এক সময় যাঁরা সিঙ্গুরে আন্দোলন গড়ে তুলেছিলেন, অনেকেই রাজনীতি থেকে অনেক দূরে এক সময় যাঁরা সিঙ্গুরে আন্দোলন গড়ে তুলেছিলেন, অনেকেই রাজনীতি থেকে অনেক দূরে

স্বপ্নভঙ্গের আরেক নাম হয়ত সিঙ্গুর। কারখানা হয়নি, উন্নয়ন নেই, গ্রামের কয়েক হাজার ছেলে মেয়ে বেকার। ঠিক যেন বছর দশেক আগেই থমকে আছে সিঙ্গুর। ফের ভোট এসেছে। ভোট উত্সবে মেতেছে খাসেরবেড়ি, বেড়াবেড়ি। কিন্তু আদৌ কি পরিবর্তন আসবে? একটাই প্রশ্ন ঘুরপাক খাচ্ছে সিঙ্গুর জুড়ে। সিঙ্গুরের গাড়ি কারখানাকে সামনে রেখেই পরিবর্তনের ঝড় উঠেছিল বাংলায়। ক্ষমতার বদল হয়েছে। কিন্তু কারখানা অনিশ্চিত। আইনি জটে আটকে জমি। কারখানার মুখ ঢেকেছে আগাছার জঙ্গলে। তবু শাসক বা বিরোধী, এবারের ভোটেও সকলেরই অস্ত্র টাটা কারখানা।

প্রকাশ্যে সুহৃদ দত্ত, সিঙ্গুরে রবীন দেবের প্রচারে হাজির তাপসী মালিক হত্যাকাণ্ডে নাম জড়ানো নেতা প্রকাশ্যে সুহৃদ দত্ত, সিঙ্গুরে রবীন দেবের প্রচারে হাজির তাপসী মালিক হত্যাকাণ্ডে নাম জড়ানো নেতা

ফের প্রকাশ্যে সুহৃদ দত্ত। সিঙ্গুরে রবীন দেবের প্রচারে হাজির তাপসী মালিক হত্যাকাণ্ডে নাম জড়ানো এই নেতা। সিঙ্গুরের বাণীসঙ্ঘ স্টেডিয়ামে রবীন দেবের কর্মিসভায় দেখা যায় তাঁকে। সিপিএমের হয়ে নির্বাচনী কাজে তাঁকে দেখা যাবে বলে জানিয়েছেন রবীন দেব। দুহাজার ছয়ের আঠারোই ডিসেম্বর তাপসী মালিক হত্যাকাণ্ডে নাম জড়ায় সুহৃদ দত্ত ও দেবু মালিকের। গ্রেফতার হন তাঁরা। দুহাজার সাতের জানুয়ারিতে চন্দনগর আদালতে যাবজ্জীবন সাজা হয় তাঁদের। কলকাতা হাইকোর্টের দ্বারস্থ হন সুহৃদ এবং দেবু। হাইকোর্ট তাঁদের বেকসুর খালাসের নির্দেশ দেয়। তারপর থেকেই প্রকাশ্য রাজনীতিতে খুব বেশি দেখা যায়নি সুহৃদ দত্তকে। মাঝে দীর্ঘদিন অসুস্থ ছিলেন। এখন অনেকটাই সুস্থ।