এবার টার্গেট রেজ্জাক মোল্লা?

সুজন চক্রবর্তীর পর রেজ্জাক মোল্লা শাসকের নিশানায়। ২৯ মার্চ বারুইপুর থানার অধীনে সূর্যপুর গ্রামে একটি বিচিত্রানুষ্ঠানে যান সিপিআইএম বিধায়ক রেজ্জাক মোল্লা। সেখানে তিনি বক্তৃতা দেন। এরপর ওই অনুষ্ঠানে বিদ্যুৎ সংযোজন ছিন্ন করে দেওয়া হয়। অভিযোগ এরপর ওই অনুষ্ঠানে বেছে বেছে সিপিআইএম কর্মীদের মারধর করে তৃণমূল আশ্রিত দুষ্কৃতীরা। ঘটনাস্থলে পুলিস পৌঁছালেও পুলিস শুধুমাত্র সিপিআইএম কর্মীদের গ্রেফতার করে বলে অভিযোগ। ৩০ তারিখ ওই অঞ্চলের এক মহিলার বাড়িতে ভাংচুর করা হয়। এই ঘটনায় ১৩জনের বিরুদ্ধে এফআইআর দায়ের করা হয়। এফ আই আরে শেষ নামটি রেজ্জাক মোল্লার।

বামেদের উপর গুলি চলল বামনঘাটায়

ফের অগ্নিগর্ভ ভাঙড়। এবার বামনঘাটায়। গুলি, বোমা, বাসে আগুন, ভাঙচুর। সিপিআইএম নেতাদের অভিযোগ, আলিপুরে বিক্ষোভ সভায় আসার পথে তাঁদের সমর্থক বোঝাই বাসগুলির উপর হামলা চালায় আরাবুল ইসলামের নেতৃত্বে তৃণমূল কর্মীরা। হামলায় অন্তত ৬ জন সিপিআইএম সমর্থক গুলিবিদ্ধ। জখম আরও বেশ কয়েকজন। আগুন দেওয়া হয় ১২টি বাসে। ভাঙচুর হয়েছে আরও বেশ কয়েকটি বাস। প্রত্যক্ষদর্শীদের বক্তব্য, পিছন থেকে সিপিআইএমের মিছিলে ইটবৃষ্টি শুরু হয়। বাঁশ দিয়ে গাড়ি ভাঙচুর চলে। রাস্তায় ফেলে বহু বাম কর্মী সমর্থককে মারধর করা হয়। চালানো হয় গুলি, ব্যাপক বোমাবাজিও হয়েছে। প্রাণভয়ে অনেকে পালিয়ে যান। পরপর দাঁড়িয়ে থাকা গাড়িতে আগুন ধরিয়ে দেওয়া হয়।