বাম ও কংগ্রেস শিবিরকে উড়িয়ে দিলেন মন্ত্রী সুব্রত মুখোপাধ্যায়!

বাম ও কংগ্রেস শিবিরকে উড়িয়ে দিলেন মন্ত্রী সুব্রত মুখোপাধ্যায়!

রাজ্যে বাম-কংগ্রেস জোটের চেষ্টায় কোনও লাভ হবে না। ভোটের ফল বেরোলে রাজ্যে কোনও স্বীকৃত বিরোধী দলই থাকবে না। আজ এভাবেই বাম ও কংগ্রেস শিবিরকে উড়িয়ে দিলেন  মন্ত্রী সুব্রত মুখোপাধ্যায়। বিরোধী দলের নেতারা অবশ্য দাবি করছেন, জোট নিয়ে ভয় পেয়েছেন শাসক দলের নেতারা। তাই বার বার এধরনের আস্ফালন। তৃণমূলকে হারাতে কী কংগ্রেসের হাত  ধরবে সিপিএম?  ভোটের আগে এই জল্পনায় সরগরম রাজ্য রাজনীতি। বিরোধী শিবিরে  যখন জোট তত্‍পরতা তুঙ্গে, তখনই জোট নিয়ে বার বার কটাক্ষ শোনা গেছে শাসকদলের গলায়। দলের নেতামন্ত্রীরা তো বটেও, জোট নিয়ে তীব্র আক্রমণ শানিয়েছেন খোদ তৃণমূলনেত্রীও।

কেন্দ্রীয় মন্ত্রীর প্রশংসার পর মুখ লুকোনোর জায়গা পাচ্ছে না রাজ্য বিজেপি কেন্দ্রীয় মন্ত্রীর প্রশংসার পর মুখ লুকোনোর জায়গা পাচ্ছে না রাজ্য বিজেপি

বিশ্ববঙ্গ শিল্প সম্মেলনে রাজ্যের প্রশংসা চার কেন্দ্রীয় মন্ত্রীর। মুখ লুকোনোর জায়গা পাচ্ছে না রাজ্য বিজেপি। এহেন সখ্যের ব্যাখ্যা কী? উত্তর দিতে ঢোক গিলছেন নেতারা। বিশ্ববঙ্গের মঞ্চে চার কেন্দ্রীয় মন্ত্রীর উজ্জ্বল উপস্থিতি। ঢালাও সহযোগিতার আশ্বাস। অন্যদিকে, কয়েক মাস ধরে জেলায় জেলায় আইন অমান্য বিজেপি কর্মীদের মার খাওয়া। জেলে যাওয়া। পাশাপাশি দুটি ছবি কিছুতেই মিলছে না। মেলাতে পারছেন না রাজ্য বিজেপি নেতারা। বিজেপি নেতারা প্রকাশ্যে বিরোধিতার সাহসী মুখই তুলে ধরছেন। কিন্তু, অস্বস্তি তো এড়ানো যাচ্ছে না। কী হবে বিধানসভায় রণকৌশল। শুক্রবার রাজ্য কমিটির বৈঠকে এনিয়ে বক্তব্য রাখেন কেন্দ্রীয় অর্থমন্ত্রী অরুণ জেটলি। বিজেপি সূত্রে খবর, একবারও তৃণমূল বিরোধিতার কথা মুখে আনেননি কেন্দ্রীয় অর্থমন্ত্রী।

  রেল মন্ত্রীকে রাজ্যের প্রকল্পগুলি দ্রুত শেষ করার অনুরোধ মুখ্যমন্ত্রীর রেল মন্ত্রীকে রাজ্যের প্রকল্পগুলি দ্রুত শেষ করার অনুরোধ মুখ্যমন্ত্রীর

বিশ্ব বঙ্গ শিল্প সম্মেলনে রেল মন্ত্রীকে পাশে বসিয়ে রাজ্যের প্রকল্পগুলি দ্রুত শেষ করার অনুরোধ মুখ্যমন্ত্রীর। আড়াই বছরের মধ্যে শেষ হবে ইস্ট ওয়েস্ট মেট্রোর কাজ। আশ্বাস দিলেন রেল মন্ত্রী। মমতা বন্দ্যোপাধ্যায় রেল মন্ত্রী থাকাকালীন এক গুচ্ছ প্রল্প ঘোষণা করেছিলেন রাজ্যের জন্য। সে সব প্রকল্পের অনেকগুলি এখনও রূপায়িত হয়নি। আটকে রয়েছে মেট্রোর রেলে কাজও। প্রকল্পগুলি নিয়ে কী ভাবছে রেল। সকালেই রেল মন্ত্রীর কাছে সে প্রশ্ন তোলেন কাকলি ঘোষ দস্তিদার, অরূপ রায়রা। বিশ্ববঙ্গ সম্মেলনে রেল মন্ত্রীকে পাশে বসিয়ে  দ্রুত কাজ শেষ করার অনুরোধ করলেন মুখ্যমন্ত্রীও। আশ্বাস এসেছে রেলের পক্ষ থেকেও। রেল মন্ত্রী জানিয়েছেন আড়াই বছরের মধ্যে শেষ হবে ইস্ট ওয়েস্ট মেট্রোর কাজ। ইস্ট ওয়েস্ট সহ মেট্রো প্রকল্পগুলি রূপায়িত হয়ে গেল বদলে যাবে কলকাতা ও শহরতলীর ছবি।  আরও অনেক বেশি স্মার্ট হবে মহানগরী। যা আদতে বিনিয়োগের পথ সুগম করবে বলেই মত বিশেষজ্ঞদের।

পর্যটন মন্ত্রীর বক্তব্য আমির আউট, মন্ত্রক বিবৃতি দিচ্ছে আমির স্টিল অন! পর্যটন মন্ত্রীর বক্তব্য আমির আউট, মন্ত্রক বিবৃতি দিচ্ছে আমির স্টিল অন!

ফের বিতর্কে অভিনেতা আমির খান। তবে এবার আর অসহিষ্ণুতা ইস্যুতে নয়। এবার বিতর্ক, ভারত সরকারের ইনক্রেডিবল ইন্ডিয়ার প্রচারের ব্র্যান্ড অ্যাম্বাস্যাডর থাকা না থাকা নিয়ে। পর্যটন মন্ত্রী মহেশ শর্মার বক্তব্য, আমির আউট। অথচ তাঁরই মন্ত্রক বিবৃতি দিচ্ছে, আমির স্টিল অন।ইনক্রেডিবল ইন্ডিয়া। দেশের প্রায় সব টেলিভিশন চ্যানেলে রীতিমতো জনপ্রিয় হয়েছিল কেন্দ্রীয় পর্যটন মন্ত্রকের এই প্রচারমূলক বিজ্ঞাপন। যার ব্র্যান্ড অ্যাম্বাস্যাডর ছিলেন বলিউড তারকা আমির খান। UPA সরকারের আমলে তৈরি হয়েছিল এই বিজ্ঞাপন। NDA সরকারের আমলেও পর্যটনের ক্ষেত্রের ভারত সরকারের প্রচারের মুখ ছিলেন মিস্টার পার্ফেকশনিস্ট। তবে এবার বোধহয় মুখ বদলের পালা। কারণ যে অ্যাড এজেন্সি ইনক্রেডিবল ইন্ডিয়ার বিজ্ঞাপনটি তৈরি করেছিল, তার সঙ্গে কেন্দ্রের চুক্তি শেষ। এমনটাই জানিয়েছেন পর্যটনমন্ত্রী মহেশ শর্মা। ফলে ইনক্রেডিবল ইন্ডিয়ার পরবর্তী অধ্যায়ে যে আমির খানকে ফের দেখা যাবে, এমনটা আর বলা যাচ্ছে না। এব্যাপারে মন্ত্রীর বক্তব্য: ইনক্রেডিবল ইন্ডিয়ার ম্যাসকট হিসেবে আমির খানের মেয়াদ শেষ। কারণ চুক্তি শেষ। আমাদের সঙ্গে ম্যাক ক্যান ওয়ার্ল্ড ওয়াইড সংস্থার চুক্তি ছিল অতিথি দেব ভব-র বিজ্ঞাপন তৈরি করার। সেই সংস্থাই আমির খানকে নিয়োগ করেছিল। মন্ত্রক নয়। যেহেতু সেই সংস্থার সঙ্গে চুক্তির মেয়াদ শেষ, স্বাভাবিকভাবেই অভিনেতাও আর চুক্তিবদ্ধ থাকছেন না।

মন্ত্রিসভা সম্প্রসারণেও পাল্টা চাপের খেলা মমতার

অনাস্থা প্রস্তাব নিয়ে কেন্দ্রে কংগ্রেসের সঙ্গে তৃণমূলের সঙ্ঘাত তুঙ্গে। এই পরিস্থিতিতে কংগ্রেসকে পাল্টা চাপে রাখতে রাজ্যের দুই দলত্যাগী কংগ্রেস নেতাকে মন্ত্রিসভায় নিচ্ছেন মমতা বন্দ্যোপাধ্যায়। মন্ত্রিসভায় ঠাঁই পাচ্ছেন কৃষ্ণেন্দু নারায়ণ চৌধুরী ও হুমায়ুন কবীর। পূর্ণমন্ত্রীই করা হচ্ছে কৃষ্ণেন্দু নারায়ণ চৌধুরীকে। কাল শপথ নেবেন মোট ন`জন মন্ত্রী। স্বাস্থ্য দফতরের স্বাধীন দায়িত্বপ্রাপ্ত মন্ত্রী হচ্ছেন হচ্ছেন চন্দ্রিমা ভট্টাচার্য। এছাড়াও পূর্ণমন্ত্রীর দায়িত্ব পাচ্ছেন মদন মিত্র, অরূপ বিশ্বাস, সুব্রত সাহা। দেড়বছরের মাথায় মন্ত্রিসভার সম্প্রসারণ করছেন মুখ্যমন্ত্রী। বুধবার শপথ নেবেন নতুন মন্ত্রীরা।  

পার্থর সাফাইয়ের পরও বাসভাড়া বিভ্রান্তি জট কাটল না

রাজ্যের মন্ত্রিগোষ্ঠীর বৈঠকের পরও নতুন বাসভাড়া নিয়ে বিভ্রান্তির জট কাটল না। বৈঠক শেষে শিল্পমন্ত্রী জানিয়েছেন, প্রতি স্টেজে এক টাকা করেই ভাড়া বাড়বে। কিন্ত নতুন স্টেজ বিন্যাসের ফলে ভাড়াবৃদ্ধিতে যে অসামঞ্জস্য তৈরি হয়েছে, তা কী করে কাটবে সেব্যাপারে স্পষ্ট ব্যাখ্যা মেলেনি মন্ত্রীর কথায়। যদিও বাস মালিকরা জানিয়ে দিয়েছেন, নতুন করে স্টেজের পূনর্বিন্যাস হলে তা তাঁরা মানবেন না। সরকার ঘোষিত বর্ধিত বাসভাড়া চালু হওয়ার পর থেকেই চলছে বিভ্রান্তি। সরকার প্রতি স্টেজে একটাকা ভাড়াবৃদ্ধির কথা ঘোষণা করলেও বাস্তবে অনেকটাই বেশি ভাড়া দিতে হচ্ছে ।