শিয়রে শমন, মদন তামাং হত্যাকাণ্ডে চার্জশিটে গুরুং থেকে গিরি, এখনই পাহাড় অচল করছে না মোর্চা   শিয়রে শমন, মদন তামাং হত্যাকাণ্ডে চার্জশিটে গুরুং থেকে গিরি, এখনই পাহাড় অচল করছে না মোর্চা

প্রায় পাঁচ বছর পর গোর্খা লিগ নেতা মদন তামাং হত্যা মামলায় চার্জশিট জমা দিল সিবিআই। নগর দায়রা আদালতে বিমল গুরুং, রোশন গিরি, হরকা বাহাদুর ছেত্রীসহ মোর্চার শীর্ষ নেতাদের বিরুদ্ধে চার্জশিট জমা দেয় সিবিআইয়ের স্পেশাল ক্রাই ম ব্রাঞ্চ। নাম রয়েছে বিমল গুরুংয়ের স্ত্রী আশা গুরুংয়েরও। ২০১০, ২১ মে প্রকাশ্য দিবালোকে চকবাজারের জনবহুল রাস্তায় কুপিয়ে খুন করা হয় মদন তামাংকে। সিআইডি তদন্ত শুরু করলেও সেই তদন্তে আস্থা রাখতে পারেননি মদন তামাংয়ের স্ত্রী ভারতী তামাং। আদালতের নির্দেশে সিবিআই তদন্ত শুরু হয়। তবে প্রধান অভিযুক্তদের কাউকেই গ্রেফতার করতে পারেনি কেন্দ্রীয় গোয়েন্দা সংস্থা। চার্জশিটে সিবিআই জানিয়েছে, সিআইডি হেফাজত থেকে পালানো অন্যতম অভিযুক্ত নিকল তামাং এখন নেপালে গা ঢাকা দিয়ে রয়েছে। চার্জশিটে মোর্চা নেতাদের বিরুদ্ধে খুন, ষড়যন্ত্র ও দাঙ্গা বাধানোর অভিযোগ আনা হয়েছে।

উন্নয়ন নিয়ে রাজনীতি বরদাস্ত করা হবে না, দার্জিলিঙে কড়া বার্তা মুখ্যমন্ত্রীর উন্নয়ন নিয়ে রাজনীতি বরদাস্ত করা হবে না, দার্জিলিঙে কড়া বার্তা মুখ্যমন্ত্রীর

জিটিএর পাশাপাশি পাহাড়ে উন্নয়নের কাজ করবে রাজ্য সরকারও। আজ দার্জিলিঙে  ম্যালের সভায় মোর্চাকে কড়া বার্তা দিলেন মুখ্যমন্ত্রী। একইসঙ্গে তাঁর বার্তা, উন্নয়ন নিয়ে রাজনীতি বরদাস্ত করা হবে না। এদিন মুখ্যমন্ত্রীর সভায় হাজির ছিলেন না মোর্চার কোনও নেতা। পাহাড়ের  উন্নয়ন নিয়ে আগামিকালই এক বৈঠক ডেকেছেন মুখ্যমন্ত্রী। সেই সভায় ডাকা হয়েছে জিটিএকেও।লোকসভা ভোটে দলীয় প্রর্থীর পরাজয়ের পরেও পাহাড়ে মোর্চাকে জমি ছাড়তে নারাজ মুখ্যমন্ত্রী। এদিন ম্যালের সভায় সেই বার্তাই দিলেন তিনি।  তাঁর ঘোষণা, শুধু জিটিএ নয়, পাহাড়ে উন্নয়নের কাজ করবে রাজ্য সরকারও।  

কালচিনির মোর্চা সমর্থিত বিধায়ক যোগ দিলেন তৃণমূলে

বিধায়ক উইলসন চম্পামারিকে দলে টেনে মোর্চার ঘর ভাঙতে শুরু করল তৃণমূল কংগ্রেস। মুখ্যমন্ত্রীর সঙ্গে কথা বলে কালচিনি কেন্দ্রের বিধায়ক যোগ দিয়েছেন তৃণমূলে। মোর্চার সমর্থনে নির্দল প্রার্থী হিসেবে জয়ী হয়েছিলেন তিনি। তৃণমূল সূত্রে খবর, তাকে মন্ত্রীও করতে পারেন মমতা বন্দ্যোপাধ্যায়। কোনও দলের সঙ্গে সংঘাত তৈরি হলে সেই দল ভাঙানোর ব্যাপারে উদ্যোগী হতে দেখা যায় তৃণমূল নেতৃত্বকে। কংগ্রেসের ক্ষেত্রে বহুবার এমন ঘটনা ঘটেছে। এবার ঘটল মোর্চার ক্ষেত্রে। কালচিনির বিধায়ক উইলসন চম্পামারিকে দলে টেনে মোর্চার ঘরে ফাটল ধরানো শুরু করল তৃণমূল নেতৃত্ব।

''মুখ্যমন্ত্রী বিভাজনের রাজনীতি করছেন''

ক্রমেই তীব্র আকার নিচ্ছে মুখ্যমন্ত্রী-মোর্চা বিবাদ। একদিকে শিলিগুড়িতে মুখ্যমন্ত্রী মমতা বন্দোপাধ্যায় জানালেন জিটিএ `চুক্তি` অনুযায়ী তাঁরা লেপচা উন্নয়ন পর্ষদ তৈরি করবেন। অন্যদিকে তাঁর এই দাবি নস্যাৎ করে মোর্চার তরফ থেকে জানানো হয়েছে জিটিএ চুক্তিতে এই রকম কোনও কিছুরই উল্লেখ নেই। মোর্চা নেতা রোশন গিরি সরাসরি জানালেন বিভাজনের রাজনীতি করছেন মুখ্যমন্ত্রী। অপর মোর্চা নেতা বিনয় তামাং আরও আক্রমণত্মক ভঙ্গিতে জানিয়েছেন পাহাড়ে ধর্মীয় বিভাজনের চেষ্টা হচ্ছে। এতে গোর্খাল্যান্ডের সম্প্রীতি নষ্ট হবে। গোর্খাল্যান্ডের দাবিতে তাঁদের আন্দোলন যে তীব্রতর হবে তা স্পষ্ট করে দিয়েছেন মোর্চা নেতৃত্ব।