শিখার মামলার জেরে আদালতে হাজিরার নির্দেশ পার্থকে

দলের বিধায়কের করা মামলার জেরেই এবার আদালতে সরাসরি হাজির হতে হবে শিল্পমন্ত্রীকে। তৃণমূল কংগ্রেসেরই বিধায়ক শিখা মিত্র এই মামলা দায়ের করেছেন। আগামী ৯ এপ্রিল সশরীরে আদালতে হাজির হতে হবে শিল্পমন্ত্রী পার্থ চট্টোপাধ্যায়কে।

তৃণমূলের অন্দরে জল্পনা সোমেনকে নিয়ে

সোমেন মিত্রকে নিয়ে তৃণমূল কংগ্রেসের অন্দরমহলে কি অস্বস্তি বাড়তে চলেছে? দলের কর্মসূচিতে ধারাবাহিক ভাবে অনুপস্থিত থাকছেন সোমেনবাবু। কিন্তু কংগ্রেসের পুরনো বন্ধুদের সঙ্গে নিয়মিত যোগাযোগ রাখছেন তিনি। তাঁদের পারিবারিক অনুষ্ঠানে যোগ দিচ্ছেন। এই নিয়েই শুরু হয়েছে জল্পনা। প্রশ্ন উঠেছে, সোমেনবাবু কি তাহলে অন্য রাজনৈতিক সমীকরণের সন্ধানে রয়েছেন?

তৃণমূলে শ্বাস নেওয়া যায় না: শিখা মিত্র

ফের দলের বিরুদ্ধে বিস্ফোরক মন্তব্য করলেন তৃণমূল বিধায়ক শিখা মিত্র। ২৪ ঘণ্টাকে দেওয়া এক্সক্লুসিভ সাক্ষাত্কারে তিনি জানালেন সাসপেনশনের চিঠি পেলেই দল ছাড়া নিয়ে চূড়ান্ত সিদ্ধান্ত নেবেন তিনি। তবে, কোনও অবস্থাতেই দুঃখ প্রকাশ করবেন না বলে স্পষ্ট জানিয়ে দিলেন চৌরঙ্গির বিধায়ক।

শিল্পমন্ত্রীর বিরুদ্ধে মানহানি মামলা, শুনানি পিছল জানুয়ারিতে

শিখা মিত্রর আনা শিল্পমন্ত্রী পার্থ চট্টোপাধ্যায়ের বিরুদ্ধে মানহানির মামলাটি ২৮ জানুয়ারি ব্যাঙ্কশাল কোর্টে উঠতে চলেছে। তৃণমূলেরই বিধায়ক শিখা মিত্র ফৌজদারী দণ্ডবিধিতে মামলাটি করেছেন। গত পয়লা জুলাই বিধানভবনে একটি অনুষ্ঠানে ভাষণ দিতে গিয়ে শিখা মিত্র কিছু মন্তব্য করেন। পরদিন এই সংক্রান্ত খবর প্রকাশিত হয়। সাংসদ সোমেন মিত্রর স্ত্রী বিধায়ক শিখা মিত্র দলীয় শৃঙ্খলাভঙ্গ করেছেন বলে অভিযোগ ওঠে। একইসঙ্গে শিল্পমন্ত্রী তথা তৃণমূল কংগ্রেস নেতা পার্থ চট্টোপাধ্যায়েরও মন্তব্য প্রকাশিত হয়। পার্থ চট্টোপাধ্যায়ের সেই মন্তব্যকেই অবমাননাকর বলে মনে করেছেন শিখা মিত্র।

পার্থর বিরুদ্ধে মামলা শিখা মিত্রর

রবীন্দ্রনাথ ভট্টাচার্য ও শোভনদেব চট্টোপাধ্যায়ের পর ফের তৃণমূল কংগ্রেসের আরও একটি কোন্দল প্রকাশ্যে এল। খোদ দলীয় বিধায়কই মামলা করলেন দলের নেতা তথা শিল্পমন্ত্রীর বিরুদ্ধে। পার্থ চট্টোপাধ্যায়ের বিরুদ্ধে অবমাননাকর মন্তব্যের অভিযোগ এনে এই মামলা করেছেন তৃণমূল সাংসদ সোমেন মিত্রর স্ত্রী তথা বিধায়ক শিখা মিত্র। গত পয়লা জুলাই বিধানভবনে একটি অনুষ্ঠানে যোগ দিয়েছিলেন তৃণমূল বিধায়ক শিখা মিত্র। সেই অনুষ্ঠানে ভাষণ দিতে গিয়ে শিখা মিত্র বেশকিছু মন্তব্য করেন। যে মন্তব্যকে কেন্দ্র করে বিতর্ক তৈরি হয়েছিল।