মুর্শিদাবাদকে কেন্দ্র করে রাজ্যে বাড়ছে জঙ্গি যোগাযোগ, বলছে গোয়েন্দা তথ্য, জারি হাই অ্যালার্ট মুর্শিদাবাদকে কেন্দ্র করে রাজ্যে বাড়ছে জঙ্গি যোগাযোগ, বলছে গোয়েন্দা তথ্য, জারি হাই অ্যালার্ট

মুর্শিদাবাদকে মূল পয়েন্ট করে রাজ্যের বিভিন্ন জায়গায় যাতায়াত করছে জঙ্গিরা। তদন্তে এমনই তথ্য উঠে এসেছে গোয়েন্দাদের হাতে। তাই নাশকতা রুখতে জাতীয় সড়কে চলছে কড়া নজরদারি। ফরাক্কা থেকে রেজিনগর পর্যন্ত চৌত্রিশ নম্বর জাতীয় সড়ক জুড়ে তল্লাশি চালানো হচ্ছে। সন্ধে সাতটার পর অনেক জায়গায় নাকাবন্দি। মুর্শিদাবাদের ঝাড়খণ্ড সীমানা ও বাংলাদেশ সীমান্তবর্তী এলাকায় বিশেষ নজরদারির ব্যবস্থা করা হয়েছে। কড়া নিরাপত্তা রেল স্টেশনে। পনেরোই অগাস্টের আগে রাজ্যে নাশকতা চালাতে পারে সন্ত্রাসবাদীরা। এই মর্মে আগেই হাইঅ্যালার্ট পাঠিয়েছে কেন্দ্র। তারপরই রঘুনাথগঞ্জ থেকে প্রচুর বিস্ফোরক উদ্ধার হয়। তাই জেলা জুড়ে বাড়ানো হয়েছে নিরাপত্তা। 

কুপ্রস্তাবে সাড়া না পাওয়ায় মহিলার জিভ কেটে নিল দুষ্কৃতীরা কুপ্রস্তাবে সাড়া না পাওয়ায় মহিলার জিভ কেটে নিল দুষ্কৃতীরা

দুষ্কৃতী তাণ্ডব চলছেই। কুপ্রস্তাবে সাড়া না দেওয়ায় এক মহিলার জিভ কেটে নিল দুষ্কৃতীরা। মুর্শিদাবাদের জলঙ্গির হুকাহারার ঘটনা। গতকাল বিকেলে মাঠে গরু চড়াচ্ছিলেন ওই মহিলা। অভিযোগ সে সময় দুষ্কৃতীরা পিছন থেকে ধারাল অস্ত্র নিয়ে তাঁকে আঘাত করে। তারপর দুষ্কৃতীরা ওই মহিলার জিভ কেটে নেয়। অচৈতন্য অবস্থায় মাঠ থেকে উদ্ধার করে মুর্শিদাবাদ মেডিক্যাল কলেজ হাসপাতালে ভর্তি করা হয় তাঁকে। সেখানে তাঁর চিকিৎসা চলছে। ঠিক কী কারণে এই হামলা তা এখনও স্পষ্ট নয়। ঘটনার তদন্ত শুরু করেছে জলঙ্গি থানার পুলিস। এখনও কেউ গ্রেফতার হয়নি।

মুর্শিদাবাদে দিদির কাছে ব্রাত্য জেলা সভাপতি মান্নান হোসেন, বৈঠকে জায়গা পেলেন শুধু ২ বিধায়ক  মুর্শিদাবাদে দিদির কাছে ব্রাত্য জেলা সভাপতি মান্নান হোসেন, বৈঠকে জায়গা পেলেন শুধু ২ বিধায়ক

দীর্ঘক্ষণ দাঁড়িয়ে রইলেন জেলা সভাপতি। কিন্তু দেখা হল না মুখ্যমন্ত্রীর সঙ্গে। আর তা নিয়েই জল্পনা দানা বাঁধছে। মঙ্গলবার রাত সাড়ে ৮টা নাগাদ বহরমপুর সার্কিট হাউসে পৌছন মুখ্যমন্ত্রী। ভেতের ঢোকার অনুমতি পান শুধুমাত্র দলের দুই বিধায়ক তাজ মহম্মদ ও হিমানি বিশ্বাস। তবে আধঘণ্টা অপেক্ষা করে ফিরে যান জেলা সভাপতি মান্নান হোসেন। আর তা নিয়েই নতুন করে জল্পনা তৈরি হয়েছে। যদিও যুব তৃণমূলের সাধারণ সম্পাদক তথা মান্নান হোসেনের ছেলে সৌমিক হোসেন সার্কিট হাউসের ভিতরে ছিলেন। রাজনৈতিক মহলের প্রশ্ন, হঠাত্‍ কী হল মুখ্যমন্ত্রী ও দলের জেলা সভাপতির মধ্যে? এই শৈত্য কেন? কংগ্রেস ছেড়ে তৃণমূল এসে যথেষ্টই গুরুত্ব পেয়েছিলেন মান্নান হোসেন। কংগ্রেসের দুর্গ মুর্শিদাবাদে মান্নানকে দলের জেলা সভাপতি পর্যন্ত করে দেন মমতা বন্দ্যোপাধ্যায়। তাহলে এদিনের এই সম্পর্কের শীতলতা কেন?