'মঙ্গল'-এ চাকরি আছে, করবেন নাকি?

'মঙ্গল'-এ চাকরি আছে, করবেন নাকি?

নিজের চাকরিতে বোর হয়ে গেছেন? ভাবছেন এই চাকরিটা ছাড়তে পারলেই ভালো হয়? তাহলে এবার আপনার জন্য রইল সুবর্ণ সুযোগ। তবে, এ চাকরি আপনার শহরে নেই। ভারতেও নেই। নেই গোটা বিশ্বের কোথাও!

মহাকাশে এবার বাসযোগ্য ঘর বানাচ্ছে নাসা! মহাকাশে এবার বাসযোগ্য ঘর বানাচ্ছে নাসা!

শোনা যাচ্ছে পৃথিবীতে নাকি থাকার জায়গা কম পড়তে চলেছে। যে ভাবে ক্রমাগত জনসংখ্যা বৃদ্ধি হয়ে চলেছে তাতে এই পরিস্থিতি আগামী কয়েক বছরের মধ্যেই হতে চলেছে। আর তাই মহাকাশ গবষণাকেন্দ্র নাসা এবার মহাকাশের বুকেই ঘর বানাচ্ছে। ইতিমধ্যই এই অভিনব পরিকল্পনা বাস্তবায়নের পথেই হাঁটছে এই গবেষণা কেন্দ্রটি। প্রাথমিক পরীক্ষায় ইতিমধ্যেই তারা সফলও হয়েছে।

আমেরিকার রাতের আকাশের অদ্ভূত ওই আলোটা কিসের! (ভিডিও) আমেরিকার রাতের আকাশের অদ্ভূত ওই আলোটা কিসের! (ভিডিও)

প্রকৃতি মাঝেমাঝেই তার নানা রূপ দেখাচ্ছে। মনে আছে, কিছুদিন আগেই দেশের আকাশে দুটো সূর্য দেখা গিয়েছিল? এবার সেরকমই অদ্ভূত আলো দেখা গেল আমেরিকার আকাশে!

বিশ্ব ব্রহ্মান্ডে আছে আরও ৯টা 'পৃথিবী'! বিশ্ব ব্রহ্মান্ডে আছে আরও ৯টা 'পৃথিবী'!

গোটা সৌরজগতে এমন একটি গ্রহের কথাই আমরা জানি যেখানে প্রাণ রয়েছে। পৃথিবী। বাকি ৯টা গ্রহে প্রাণ আছে কি নেই, সেখানে বাস করা সম্ভব কিনা এসব এখনও প্রমাণ সাপেক্ষ। মহাকাশচারীরা তা নিয়ে চালিয়ে যাচ্ছেন গবেষণা। কিন্তু সৌরজগতের বাইরে কি এমন কোনও গ্রহ আছে যেখানে বাস করা সম্ভব? নাসা বলছে আছে। একটা নয়, ৯টা। গোটা বিশ্ব ব্রহ্মান্ডে আছে আরও ৯টা 'পৃথিবী'।

পৃথিবীর যে অফিসে ইন্টারনেট স্পিড সবচেয়ে বেশি পৃথিবীর যে অফিসে ইন্টারনেট স্পিড সবচেয়ে বেশি

আচ্ছা আপনার অফিস নিয়ে কী কী অভিযোগ আছে? জানি প্রথমে বলবেন মাইনে, তারপর বলবেন বস, সহকর্মীদের ব্যবহার। আর একটু মাথা চুলকে বলবেন অফিসের কম্পিউটারে ইন্টারনেট স্পিড। ইন্টারনেট স্পিডের ব্যাপারটায় হয়তো সবাই কম বেশি একমত হবে। এমনতি যে কোনও উন্নত দেশের তুলনায় আমাদের দেশের ইন্টারনেট স্পিড বেশ কম। এই যেমন আমেরিকার ইন্টারনেট স্পিড গড়ে ১২.৬ এমবি/প্রতি সেকেন্ড। সেখানে ভারতের গড়ে ২.৫ এমবি/প্রতি সেকেন্ড। দক্ষিণ কোরিয়ায় গড় ইন্টারনেট গতি বিশ্বের মধ্যে সবচেয়ে বেশি। সেখানে ইন্টারনেট স্পিড প্রতি সেকেন্ডে ১৭ হাজার ১৮৭ কিলোবাইট।

৫ ডিগ্রি হেলে গেছে চাঁদের অক্ষরেখা ৫ ডিগ্রি হেলে গেছে চাঁদের অক্ষরেখা

চাঁদের মধ্যের 'ম্যান ইন দ্য মুন' নাকি চিরকাল একই রকম দেখতে ছিল না। এখন যে জায়গায় রয়েছে 'ম্যান ইন দ্য মুন'-এর নাক, তা নাকি আসল জায়গা থেকে একটু সরে গিয়েছে।

পিঙ্ক ফ্লয়েডের গান কি তবে চাঁদে তৈরি? পিঙ্ক ফ্লয়েডের গান কি তবে চাঁদে তৈরি?

  দ্যা ডার্ক সাইড অব দ্যা মুন। ১৯৭৩তে রিলিজ হয়েছিল পিঙ্ক ফ্লয়েডের এই অ্যালবাম। লন্ডনে বসে গান বানালেও পিঙ্ক ফ্লয়েডের এই অ্যালবামের অনুপ্রেরণা কি কোনওভাবে চাঁদ? সত্যিই কি এই অ্যালবাম বানানোর আগে নিক ম্যাসন, রজার ওয়াটারসরা চাঁদের অন্ধকার থেকে শুনতে পেয়েছিলেন কোনও 'টিউন'? না, 'দ্যা ডার্ক সাইড অব দ্যা মুন' এর-সঙ্গে বাস্তবে চাঁদের কোনও সম্পর্ক নেই। কিন্তু একথা সত্যি যে চাঁদের অন্ধকার থেকে শোনা গিয়েছিল সঙ্গীতের মধুর ধবনি।

 ধোঁয়া উঠল মুম্বইতে, দেখা গেল মহাকাশ থেকে! ধোঁয়া উঠল মুম্বইতে, দেখা গেল মহাকাশ থেকে!

ধোঁয়া উঠল মুম্বইতে। দেখা গেল আকাশ থেকে! হ্যাঁ, চমকে ওঠার মতোই ব্যাপার। মুম্বইয়ের বস্তিতে অবশ্য যে সে বস্তি তো নয়, দেশের প্রাচীনতম এবং সবথেকে বড় বস্তি বলে কথা। সেখানকার আবর্জনার স্তুপে আগুন জ্বালানো হয়েছিল। সেই আগুনের ধোঁয়া। আর তা এতটাই উপরে উঠল যে, মহাকাশ থেকে দেখতে পেল নাসাও!

 ধোঁয়া উঠল মুম্বইতে, দেখা গেল মহাকাশ থেকে! ধোঁয়া উঠল মুম্বইতে, দেখা গেল মহাকাশ থেকে!

ধোঁয়া উঠল মুম্বইতে। দেখা গেল আকাশ থেকে! হ্যাঁ, চমকে ওঠার মতোই ব্যাপার। মুম্বইয়ের বস্তিতে অবশ্য যে সে বস্তি তো নয়, দেশের প্রাচীনতম এবং সবথেকে বড় বস্তি বলে কথা। সেখানকার আবর্জনার স্তুপে আগুন জ্বালানো হয়েছিল। সেই আগুনের ধোঁয়া। আর তা এতটাই উপরে উঠল যে, মহাকাশ থেকে দেখতে পেল নাসাও!

  এবার মহাকাশে জিনিয়া ফুল ফোটালেন মার্কিন নভশ্চর স্কট কেলি! এবার মহাকাশে জিনিয়া ফুল ফোটালেন মার্কিন নভশ্চর স্কট কেলি!

এবার মহাকাশে জিনিয়া ফুল ফোটালেন মার্কিন নভশ্চর স্কট কেলি! আন্তর্জাতিক মহাকাশ গবেষণা কেন্দ্র (ইন্টারন্যাশনাল স্পেস স্টেশন, সংক্ষেপে আইএসএস)-এ উদ্ভিদের প্রাণের স্পন্দন অবশ্য নতুন নয়। মানুষের বাসযোগ্য কৃত্রিম উপগ্রহটির ভেজ-ল্যাবে আগেও লেটুস জাতীয় সব্জি ফলানো হয়েছে। কিন্তু এই প্রথম ফুল ফুটল মহাকাশের ঘরে! স্বাভাবিকভাবেই গবেষণাগারে নতুন সদস্য আসার খবরে উচ্ছ্বসিত নাসা। ম্যানেজার ট্রেন্ট স্মিথের কথায়, 'লেটুসের সঙ্গে জিনিয়ার কোনও তুলনাই হয় না।' কেন? জিনিয়ার মতো সেটাও রীতিমতো কসরত করে ফলাতে হয়েছে আইএসএস-এর কৃত্রিম আবহাওয়ায়। তাঁর মতে, 'পরিবেশ বা সূর্যালোক, জিনিয়ার জন্য দু’টোই খুব গুরুত্বপূর্ণ। আর দু’টোর কোনওটাই আইএসএস-এ নেই। তা ছাড়া জিনিয়ার জন্ম, বড় হওয়াতে সময় লাগে ৬০ থেকে ৮০ দিন। লেটুসের থেকে বেশি। ফলে লড়াইটাও দীর্ঘ।' এই কঠিন কাজটা করতে গিয়ে বেশ চাপের মুখেই পড়তে হয়েছিল গবেষকদের।

চেন্নাইয়ের বৃষ্টি দেখে নাসাও অবাক, রেকর্ড ভাঙল তাদেরও! চেন্নাইয়ের বৃষ্টি দেখে নাসাও অবাক, রেকর্ড ভাঙল তাদেরও!

ডিসেম্বরের প্রথম দিন সকাল সাড়ে সাতটা থেকে পরের ২৪ ঘণ্টায় তামিলনাড়ুতে বৃষ্টি হয়েছিল ৩৩০ মিলিমিটার। নাসার তথ্য অনুযায়ী এটাই তামিলনাড়ুতে গত ১০০ বছরে সবথেকে বেশি বৃষ্টি বলা হয়েছে। এই বিষয়ে নাসা তাদের ব্লগে একটি লেখাও পোস্ট করে। উপগ্রহ থেকে তথ্যের ভিত্তিতে ভারতের উপর একটি চলন্ত ম্যাপও প্রকাশ করেছে নাসা।

মঙ্গলে প্রাণের অস্তিত্ব না থাকার পিছনে সূর্যের 'হাত' রয়েছে, দাবি নাসার মঙ্গলে প্রাণের অস্তিত্ব না থাকার পিছনে সূর্যের 'হাত' রয়েছে, দাবি নাসার

সৌর জগতে পৃথিবীই একমাত্র গ্রহ যেখানে প্রাণীর অস্তিত্ব বর্তমান। লক্ষ কোটি বছর আগে মঙ্গলেও প্রাণের অস্তিত্ব ছিল বলে মনে করছে নাসার বিজ্ঞানীরা। প্রাণের অস্তিত্ব ছিল সেখানেও। লাল গ্রহের আবহাওয়াও ছিল প্রাণের অনুকূল। কিন্তু কোনও এক প্রাকৃতিক বিপর্যয়ের কারণে লাল গ্রহের আবহাওয়া বদলে যায় বলে মনে করছেন বিজ্ঞানীরা।

ইস্টার আইল্যান্ডের মূর্তির ন্যায় একটি মূর্তি রয়েছে মঙ্গলে ইস্টার আইল্যান্ডের মূর্তির ন্যায় একটি মূর্তি রয়েছে মঙ্গলে

মঙ্গলে প্রাণের খোঁজ চালাতে অনেক দিন ধরেই কাজ করছে ইউএফও হান্টার। প্রাণ থাকার অনেক প্রমাণও পাঠিয়েছে তারা। যার মধ্যে রয়েছে, দুটো বাড়ি, ভল্লুক, এলিয়ান, বুদ্ধ মূর্তি সহ আরও অনেক কিছু।

মঙ্গলে দেখা মিলল ভল্লুকের মঙ্গলে দেখা মিলল ভল্লুকের

জল, মহিলা, ভগবান বুদ্ধের পর এবার মঙ্গলে দেখতে পাওয়া গেল ভল্লুক। নাসা এর আগে মঙ্গলে জীবের উপস্থিতি প্রমাণের জন্য অনেক রকম ছবিই পাঠিয়েছে।

পৃথিবীর জলস্তর বৃদ্ধি পাচ্ছে : নাসা  পৃথিবীর জলস্তর বৃদ্ধি পাচ্ছে : নাসা

আন্টার্টিকাতে যত না বরফ জমছে, তার থেকে বেশি পরিমাণে গলে যাচ্ছে। সম্প্রতি নাসার একটি গবেষণা থেকে এমন তথ্যটি উঠে এসেছে। সাধারণত গ্লোবাল ওয়ার্মিং-এর কারণেই বরফ গলে যাচ্ছে বলে অনুমান নাসার।

প্লুটো নয় শুধু, ভাল করে দেখুন আপনার ছবিও আছে নাকি এতে! প্লুটো নয় শুধু, ভাল করে দেখুন আপনার ছবিও আছে নাকি এতে!

নাসা প্লুটো নিয়ে অত্যাশ্চর্য এই মোজাইকটি তৈরি করেছে এবং সেটা গোটা বিশ্বের মানুষকে দেখানোর জন্য প্রকাশ করেছে। খবরের সঙ্গে যে ছবিটি রয়েছে, সেটি শুধুই প্লুটো গ্রহের একটি ছবি নয় কিন্তু।