আরও একবার উইম্বলডনের সোনালি ট্রফির দখল চান ফেড এক্সপ্রেস

আরও একবার উইম্বলডনের সোনালি ট্রফির দখল চান ফেড এক্সপ্রেস

ঝুলিতে গ্র্যান্ডস্লামের সংখ্যা ১৭। অলিম্পিক মেডেল দুটি। দেশকে সামনে থেকে নেতৃত্ব দিয়ে এনে দিয়েছেন ডেভিস কাপও। জিতেছেন হপম্যান কাপ। পুরুষদের লন টেনিসে সর্বকালের সেরাদের প্রথম তিনজনের মধ্যে তাঁর নাম থাকা নিয়ে বোধহয় সন্দেহ নেই চরম নাদাল ভক্তেরও। চারটি মেগা স্লামের টেস্টই তাঁর চাখা। ওপেন এরা টেনিসে রেকর্ডের নিরিখে তাঁর সমকক্ষ নন কেউই। সর্বাধিক গ্র্যান্ডস্লাম, সবচেয়ে বেশিদিন ১ নম্বর স্থান দখল করে রাখা, এক বছরে তিন বার তিনটি মেজর টাইটেলের মালিকানা সহ অগুনিত রেকর্ড তাঁর দখলে। তাঁর সাফল্যের শৃঙ্গটা এতটাই উঁচু যে, কাল থেকে অবসর নেওয়া না পর্যন্ত আর একটা ম্যাচও তিনি যদি না জেতেন তাহলেও সেই শৃঙ্গের গর্ব বিন্দুমাত্র খর্ব হবে না। এহেন রজার ফেডেরার, টেনিসের পার্থিব জগতের কাছে আর কী চাওয়ার থাকতে পারে?

মহাকাব্যিক মহাযুদ্ধে চির প্রতিদ্বন্দ্বী ফেড এক্সপ্রেসকে হারিয়ে এটিপি ওয়ার্ল্ড ট্যুরের ফাইনালে নাদাল

থামানো যাচ্ছে না দুরন্ত গতির রাফাকে। এই বছর নিজের রূপকথার টেনিসের দুরন্ত গতি বজায় রেখে এটিপি ওয়ার্ল্ড ট্যুরের ফাইনালে পৌঁছালেন তিনি। সেমিফাইনালে হারালেন `চির শত্রু` রজার ফেডেরারকে।টেনিস ইতিহাসের দুই জীবন্ত কিংবদন্তীর মহা সমরের সাক্ষী থাকল এটিপি ওয়ার্ল্ড ট্যুর। টেনিস কোর্টের এই দুই `চির শত্রু`র খেলা মানেই রচিত হয় মহাকাব্য। আর এ বছরের দুরন্ত ফর্মের মর্যাদা রেখে এই মহাকাব্যের নায়ক সেই রাফায়েল নাদাল। রবিবার ফেড এক্সপ্রেসকে ৭-৫, ৬-৩ হারিয়ে এটিপি ওয়ার্ল্ড ট্যুরের ফাইনালে উঠলেন রাফা। সোমবার ফাইনালে তাঁর প্রতিদ্বন্দ্বী নোভাক জকোভিচ ও স্ট্যানিসলাস ওয়ারিঙ্কার মধ্যেকার যুদ্ধের বিজেতা।