বছর ঘুরেও ক্ষতিপূরণ সেই তিমিরেই

কেটে গেছে গোটা একটা বছর। একবছর আগের এই দিনটাতেই বিষাক্ত মদ কেড়ে নিয়েছিল ১৭৩ জনের প্রাণ। দক্ষিণ ২৪ পরগনার সংগ্রামপুর, মগরাহাট, মন্দিরবাজার এলাকাগুলি গ্রাস করেছিল স্বজনহারানোর বেদনা। গ্রেফতার হয়েছে বিষ মদ তৈরির পাণ্ডা খোঁড়া বাদশা সহ বেশ কয়েকজন।

বিষমদ কাণ্ডে ক্ষতিপূরণে স্থগিতাদেশ বাড়ল

সংগ্রামপুর বিষমদ কাণ্ডে হাইকোর্টের নির্দেশে, ক্ষতিপূরণে স্থগিতাদেশের মেয়াদ আরও ৬ সপ্তাহ বাড়ল। গত ৬ ফেব্রুয়ারি রাজ্য সরকারের ঘোষিত ক্ষতিপূরণের ওপর স্থগিতাদেশ জারি করে আদালত। বিষমদ কাণ্ডে সরকার ক্ষতিপূরণ ঘোষণা করার পর হাইকোর্টে দুটি জনস্বার্থ মামলা দায়ের করা হয়। একটি মামলায় ক্ষতিপূরণের যৌক্তিকতা নিয়ে প্রশ্ন তোলা হয়।

সাক্ষীদের ভয় দেখানোর অভিযোগ উঠল সংগ্রামপুর বিষমদ কাণ্ডে

সংগ্রামপুর বিষমদ কাণ্ডে মূল অভিযুক্ত খোঁড়া বাদশাকে আড়াল করতে, সাক্ষীদের ভয় দেখানো হচ্ছে। এই মর্মে ইতিমধ্যেই মগরাহাট থানায় লিখিত অভিযোগ দায়ের করা হয়েছে।

মগরাহাট কাণ্ডের জেরে মৃত্যু পুলিকর্মীর

মগরাহাট কাণ্ডের জেরে মৃত্যু হল এক পুলিস কর্মীর। মৃত পুলিসকর্মীর নাম আইনুল হক হালদার। পয়লা ডিসেম্বর মগরাহাটে জনতা পুলিস সংঘর্ষে আহত হয়েছিলেন আইনুল হক।

বিষমদ কাণ্ডে পুলিসি রদবদল

সংগ্রামপুর বিষমদ কাণ্ডে পুলিসে ব্যাপক রদবদল করা হল। এই কাণ্ডের আজই সরিয়ে দেওয়া হয়েছে উস্তি থানার ওসি দেবব্রত সেনকে। আপাতত মগরাহাটের সার্কেল ইনস্পেক্টর সোমদেব বন্দ্যোপাধ্যায়কে ওই থানার দায়িত্ব নিতে বলা হয়েছে।

বিষমদে মৃত্যু মিছিল বেড়ে ১৭০

দক্ষিণ চব্বিশ পরগনার সংগ্রামপুরে বিষমদ কাণ্ডের মৃতের সংখ্যা বেড়ে হয়েছে ১৭০। সরকারি সূত্রে মৃতের সংখ্যা অবশ্য ১৬৬। গুরুতর অসুস্থ হয়ে হাসপাতালে ভর্তি শতাধিক মানুষ। ফলে মৃত্যু মিছিলের এই স্রোত বাড়তে পারে বলে আশঙ্কা রয়েছে পুরোমাত্রায়। 

বিষমদকাণ্ডের প্রতিবাদে বিক্ষোভ দেখাল এসইউসিআই

সংগ্রামপুরের বিষমদকাণ্ডের প্রতিবাদে মগরাহাট থানার সামনে বিক্ষোভ দেখাল স্থানীয় এসইউসিআইয়ের বিভিন্ন গণসংগঠন। চোলাই মদের কারবারে প্রশাসনের প্রত্যক্ষ বা পরোক্ষ মদতের প্রতিবাদে মিছিল করে এসইউসিআইয়ের সংগঠনগুলি।