রাষ্ট্রপতিকে চিঠি কারাটের, পাল্টা বিবৃতি পেশ রাজভবনের

দিল্লিতে মুখ্যমন্ত্রীসহ অন্য মন্ত্রীদের হেনস্থার ঘটনায় পলিটব্যুরো কে ক্ষমা চাওয়ার পরামর্শ দিয়েছিলেন রাজ্যপাল এম কে নারায়ণন। রাজ্যপালের মন্তব্যের প্রতিবাদ জানাল সিপিআইএম। প্রতিবাদ জানিয়ে দলের সাধারণ সম্পাদক প্রকাশ কারাট রাষ্ট্রপতিকে চিঠি দিয়েছেন। রাজভবন থেকে ইতিমধ্যেই এই চিঠির পাল্টা বিবৃতিও দেওয়া হয়েছে।

আজ কলকাতা থেকে দিল্লির পথে সিপিআইএমের জাঠা

দ্রব্যমূল্য বৃদ্ধি, পেট্রোপণ্যের মূল্যবৃদ্ধি, কৃষকের আত্মহত্যা সহ একাধিক ইস্যুতে আজ রানি রাসমণি রোড থেকে দিল্লির পথে রওনা হল সিপিআইএমের জাঠা। চারটি মূল জাঠার মধ্যে পূর্ব ভারতের এই জাঠার নেতৃত্বে রয়েছেন সিপিআইএমের সাধারণ সম্পাদক প্রকাশ কারাট। তিনি জানিয়েছেন, গোটা দেশেই বাম গণতান্ত্রিক বিকল্পের বার্তা পৌঁছে দেওয়া হবে জাঠার মাধ্যমে। 

কোচবিহারে পৌঁছল সিপিআইএমের জাঠা

গুয়াহাটি থেকে শুরু হওয়া সিপিআইএমের জাঠা আজ পৌঁছল কোচবিহারের বক্সিরহাটে। মূল্যবৃদ্ধির প্রতিবাদ, খাদ্য নিরাপত্তার দাবি, স্বাস্থ্য, বাসস্থান এবং কর্মসংস্থানের অধিকার সুনিশ্চিত করার দাবিতে গুয়াহাটি থেকে জাঠা শুরু হয়েছিল ২৩ ফেব্রুয়ারি।

পঞ্চায়েত নির্বাচনে রাজ্যে বাড়বে হিংসা, আশঙ্কা সিপিআইএম কেন্দ্রীয় কমিটির

আজ সিপিআইএমের কেন্দ্রীয় কমিটির বৈঠকের শেষ দিন। মূলত, ত্রিপুরায় আসন্ন নির্বাচন, রাজ্যে পঞ্চায়েত নির্বাচন, রাজ্যজুড়ে বেড়ে চলা রাজনৈতিক হিংসা নিয়ে আলোচনা হয়েছে বৈঠকে। পঞ্চায়েত নির্বাচন যত এগিয়ে আসবে রাজনৈতিক হিংসার ঘটনা আরও বড়বে বলেই মত বামেদের। এই পরিস্থিতিতে জেলায় জেলায় সংগঠনকে মজবুত করতে কী রণকৌশল নেওয়া হবে তা নিয়েও আলোচনা হয়েছে বৈঠকে। এছাড়াও দেশজুড়ে মূল্যবৃদ্ধির বিরুদ্ধে বামেরা কী কী বিষয়ে প্রচার করবেন আলোচনা হয়েছে তানিয়েও।

সিপিআইএম-এর কেন্দ্রীয় কমিটির বৈঠক শুরু আজ

আজ থেকে আলিমুদ্দিন স্ট্রিটের দফতরে শুরু হচ্ছে সিপিআইএমের কেন্দ্রীয় কমিটির বৈঠক। তিনদিনের বৈঠকে আলোচনা হবে ত্রিপুরায় বিধানসভা নির্বাচন ও এই রাজ্যে পঞ্চায়েত ভোট নিয়ে। এর পাশাপাশি, বেশ কয়েকটি ইস্যুতে দেশব্যাপী কর্মসূচি নিয়েছে বামেরা। যার মধ্যে অন্যতম সকলের জন্য দু`টাকা কেজি চালগমের দাবিতে সই সংগ্রহ অভিযান। সেই কাজ কেমন এগোচ্ছে, কেন্দ্রীয় কমিটির বৈঠকে তা নিয়েও কথা হবে।

শ্রমিক সুরক্ষার দাবিতে বিক্ষোভ সিটুর

সরকারি প্রকল্পের সঙ্গে যুক্ত অস্থায়ী কর্মীদের ন্যূনতম মজুরি, সামাজিক সুরক্ষার দাবিতে দিল্লির যন্তর-মন্তরে দুদিনের অবস্থান বিক্ষোভের ডাক দিয়েছে সিটু। গতকাল, বিক্ষোভ সমাবেশে বক্তব্য রাখেন সিপিআইএম সাধারণ সম্পাদক প্রকাশ কারাত। ঠিকা কর্মী নিয়োগ, খুচরো ব্যবসায়ে বিদেশি বিনিয়োগের মতো বিভিন্ন ইস্যুতে কেন্দ্রীয় সরকারের কড়া সমালোচনা করেন তিনি।

বামেরা অনাস্থা আনলে সমর্থন করবে তৃণমূল, মহাকরণে জানালেন মমতা

কেন্দ্রের বিরুদ্ধে বাম দলগুলি অনাস্থা প্রস্তাব আনলে তাকে সমর্থন জানতে পারে তৃণমূল কংগ্রেস। শর্ত একটাই, প্রস্তাব আনার পর কোনও ভাবেই তা প্রত্যাহার করা চলবে না। আজ মহাকরণে দাঁড়িয়ে এই কথা জানালেন মুখ্যমন্ত্রী মমতা বন্দোপাধ্যায়। প্রয়োজনে আলিমুদ্দিনে গিয়ে বিমান বসুর সঙ্গে কথা বলতেও রাজি আছেন বলে জানালেন তৃণমূল নেত্রী। প্রত্যাশিত ভাবেই আজকের সাংবাদিক সম্মেলনে কেন্দ্রের বিরুদ্ধে তোপ দেগেছেন তৃণমূল সুপ্রিমো। আরও একবার কেন্দ্রকে `মাইনরিটি সরকার` বলেন তিনি। খুচরো ব্যবসায় বিদেশি বিনিয়োগের প্রশ্নে বিরোধিতা করা ছাড়াও এলপিজি সহ সামগ্রিক মূল্যবৃদ্ধির ক্ষেত্রে বর্তমান সরকার লুট চালাচ্ছে বলে মন্তব্য করেন তিনি। সেই কারণেই দুর্নীতির বিরুদ্ধে রাজনৈতিক `ইগো` ত্যাগ করে ঐক্যবদ্ধ ভাবে লড়া উচিত বলেও মন্তব্য করেন তিনি।

অনাস্থায় সায় নেই: প্রকাশ কারাট

খুচরো ব্যবসায় বিদেশি বিনিয়োগে বিরোধিতা করলেও আগামী শীতকালীন অধিবেশনে তৃণমূল কংগ্রেসের আনা অনাস্থা প্রস্তাব সমর্থন করবে না সিপিআইএম। আজ দিল্লিতে এক সাংবাদিক বৈঠকে একথা স্পষ্ট করে দেন দলের সাধারণ সম্পাদক প্রকাশ কারাট। সংসদে আলোচনার মাধ্যমেই এফডিআই প্রশ্নে সরকারের বিরোধিতা করবে তাঁর। এদিন সাংবাদিকদের প্রকাশ কারাট বলেন সরকার ফেলে দেওয়ার পর্যাপ্ত সংখ্যা যোগাড় করা যাবে না। অনাস্থা প্রস্তাব আনলে সরকার টিঁকে যাবে। এর ফলে পরোক্ষে হাত শক্ত হবে সরকারেরই। উল্টে সরকারের দোষ ত্রুটি ঢাকা পরে যাবে।

ভুয়ো মামলার শিকার হচ্ছেন বহু তরুণ, রাষ্ট্রপতিকে স্মারকলিপি কারাটের

সন্ত্রাসবাদী অভিযোগে সারা দেশে বহু মানুষ পুলিসি হেনস্থার শিকার হচ্ছেন। দীর্ঘ বিচারপর্বের পর তাঁরা ছাড়া পেলেও স্বাভাবিক জীবনে ফিরতে পারছেন না। এই অভিযোগ জানিয়ে আজ রাষ্ট্রপতি প্রণব মুখোপাধ্যায়কে স্মারকলিপি দেয় সিপিআইএম। সাধারণ সম্পাদক প্রকাশ কারাটের নেতৃত্বে রাষ্ট্রপতির সঙ্গে দেখা করতে যান সুভাষিণী আলি, মহম্মদ ইউসুফ তারিগামি এবং দুই তরুণ। এই দুই তরুণের মধ্যে একজন ১৪ বছর ও আরেকজন আট বছর জেলে কাটিয়ে অবশেষে বেকসুর মুক্তি পান। ভুয়ো মামলার শিকার হচ্ছেন যাঁরা তাঁদের ক্ষতিপূরণ দেওয়ার আর্জিও জানান তারা।