মুন্নাভাইয়ের পাশে বলিউড, উঠছে প্রশ্ন

শেষ পর্যন্ত জেলেই গেলেন সঞ্জয় দত্ত। বৃহস্পতিবার দুপুরে দক্ষিণ মুম্বইয়ের বিশেষ টাডা আদালতে আত্মসমর্পণ করেন তিনি। ছয় ঘণ্টা আদালতে জেরা করার পর রাতে নিয়ে যাওয়া হয় আর্থার রোড জেলে। গোটা দিনই তাঁর পাশে ছিলেন বলিউডের অভিনেতা-অভিনেত্রী থেকে পরিচালক-প্রযোজকরা। আর এখানেই প্রশ্ন উঠছে, অস্ত্র আইনে দোষী সাব্যস্ত এক অপরাধীর পাশে কেন দাঁড়াল গোটা বলিউড?

মুন্নাকে চেয়ারচ্যুত করে চেয়ারম্যান রঞ্জিত শীল

কলকাতা পুরসভার ১৫ নম্বর বরোর নয়া চেয়ারম্যান নির্বাচিত হলেন রঞ্জিত শীল। আজকের নির্বাচনে তিনি ৬-১ ভোটের ব্যাবধানে জয় লাভ করেন। গার্ডেনরিচকাণ্ডে অন্যতম অভিযুক্ত মহম্মদ ইকবাল ওরফে মুন্না এই বরোর চেয়ারম্যান ছিলেন। আদালতের নির্দেশে এখন তিনি জেলে। মুন্নার অনুপস্থিতিতে বরোর কাজকর্ম ব্যাহত হওয়ায় ক্ষোভ তৈরি হচ্ছিল সাধারণ মানুষের মধ্যে।  

মুন্নাকে গ্রেফতার কি মুখরক্ষার স্বার্থেই?

মহম্মদ ইকবাল ওরফে মুন্নাকে গ্রেফতার করল সিআইডি। কিন্তু ঘটনা পরম্পরা বলছে, শাসকদলের তরফে মুন্নাকে বারবারই আড়াল করার চেষ্টা হয়েছে। তাহলে শেষপর্যন্ত কেন তাকে গ্রেফতার করা হল? আরাবুল ইসলামের মতো এক্ষেত্রেও কি রাজ্যপালের বক্তব্য এবং সমালোচনার ঝড়ে মুখরক্ষার চেষ্টা? আরাবুল ইসলামের পর মহম্মদ ইকবাল ওরফে মুন্না। গত ১২ ফেব্রুয়ারি পুলিস খুনের দিন মুন্নার ভূমিকা স্পষ্ট হয়েছিল ছবিতে।  

অবশেষে বিহার থেকে গ্রেফতার মুন্না

অবশেষে গ্রেফতার হলেন গার্ডেনরিচকাণ্ডের অন্যতম অভিযুক্ত মহম্মদ ইকবাল ওরফে মুন্না। বিহারের রোহতাস জেলার ডেহরি অন শোন থেকে তাঁকে গ্রেফতার করেছে বিহার পুলিস। একটি পিসিও থেকে ফোন করার সময় তাঁকে গ্রেফতার করা হয় বলে জানা গেছে সিআইডি সূত্রে। সিআইডি-র দেওয়া তথ্যের ভিত্তিতেই মুন্নাকে গ্রেফতার করা হয়। বিহারের স্থানীয় আদালতে পেশ করার পর  ট্রানজিট রিমান্ডে মহম্মদ ইকবাল ওরফে মুন্নাকে কলকাতায় আনা হবে। কবে বা কখন তাঁকে গ্রেফতার করা হয়েছে তা নিয়ে কোনও স্পষ্ট তথ্য মেলেনি।

গার্ডেনরিচ কাণ্ডের সিবিআই তদন্ত চাইলেন বিরোধী দলনেতা

গার্ডেনরিচ কাণ্ডের সিবিআই তদন্ত চাইলেন বিরোধী দলনেতা সূর্যকান্ত মিশ্র। তাঁর মতে, মুখ্যমন্ত্রী ও এক মন্ত্রী জড়িত থাকায় সিআিডি-র পক্ষে নিরপেক্ষ ভাবে তদন্ত করা সম্ভব নয়। আজই গুড়িয়া কাণ্ডের তদন্তভার সিআইডি-র হাত থেকে সিবিআই-কে দেওয়ার নির্দেশ দিয়েছে কলকাতা হাইকোর্ট।

পুরমন্ত্রীর বদান্যতায় গার্ডেনরিচে রমরমা গুণ্ডারাজ

গার্ডেনরিচে পুলিস খুনের ঘটনায় উঠে আসছে একের পর এক তৃণমূল নেতার নাম। তাঁরা প্রত্যেকেই পুরমন্ত্রী ফিরহাদ হাকিমের ঘনিষ্ঠ ও স্নেহধন্য বলেই অভিযোগ। মুন্না, সানু,অনিল, টাব্বু সহ এলাকার ত্রাস সবার মাথাতেই যে ববি হাকিমের স্নেহের হাত হয়েছে এখন প্রকাশিত সেই খবরও। ফলে দলের তরফ থেকে বিষয়টিকে আর কোনও ভাবেই চেপে রাখা যাচ্ছে না।

সহকর্মীদের মনোবল ফেরাতে মাঠে নামলেন নগরপাল

কলকাতা পুলিসের দায়িত্ব নিয়েই বাহিনীর ক্ষোভ প্রশমন ও মনোবল ফেরাতে উদ্যোগী হলেন সুরজিত কর পুরকায়স্থ। আজ আলিপুর বডিগার্ড লাইন ও গার্ডেনরিচ থানায় গিয়ে কর্মীদের সঙ্গে কথা বলেন তিনি। অন্যদিকে, গার্ডেনরিচ কাণ্ডে এখনও পর্যন্ত গ্রেফতার সমস্ত অভিযুক্তকেই নিজের হেফাজতে নিয়েছে সিআইডি। যদিও এখনও অধরা অন্যতম প্রধান অভিযুক্ত মহম্মদ ইকবাল ওরফে মুন্না।

এডিজি বদলির প্রশ্নে সুর নরম রাজ্যের

এডিজি আইনশৃঙ্খলাকে বদলির প্রশ্নে সুর নরম করল রাজ্য সরকার। আজ মুখ্যসচিব জানিয়েছেন, এ বিষয়ে নির্বাচন কমিশনের সিদ্ধান্ত মাথা পেতে নেবেন তাঁরা। রাজ্যের তিনটি বিধানসভা কেন্দ্রের উপনির্বাচনের ঠিক আগে এডিজি আইনশৃঙ্খলাকে নগরপালের পদে বদলি করে রাজ্য সরকার। বিধি মেনে এবিষয়ে নির্বাচন কমিশনের অনুমতি নেওয়া হয়নি। ফলে কমিশনের কাছে বিধিভঙ্গের অভিযোগ আনে বামেরা। একই দাবি জানিয়ে নয়াদিল্লিতে কমিশনের দ্বারস্থ হয় কংগ্রেসও। কমিশনের সদর দফতরে চিঠি দিচ্চেন এআইসিসি-র সাধারণ সম্পাদক শাকিল আহমেদ।

আত্মসমর্পণের প্রস্তাব ফিরিয়ে এখনও আড়ালে মুন্নাভাই

মহম্মদ ইকবালকে ঘনিষ্ঠদের মারফত আত্মসম্পর্পনের প্রস্তাব। তাঁদের মাধ্যমেই আবার এই প্রস্তাব খারিজ করে দেন ১৫ নম্বর বরোর চেয়ারম্যান মুন্নাভাই। কারণ আত্মসমর্পণের ক্ষেত্রে দলের তরফে সবুজ সঙ্কেত নেই। পুলিস সূত্রে আজ এই খবর পাওয়া গিয়েছে।