পরিস্থিতি সামলাতে ডিক্রি নিয়ে আলোচনায় মুর্সি

দেশজুড়ে বিক্ষোভ শুরু হওয়ায় পরিস্থিতি সামাল দেওয়ার চেষ্টা করছেন মিশরের প্রেসিডেন্ট মহম্মদ মুর্সি। প্রেসিডেন্টের নিরঙ্কুশ ক্ষমতা প্রতিষ্ঠার লক্ষ্যে গত সপ্তাহে নিজের জারি করা ডিক্রির বিষয়ে বিচারপতিদের সঙ্গে কথা বলছেন তিনি। তবে, মিশরের সুপ্রিম জুডিশিয়াল কাউন্সিলকে মুর্সি জানিয়েছেন, প্রেসিডেন্টের সিদ্ধান্তকে চ্যালেঞ্জ করা যাবে না বলে জারি হওয়া ডিক্রি বহাল থাকবে। শুধুমাত্র এর পরিসর সীমিত করা নিয়ে আলোচনা চলতে পারে। যদিও, বিরোধীরা প্রেসিডেন্টের বিরুদ্ধে আন্দোলন বজায় রেখেছে।

মুর্সীর ফতোয়া, দ্বিধাবিভক্ত মিশর

প্রেসিডেন্ট মহম্মদ মুর্সির ফতোয়া কি যুক্তিযুক্ত? এই একটা প্রশ্নই এখন কার্যত দু`ভাগ করে দিয়েছে মিশরকে। প্রেসিডেন্টপন্থীদের মতে মুর্সির ডিক্রি আদতে প্রশাসনকে আরও মজবুত করবে। আর এই যুক্তিকে জোরালো করতে ইতিমধ্যেই পধে নেমে প্রচারও শুরু করে দিয়েছন তারা। কিন্তু, রয়েছে বিরুদ্ধ মতও। মুর্সির ডিক্রিকে বাতিলের দাবিতে মিশরের রাস্তায় নেমে প্রতিবাদ শুরু করেছেন বহু মানুষ। আর এই মিছিল-পাল্টা মিছিলের জেরেই ফের সংবাদ শিরোনামে মিশরের তাহরির স্কোয়ার।

প্রেসিডেন্ট মুর্সির বিরুদ্ধে ফের উত্তপ্ত মিশর

ক্রমশ অগ্নিগর্ভ হয়ে উঠছে মিশরের প্রেসিডেন্ট বিরোধী আন্দোলন। দমননীতি প্রয়োগ করে যে তাদের থামানো যাবে না আজ স্পষ্টভাবেই সেকথা জানিয়ে দিয়েছেন আন্দোলনকারীরা। ক্ষমতা কুক্ষিগত করা নিয়ে প্রেসিডেন্ট মহম্মদ মুর্সির একতরফা ডিক্রির প্রতিবাদে গতকাল থেকেই তাহরির স্কোয়ারে বিক্ষোভ দেখাতে শুরু করেন বহু মানুষ। ডিক্রি জারি করে প্রেসিডেন্ট মুর্সি জানিয়ে দিয়েছেন, তাঁর সিদ্ধান্তকে মিশরের মাটিতে কোনওভাবেই চ্যালেঞ্জ করা যাবে না। এখানেই শেষ না। মিশরের কোনও আদালতই সরকারকে ক্ষমতাচ্যুত করতে পারবে না বলেও ডিক্রিতে ঘোষণা করেছেন মুর্সি। মিশরের প্রেসিডেন্টের এই ডিক্রি নিয়ে আশঙ্কা প্রকাশ করেছে মার্কিন যুক্তরাষ্ট্রও।