাঁর সরকারের হলফনামা মিলছে না। অন্যান্য নানা তথ্যও প্রমাণ করছে, পয়লা বৈশাখের অনেক আগেই সব জানত সরকার। কিন্তু মুখ্যমন্ত্রী বলেছেন, তিনি কিছুই জানতেন না।