এবার মহাকাশে জিনিয়া ফুল ফোটালেন মার্কিন নভশ্চর স্কট কেলি! এবার মহাকাশে জিনিয়া ফুল ফোটালেন মার্কিন নভশ্চর স্কট কেলি!

এবার মহাকাশে জিনিয়া ফুল ফোটালেন মার্কিন নভশ্চর স্কট কেলি! আন্তর্জাতিক মহাকাশ গবেষণা কেন্দ্র (ইন্টারন্যাশনাল স্পেস স্টেশন, সংক্ষেপে আইএসএস)-এ উদ্ভিদের প্রাণের স্পন্দন অবশ্য নতুন নয়। মানুষের বাসযোগ্য কৃত্রিম উপগ্রহটির ভেজ-ল্যাবে আগেও লেটুস জাতীয় সব্জি ফলানো হয়েছে। কিন্তু এই প্রথম ফুল ফুটল মহাকাশের ঘরে! স্বাভাবিকভাবেই গবেষণাগারে নতুন সদস্য আসার খবরে উচ্ছ্বসিত নাসা। ম্যানেজার ট্রেন্ট স্মিথের কথায়, 'লেটুসের সঙ্গে জিনিয়ার কোনও তুলনাই হয় না।' কেন? জিনিয়ার মতো সেটাও রীতিমতো কসরত করে ফলাতে হয়েছে আইএসএস-এর কৃত্রিম আবহাওয়ায়। তাঁর মতে, 'পরিবেশ বা সূর্যালোক, জিনিয়ার জন্য দু’টোই খুব গুরুত্বপূর্ণ। আর দু’টোর কোনওটাই আইএসএস-এ নেই। তা ছাড়া জিনিয়ার জন্ম, বড় হওয়াতে সময় লাগে ৬০ থেকে ৮০ দিন। লেটুসের থেকে বেশি। ফলে লড়াইটাও দীর্ঘ।' এই কঠিন কাজটা করতে গিয়ে বেশ চাপের মুখেই পড়তে হয়েছিল গবেষকদের।

 বারুদের পোড়া গন্ধ নয়, বিভেদ নয়, নাসার ছবিতে উজ্জ্বল সুন্দর ভারত-পাকিস্তান সীমান্তরেখা বারুদের পোড়া গন্ধ নয়, বিভেদ নয়, নাসার ছবিতে উজ্জ্বল সুন্দর ভারত-পাকিস্তান সীমান্তরেখা

এই সীমান্তের উভয় দিকে শুধুই অশান্তি। একদিক থেকে অতর্কিতে অন্য দিকে যখন তখন ছুটে যায় গুলি, মর্টার। প্রতিবেশী দুই দেশের সেনারা কাঁটা তারের বেড়ার দুই দিকে প্রতিনিয়তই পাঞ্জা লড়ে যাচ্ছেন মৃত্য চেতনার সঙ্গে। ভারত-পাকিস্তানের মধ্যে আন্তর্জাতিক সীমান্ত। যার দুই দিকে শুধু চাপা উত্তেজনা, মৃত্যু আতঙ্কের হাতছানি, আর পোড়া বারুদের গন্ধ। কিন্তু দূর আকাশ থেকেতো টের পাওয়া যায় না মানুষের এই রোজ বিরোধ। টের পাওয়া যায় না পোড়া বারুদ গন্ধের। সেখান থেকে কেমন লাগে এই আন্তর্জাতিক সীমান্ত? কোন অজানা সৌন্দর্য গুলির শব্দের আড়ালেই অবহেলিতই রয়ে যায় দিনের পর দিন? সেই সৌন্দর্যেরই হদিশ দিল মার্কিনি মহাকাশ গবেষণা কেন্দ্র নাসা। মহাকাশ থেকে তোলা এই সীমান্ত রেখার চোখ ধাঁধানো ছবি প্রকাশ করল তারা।