কানহাইয়া ও সাংবাদিকদের আক্রান্ত হওয়ার ঘটনায় ফের প্রশ্নের মুখে পুলিসের ভূমিকা

কানহাইয়া ও সাংবাদিকদের আক্রান্ত হওয়ার ঘটনায় ফের প্রশ্নের মুখে পুলিসের ভূমিকা

পাতিয়ালা হাউস কোর্টের বাইরে কানহাইয়া কুমার ও সাংবাদিকদের আক্রান্ত হওয়ার ঘটনায় ফের প্রশ্নের মুখে পুলিসের ভূমিকা। শুধু  কোর্ট চত্বরেই নয়। এবার আদালত কক্ষেও কানহাইয়াকে মারধরের অভিযোগ তুলে বিস্ফোরক দাবি ধৃতের আইনজীবী বৃন্দা গ্রোভারের। বৃন্দার দাবি, তিনি কোর্টে ঢোকার সময়ই পুলিসের সামনে স্লোগান দেওয়া হচ্ছিল। কোর্টে ঢুকে চার নম্বর ঘরে অপেক্ষা করছিলেন তিনি। গণ্ডগোলের আওয়াজ পেয়ে বাইরে বেরোতেই দেখেন কানহাইয়াকে টেনে হিঁচড়ে তিন নম্বর ঘরের দিকে নিয়ে যাচ্ছেন একদল আইনজীবী। পুলিসও তখন সেখানে দাঁড়িয়ে।

আজ সারা দিন পাতিয়ালা হাউস কোর্টে যা চলল তাতে ক্ষুব্ধ শীর্ষ আদালত আজ সারা দিন পাতিয়ালা হাউস কোর্টে যা চলল তাতে ক্ষুব্ধ শীর্ষ আদালত

বারবার সুপ্রিম কোর্টের হস্তক্ষেপের পরেও থামানো গেল না অশান্তি। আজ সারা দিন পাতিয়ালা হাউস কোর্টে যা চলল তাতে ক্ষুব্ধ শীর্ষ আদালত। ভয় আর আতঙ্কের অভূতপূর্ব পরিস্থিতি তৈরি হয়েছিল আদালত চত্বরে , মনে করছেন কপিল সিব্বব সহ সুপ্রিম কোর্ট নিযুক্ত কমিশনাররা। পাতিয়ালা হাউস কোর্টের নিরাপত্তা নিশ্চিত করতে  দিনের শুরুতেই  নির্দেশ দিয়েছিল দেশের শীর্ষ আদালত। তার পরেও বুধবার নজিরবিহীন হাঙ্গামার সাক্ষী থাকল  পাতিয়ালা হাউস কোর্ট।কি হচ্ছে  পাতিয়ালা হাউস কোর্টে? শীর্ষ আদালতের সে প্রশ্নের  জবাব দিতে পারেননি দিল্লি পুলিসের কৌসুলি অজিত সিনহা। এর পরেই  পাতিয়ালা হাউস আদালতের পরিস্থিতি খতিয়ে দেখতে ছয় কমিশনার নিযুক্ত করে শীর্ষ আদালত। এরই  মধ্যে আদালতে পেশ করার সময় আক্রমণের মুখে পড়েন কানহাইয়া কুমার।

পুলিসি অভব্যতার অভিযোগ, আত্মঘাতী নির্যাতিতা

দোষীদের শাস্তির বদলে উল্টে পুলিসি হেনস্থার মুখে পড়ে আত্মঘাতী হলেন গণধর্ষণের শিকার তরুণী। চাঞ্চল্যকর ঘটনাটি ঘটেছে পঞ্জাবের পাটিয়ালা জেলায়। অভিযোগ, গণধর্ষণের পর চুয়াল্লিশ দিন কেটে গেলেও অভিযুক্তদের বিরুদ্ধে কোনও ব্যবস্থা নেয়নি পুলিস। গত ১৩ নভেম্বর দিওয়ালির রাতে ওই তরুণীকে ধর্ষণ করে গ্রামেরই দুই যুবক বলবিন্দর সিং এবং গুরপ্রীত সিং। এলাকার পুলিস ফাঁড়িতে বিষয়টি জানানো হলেও পুলিস প্রাথমিক ভাবে অভিযোগ নিতে অস্বীকার করে। এমনকী ওই ফাঁড়ির অফিসার গুরচরণ সিং তরুণীকে বিষয়টি মিটমাট করে নেওয়ার জন্য চাপ দিতে থাকেন বলেও অভিযোগ ওঠে।