সেঞ্চুরি করে নতুন রেকর্ড ওঝার

টেস্ট ক্রিকেটে নতুন মাইলস্টোন স্পর্শ করলেন প্রজ্ঞান ওঝা। ফিরোজ শা কোটলায় নিজের টেস্ট ক্যারিয়ারে একশো উইকেটের গন্ডি স্পর্শ করেন।  দ্রুত একশো উইকেট নেওয়ার ক্ষেত্রে ভারতীয়দের মধ্যে তৃতীয় স্থানে রইলেন ওঝা। দিল্লি টেস্টের দ্বিতীয় দিনের সকালে প্যাটিনসনের উইকেট তুলে নেওয়ার সঙ্গে সঙ্গেই একশো উইকেটের গন্ডি স্পর্শ করে ফেলেন।

হারের মুখে ভারত


ওয়াংখেড়ে ভারত-ইংল্যান্ড দ্বিতীয় টেস্টের তৃতীয় দিন শুধুই কেভিন পিটারসনের। কেপির দাপুটে ১৮৬ রানের সৌজন্যে ব্রিটিশদের প্রথম ইনিংস শেষ হল ৪১৩ রানে। ওঝার বলে আউট হয়ে গিয়ে পিটারসন যখন ড্রেসিংরুমে  ফিরে যাচ্ছেন ইংল্যান্ডের স্কোর তখন ৩৮৩। ধোনি বাহিনীর সমবেত ৩২৭ রানকে তখন বেশ কিছুটা পিছনে ফেলে  সেছে ব্রিটিশরা। অবশ্য কেপি ফিরে যাওয়ার পর বেশিক্ষণ স্থায়ী রইল না ইংল্যান্ডের ইনিংস। টেলএন্ডাররা আর মাত্র ৩০ রান যোগ করলেন স্কোরবোর্ডে।

`অভিভাবক` ছাড়া ঋদ্ধিদের এলোমোলো দেখাচ্ছে

মনোজ তিওয়ারি, অশোক দিন্দা খেলতে পারছেন না। তাই এই ম্যাচে বাংলা অভিভাবকহীন বলাই যায়। আর অভিবাবক ছাড়া সংসারে যে সমস্যা হয় সেটাই ধরা পড়ল ইন্দোরে বাংলা-মধ্যপ্রদেশ রঞ্জি ম্যাচে। প্রথম দিনের শেষে মধ্যপ্রদেশের স্কোর ৫ উইকেটে ৩২২। স্কোরবোর্ডই বলে দিচ্ছে ইন্দোরে বাংলার বিরুদ্ধে রঞ্জি ট্রফির ম্যাচে বড় রানের দিকে এগোচ্ছে মধ্যপ্রদেশ।

বদলার শুরু, মোতেরাকে লর্ডস বানিয়ে ভারত জয়ী ৯ উইকেটে

সব উত্‍কণ্ঠাকে দূরে সরিয়ে রেখে মোতারা টেস্ট ৯ উইকেটে জিতে নিল ভারত। সেই সঙ্গে বদলার সিরিজের প্রথম ধাপটা চড়ে ফেললেন মহেন্দ্র সিং ধোনিরা। গত বছর বিলেতে ইংল্যান্ডের কাছে ০-৪ হারের বদলা নিতে নেমে এই সিরিজ খেলতে নামা ভারত ঘরের মাঠে সিরিজটা শুরু করল দারুণ। গত বছর কুকুরা ঘরের মাটিতে ধোনিদের বিরুদ্ধে ৪-০ জেতার শুরু করেছিলেন লর্ডস দিয়ে। সেই সিরিজে ভারতের বিরুদ্ধে লর্ডসে ইংল্যান্ড জিতেছিল ১৯৬ রানে। আর বদলার সিরিজের প্রথম টেস্ট মোতেরায় ভারতের জয় এল ৯ উইকেটে। কুক-প্রায়রকে ফিরিয়ে ভারতকে জয়ের দোরগোড়ায় নিয়ে যান প্রজ্ঞান ওঝা। ওঝা দুই ইনিংস মিলিয়ে নেন ৯ উইকেট। 

ওঝা ভূত তাড়িয়ে নিশ্চিত হারের মুখে দাঁড়িয়ে কুকরা লড়ছেন

একই দিনে আত্মসমর্পণ আর প্রতিরোধের এক কাহিনির সাক্ষী থাকল মোতেরা। মাত্র ‍১৯১ রানে অলআউট হওয়ার পর ফলো অন হজম করে যেভাবে ঘুরে দাঁড়ালেন ইংল্যান্ডের দুই ওপেনার আলিস্টার কুক-নিক কম্পটন তাতে সবাই অবাক। এই ইংল্যান্ডই তো একই পিচে প্রথম ইনিংসে একেবারে ইদুঁর হয়ে গেছিল‌! তারাই এখন নিশ্চিত হারের সামনে দাঁড়িয়ে রানের পাহাড় কাঁধে নিয়ে কী দারুণ লড়াই চালাল তা সত্যিই দেখার। অনেকেই আছেন যারা বলেন ক্রিকেটের আসল ভাগ্যবিধাতা পিচ। আবার কেউ কেউ বলেন পিচ আসলে সেটাই যেটাকে তুমি ভূত মনে করলে গলা টিপে ধরবে, আর ভগবান মনে করে পুজো করে সময় কাটালে তোমার সহায় হবে। প্রথম ইনিংসে বেল-পিটারসেনদের ঘূর্ণি পিচের ভূত দেখেছিলেন, তাই শট নির্বাচনে ভুল করে বসেছিলেন।

ভারতীয় বোলিং-এর দাপটে ফলোঅনের সামনে কুক বাহিনী

ভারতীয় বোলিং ঝড়ে ধুলিসাত্ হয়ে গেল ব্রিটিশ বাহিনী। ইংল্যান্ডের প্রথম ইনিংস গুটিয়ে গেল মাত্র ১৯১ রানে। প্রকৃতপক্ষে ভারতের ঝোড়ো বোলিং আক্রমণের কাছে খড়কুটোর মতোই উড়ে গেল ইংরেজদের সমস্ত প্রতিরোধ। গতকাল শেষ দুঘণ্টায় ৩ উইকেট, আজ লাঞ্চের আগে ৭ উইকেট- তারপর সব শেষ। অনবদ্য প্রজ্ঞান ওঝা। একাই ৫ উইকেট নিলেন। আর এক স্পিনার রবিচন্দ্রন অশ্বিনও দুর্দান্ত বল করলেন। মাত্র ৮০ রান দিয়ে ছিনিয়ে নিলেন বিপক্ষের ৩টে উইকেট। তার মধ্যে একটি অধিনায়ক কুকের। এমন বিধ্বস্ত পিচে টিকে থাকার আপ্রান চেষ্টা করেছিলেন তিনি। কিন্তু ভাগ্য ( আর মোতেরার পিচও) সহায় হলনা তাঁর। অশ্বিনের অফস্ট্যাম্পে পরা বলটি ইংল্যান্ড অধিনায়কের ব্যাটের কিনারা ছুঁইয়ে চলে যায় সহবাগের হাতে। ৪১ রানে তাঁকে বিদায় নিতে হয়। প্রথম টেস্ট থেকেই টিম ইন্ডিয়ার সদস্যরা যেভাবে নিজেকে উজার করে দিচ্ছেন তাতে চার টেস্টের এই সিরিজ যে আসলে সত্যিই বদলার হতে চলেছে সে বিষয়ে বোধহয় সন্দেহর কোন অবকাশ নেই।

অশ্বিন-ওঝার বোলিং দাপটে ইংল্যান্ডের সামনে ফলোওনের চোখরাঙানি

ব্রিটিশ বাহিনী সত্যিই বিপাকে। কালকের নড়বড়ে ভিতের ধারা অব্যাহত রেখে আজকেও ভারতীয় বোলিং-এর কাছে অসহায় আত্মসমর্পণ করছেন কুক বাহিনী। লাঞ্চের আগেই সাতটি উইকেট খুইয়ে মোটামুটি ভেন্টিলেশনে চলে গেছে ইংল্যন্ড দল। অন্যরাতো কোন ছার টিম ইন্ডিয়ার স্পিনিং যুগলের কাছে রীতিমত খোঁড়াচ্ছিলেন কেপি আর কুকের মত মহারথীরাও।