রাহুল গান্ধীকে ৫০০ কোটি টাকার আইনি নোটিশ ধরাল এজিপি

বুধবার কংগ্রেসের সহসভাপতি রাহুল গান্ধীকে ৫০০ কোটি টাকার আইনি নোটিস ধরাল অসম গণ পরিষদের যুব শাখা। কিছুদিন আগেই সোনিয়া তনয় মন্তব্য করেছিলেন যে অসম গণ পরিষদ দ্বিতীয় দফায় ক্ষমতায় এসেছিল জঙ্গী গোষ্ঠীর হাত ধরে। আসামের বর্তমান মুখ্যমন্ত্রী তরুণ গগোই কংগ্রেস সহসভাপতির বক্তব্য সমর্থন করে এজিপি আর আলফাকে একই মুদ্রার এপিঠ ওপিঠ বলে মন্তব্য করেন। এই মন্তব্যের পরেই গণপরিষদের পক্ষ থেকে তীব্র প্রতিক্রিয়া দেখানো হয়।

মাও হামলা: গণতন্ত্রের উপর আক্রমণ বললেন রাহুল, নিন্দা সোনিয়া, মনমোহনের

ছত্তিসগড়ে কংগ্রেস নেতা-কর্মীদের ওপর মাওবাদী হামলার তীব্র নিন্দা করেছেন মনমোহন সিং ও সোনিয়া গান্ধী। এই ঘটনা গণতন্ত্রের ওপর আঘাত বলে মন্তব্য করেছেন তাঁরা। ছত্তিসগড় সরকার তাদের জন্য পর্যাপ্ত নিরাপত্তার ব্যবস্থা করেনি বলে অভিযোগ করেছে কংগ্রেস। ছত্তিসগড়ে মাওবাদী হামলায় কংগ্রেস নেতা-কর্মীদের মৃত্যুর খবর পাওয়ার পরই প্রধানমন্ত্রী মনমোহন সিংয়ের সঙ্গে বৈঠকে বসেন ইউপিএ চেয়ারপার্সন সোনিয়া গান্ধী। ছিলেন রাহুল গান্ধী ও আহমেদ প্যাটেল। মুখ্যমন্ত্রী রমন সিংয়ের সঙ্গে ফোনে কথা বলেন প্রধানমন্ত্রী। রাজ্যকে সবরকম সাহায্যের আশ্বাস দেন তিনি। খোঁজ নেন প্রাক্তন কেন্দ্রীয় মন্ত্রী বিদ্যাচরণ শুক্লার শারীরিক অবস্থার। কংগ্রেস সহসভাপতি রাহুল গান্ধী ইতিমধ্যে রায়পুরে নিহতদের সঙ্গে দেখা করে এসেছেন। নিহতদের পরিবারের প্রতি সমবেদনা জানিয়েছেন তিনি। জানিয়েছেন আক্রান্তদের পরিবারের পাশেই তাঁর দল রয়েছে।

কাল কর্ণাটকের বিধানসভা নির্বাচনে অগ্নি পরীক্ষার সামনে বিজেপি

আগামিকাল কর্ণাটক বিধানসভা নির্বাচনের ভোটগ্রহণ। ভোট নেওয়া হবে দুশো তেইশটি বিধানসভা আসনে। বিজেপি প্রার্থীর মৃত্যু হওয়ায় পেরিয়াপাটনা কেন্দ্রের ভোটগ্রহণ আঠাশে মে পর্যন্ত পিছিয়ে দেওয়া হয়েছে। ভোটগণনা ও ফলপ্রকাশ আটই মে। প্রাক ভোট সমীক্ষা বলছে, এবারের ভোটে যথেষ্ঠই কোণঠাসা শাসক বিজেপি। তুলনায় সুবিধাজনক অবস্থায় কংগ্রেস।

শিল্পমহলে রাহুল তাস খেলল কংগ্রেস

পরবর্তী লোকসভা ভোটে নরেন্দ্র মোদীকেই প্রধানমন্ত্রীর পদে প্রার্থী হিসেবে তুলে ধরার প্রস্তুতি শুরু করে দিয়েছে বিজেপি। গতকালই প্রধানমন্ত্রীর মন্তব্য নিয়ে জল্পনা শুরু হয়েছে নির্বাচনে জিতলে ফের সোনিয়া-মনমোহন জুটি চালকের আসনে বসবেন কিনা। এরই মধ্যে আজ শিল্পমহলের সামনে রাহুল গান্ধীকে হাজির করে চমক দিল কংগ্রেস। দলের সহ সভাপতি হওয়ার পর এই প্রথম শিল্পমহলের মুখোমুখি হলেন রাহুল গান্ধী।

বেচাল রাজনীতিতে ইতিবাচক ছোঁয়া আনতে চান রাহুল

আনুষ্ঠানিক ভাবে কংগ্রেসের সহসভাপতির দায়িত্ব গ্রহণ করলেন রাহুল গান্ধী। কংগ্রেসের `নম্বর টু` হয়েই তাঁর গলায় রাজনীতিতে `ইতিবাচক` দিক টানার ইঙ্গিত পাওয়া গেল। দেশের রাজনৈতিক মেজাজ যে আশু খাতে বইছে না সেটা বেশ অনুধাবন করেছেন রাহুল। সেইসঙ্গে, কথায় কথায় বিরোধীদের সমালোচনা করা থেকেও তিনি বিরত থাকবেন বলে মন্তব্য করেছেন গান্ধী পরিবারের কনিষ্ঠতম নেতা।

রাহুলকে সামনে রেখে লোকসভা ভোটের প্রচার শুরু কংগ্রেসের

জয়পুরের চিন্তন শিবির থেকেই কার্যত আসন্ন লোকসভা নির্বাচনের প্রস্তুতি শুরু করে দিল কংগ্রেস। যে ইস্যুটি ইউপিএ দুই সরকারকে সবচেয়ে সমস্যায় ফেলেছিল সেই দুর্নীতি ইস্যুকেই অস্ত্র করে লড়াইয়ের বার্তা দিলেন কংগ্রেস সভানেত্রী সোনিয়া গান্ধী। আজ জয়পুরে কংগ্রেসের চিন্তন শিবিরের সমাপ্তি ভাষণে দুর্নীতির বিরুদ্ধে লড়তে ইতিমধ্যেই সরকার পাঁচদফা পরিকল্পনা নিয়েছে বলে জানিয়েছেন তিনি।

সহসভাপতি রাহুল, দল ফের ক্ষমতায় এলে প্রধানমন্ত্রী কি না চলছে জল্পনা

এতদিন ছিলেন অঘোষিত নাম্বার টু। এ বার আনুষ্ঠানিকভাবে দলের দ্বিতীয় নেতা হিসাবে ঘোষণা করা হল তাঁর নাম। কংগ্রেস সহ-সভাপতির দায়িত্ব নিলেন রাহুল গান্ধী। দুহাজার চোদ্দোয় কংগ্রেস ক্ষমতায় এলে রাহুল গান্ধীই কি প্রধানমন্ত্রী? দলের সহ-সভাপতি পদে সোনিয়া পুত্রের অভিষেকের পর জোরালো হয়েছে জল্পনা।

দলের সহসভাপতি পদে এলেন রাহুল, বাড়ল দায়িত্ব

দুহাজার চোদ্দর লোকসভা নির্বাচনে কার্যত কংগ্রেসের হাল ধরতে চলেছেন রাহুল গান্ধী। সংগঠনে আরও বেশি দায়িত্ব দিয়ে তাঁকে দলের সহ সভাপতি করা হয়েছে। এই মর্মে প্রস্তাব পাশ হয়েছে কংগ্রেস ওয়ার্কিং কমিটিতে।

পাক প্রসঙ্গে সুর চড়ালেন সোনিয়াও

ভদ্র আচরণের নীতি নিলে তবেই পাকিস্তানের সঙ্গে কোনও রকম আলোচনা সম্ভব। আজ কংগ্রেসের চিন্তন শিবিরে পাকিস্তান প্রসঙ্গে এই বার্তাই দিলেন ইউপিএ সভানেত্রী সোনিয়া গান্ধী। এ বিষয়ে গত মঙ্গলবারই প্রধানমন্ত্রী বলেন, এই ধরনের ঘটনা চলতে থাকলে পাকিস্তানের সঙ্গে সম্পর্ক স্বাভাবিক রাখা সম্ভব নয়। পাক বিদেশমন্ত্রী হিনা রাব্বানি খারের বিদেশমন্ত্রক পর্যায়ের আলোচনার প্রস্তাবকে খারিজ করে দিয়ে তথ্য সম্প্রচার মন্ত্রকের প্রতিমন্ত্রী মণীশ তিওয়ারি বৃহস্পতিবার বলেন, "পাক সেনার বর্বরোচিত আচরণের বিষয়টিই মুখ্য। যাঁরা এই নৃশংস ঘটনায় জড়িত, তাঁদের বিরুদ্ধে ব্যবস্থা নিলেই আলোচনা সম্ভব।" ভারতের আবেগের কারণটিও পাকিস্তানের বিবেচনা করা উচিত বলে মনে করেন কেন্দ্রীয় মন্ত্রী।