পুলিস লকআপে পিটিয়ে হত্যা! অভিযোগ বড়তলা থানার এসআই-এর বিরুদ্ধে

পুলিস লকআপে পিটিয়ে হত্যা! অভিযোগ বড়তলা থানার এসআই-এর বিরুদ্ধে

ফের পুলিস লকআপে বন্দিকে পিটিয়ে মারার অভিযোগ। অভিযোগের আঙুল উঠেছে  বড়তলা থানার এসআই বিকাশ বিশ্বাসের বিরুদ্ধে। অনিচ্ছাকৃত খুনের অভিযোগ দায়ের হয়েছে তাঁর বিরুদ্ধে। ঘটনার তদন্তভার দেওয়া হয়েছে বড়তলা

রক্ষকই ভক্ষক, প্রতারণার অভিযোগ বেহালা থানার এসআইএর বিরুদ্ধে

যে রক্ষক সেই ভক্ষক। পুলিসের কাছেই ধোঁকা। চাকরির পাওয়ার আশায় আগেই খুইয়েছেন আশি হাজার টাকা।থানায় অভিযোগ জানাতে গিয়ে ফের প্রতারণার শিকার। এবার পড়লেন পুলিসের খপ্পরে। কাঠগড়ায় উঠেছে বেহালা থানার এসআই

আত্মসমর্পণের প্রস্তাব ফিরিয়ে এখনও আড়ালে মুন্নাভাই

মহম্মদ ইকবালকে ঘনিষ্ঠদের মারফত আত্মসম্পর্পনের প্রস্তাব। তাঁদের মাধ্যমেই আবার এই প্রস্তাব খারিজ করে দেন ১৫ নম্বর বরোর চেয়ারম্যান মুন্নাভাই। কারণ আত্মসমর্পণের ক্ষেত্রে দলের তরফে সবুজ সঙ্কেত নেই। পুলিস

সশস্ত্র নিরাপত্তার বেষ্টনীতে পুরমন্ত্রীর বাড়ি

আচমকাই বাড়ানো হল পুর ও নগরোন্নয়ন মন্ত্রী ফিরহাদ হাকিমের বাড়ির নিরাপত্তা। গতকাল রাত থেকেই তাঁর বাড়ির সামনে সশস্ত্র পুলিস মোতায়েন করা হয়েছে। মন্ত্রীদের সঙ্গে দেহরক্ষী থাকলেও মুখ্যমন্ত্রী ছাড়া অন্য

এফআইআর-এ নাম, তবু প্রকাশ্যেই ঘুরে বেড়াচ্ছেন `কুখ্যাত` মুন্নাভাই

প্রথমেই পুরো ঘটনাকে উল্টে দেওয়ার চেষ্টা। একইসঙ্গে, পুলিসি তদন্তও কোনপথে হবে, তার ইঙ্গিত দিয়ে রাখা। মন্ত্রী ফিরহাদ হাকিম এমন ভূমিকা নিয়েছেন বলে অভিযোগ উঠেছে। আর সেই সেই অভিযোগকে কার্যত সিলমোহর দিয়েছে

নিহত এসআই-এর বাড়িতে গেলেন সূর্যকান্ত মিশ্র

গার্ডেনরিচকাণ্ডে নিহত এসআই তাপস চৌধুরীর বাড়িতে গেলেন বিরোধী দলনেতা সূর্যকান্ত মিশ্র। দুপুর সাড়ে বারোটা নাগাদ নিহত এসআইয়ের বাড়িতে যান তিনি।

ঘটনায় মুন্না জড়িত তা আমি বিশ্বাসই করি না: ফিরহাদ

গার্ডেনরিচের ঘটনাপ্রবাহ বলছে, পুরো ঘটনার পিছনে ছিল ১৫ নম্বর বরো কমিটির চেয়ারম্যান মহম্মদ ইকবাল ওরফে মুন্নার প্ররোচনা। অথচ প্রথম থেকেই তাঁকে বারবার আড়াল করছেন পুরমন্ত্রী ফিরহাদ হাকিম। মুন্নার

থমথমে গার্ডেনরিচ, রিপোর্ট তলব শিক্ষামন্ত্রীর

থমথমে গার্ডেনরিচ। এলাকায় দোকানপাট, স্কুল কলেজ খোলা থাকলেও, এখনও আতঙ্কে এলাকাবাসী। গতকাল স্থানীয় হরিমোহন ঘোষ কলেজের ছাত্র সংঘর্ষের মাঝে দুষ্কৃতীর গুলিতে মৃত্যু হয়েছিল সাব ইন্সপেক্টর তাপস চৌধুরীর। কোনও