'রিং মাস্টার'কে 'চাবুক' মারলেন ভাজ্জি, জাহির, লক্ষ্ণণ। সচিনের পাশে মুরলিথরন 'রিং মাস্টার'কে 'চাবুক' মারলেন ভাজ্জি, জাহির, লক্ষ্ণণ। সচিনের পাশে মুরলিথরন

'রিং মাস্টার' ক্রমশ কোণঠাসা হয়ে পড়ছেন। ভারতীয়রা তো বটেই বিশ্বের বিভিন্ন দেশের ক্রিকেটাররাও সচিনের পাশেই দাঁড়াচ্ছেন।  সচিন তেন্ডুলকরের সুরেই গ্রেগ চ্যাপলকে আক্রমণ করলেন তাঁর পুরনো তিন শিষ্য হরভজন সিং, জাহির খান, ভিভিএস লক্ষ্মণ। হরভজন সিং তো বলেই ফেললেন, তিন বছর কোচিংয়ের দায়িত্ব নিয়ে ভারতীয় ক্রিকেটকে ৬ বছর পিছিয়ে দিয়েছিলেন গ্রেগ। জাহির খান আবার অভিযোগ করলেন, গুরু গ্রেগ তাঁর কেরিয়ার শেষ করে দিতে চেয়েছিলন। জাহির বলেন, কোচ থাকাকালীন গ্রেগ চ্যাপেল তাঁকে বলেছিলেন , "আমি থাকাকালীন তুমি আর ভারতের হয়ে খেলতে পারবে না।"ভিভিএস লক্ষ্ণণ আবার এ বিষয়ে বললেন, গ্রেগের অধীনে খেলার অভিজ্ঞতা দুঃস্বপ্নের মত।

 রাহুলকে সরিয়ে ভারতীয় ক্রিকেটকে একসঙ্গে  নিয়ন্ত্রণ করার প্রস্তাব দিয়ে ছিলেন চ্যাপেল: আত্মজীবনীতে আক্রমণত্মক সচিন রাহুলকে সরিয়ে ভারতীয় ক্রিকেটকে একসঙ্গে নিয়ন্ত্রণ করার প্রস্তাব দিয়ে ছিলেন চ্যাপেল: আত্মজীবনীতে আক্রমণত্মক সচিন

যখন ব্যাট হাতে বিশ্বকে শাসন করেছেন, তখন মাঠের বাইরে চিরকালই ডিফেন্সিভ থেকেছেন সচিন তেন্ডুলকর। এমনকি আজহারউদ্দিনের ভারতীয় দলকে নিয়ে গড়াপেটা বিতর্কে যখন উত্তাল আসমুদ্রহিমাচল তখনও মুখে কুলুপ এঁটে রেখেছিলেন এই ক্রিকেটীয় কিংবদন্তী। সব বিতর্ক থেকে সব সময় নিজেকে শতহস্ত দূরে রাখতেই পছন্দ করতেন সচিন। এই নিয়ে কম সমালোচনার মুখেও পড়তে হয়নি তাঁকে। গত বছরই ২২গজকে বিদায় জানিয়েছেন তিনি। তারপরে মন দিয়ে ছিলেন নিজের আত্মজীবনী লেখায়। আত্মজীবনীর ক্ষেত্রেও কি একই রকম ডিফেন্সিভ থাকবেন সচিন? প্রশ্ন ছিল সেটাই।