জিও চুলবুল পান্ডে

দাবাং টু এর আগে দর্শক, প্রযোজক, পরিবেশক তিন দলই আড়মোড়া ভেঙে বসেছিলেন। আরও খোলসা করে বললে, রেডি স্টেডি গো হয়েই ছিলেন। শুধু বন্দুকের ফটাশ-টাই বাকি ছিল। কারণ নাম্বার ওয়ান, সলমন খান। সলমন ছুঁলেই সোনা। প্রযোজকের ব্যাঙ্ক ব্যালেন্স একশো কোটি। দর্শকমণ্ডলীর আড়াইশো টাকা উশুল। ডিস্ট্রিবিউটরের শান্তির ঘুম। সলমন স্ক্রিনে মানেই আশার তুবড়ির মশলা আশাতীতভাবে উপর দিকে ওঠে। যে-হারে মাটি ছেড়ে ওপরে উঠছেন চুলবুল পান্ডে, তাতে তাঁকে আধুনিক রজনীকান্ত আখ্যা দিলে খানিক কমই বলা হবে। যাই হোক, দাবাং টু এমন একটি ছবি যার জন্য মিডিয়া হাউস গুলোর ২০১২ রেট্রো প্যাকেজগুলো একটু হল্ট করে ছিল।

সলমনের স্ত্রী ক্যাটরিনাই, বলছে সমীক্ষা

কয়েক বছর আগে যখন চুটিয়ে প্রেম করছিলেন দু`জনে, তখন এনেকেই আশা করেছিলেন এবার হয়তো থিতু হতে চলেছেন সলমন। তাঁর নতুন প্রেমিকাটিকে মনেও ধরেছিল ভক্তদের। কোথায় কী! ছাড়াছাড়ি হয়ে গেলেও এখনও তাঁরা বেস্ট ফ্রেন্ডস। পর্দায়ও দু`জনে একসঙ্গে এলেই বক্সঅফিস একশো কোটির ব্যবসা নিয়ে নিশ্চিন্ত।

অ্যাম্বে ভ্যালি ব্রাইডাল ফ্যাশন উইকের জন্য তৈরি মুম্বই

লাইট, ক্যামেরা, সফ্‍ট মিউজিক। মঞ্চ জুড়ে একরাশ রং বেরঙের কৃত্রিম ধোঁয়ার মাঝে আবির্ভূত হলেন সোনাক্ষি সিনহা। পরনে সরু সোনালি বর্ডারের লাল নেটের শাড়ি। ডিজাইনার জোত্‍স্না তিওয়ারির শো স্টপার তিনি। অ্যাম্বে ভ্যালি ইন্ডিয়া ব্রাইডাল ফ্যাশন উইকের পরিচিতি পর্বের সোনাক্ষিই ছিলেন মূল আকর্ষণ।

`রাঔডি রাঠোর`-এর সেটে চোট পেলেন অক্ষয়

বলিউডের খিলাড়ি হওয়া সত্বেও বহুবার শ্যুটিং করতে গিয়ে আঘাত পেয়েছেন অক্ষয় কুমার। ফের চোট পেলেন তিনি প্রভু দেবা পরিচালিত অ্যাকশন ছবি `রাঔডি রাঠোর`-এর একটি নির্মীয়মান সেটে। ছবিটির শেষের কয়েকটি অ্যাকশন দৃশ্যের শুটিং চলাকালীন কাঁধে চোট পান আক্কি।

সোনাক্ষীর প্রস্থানে প্রবেশ পূজার

কমল হাসান অভিনীত বিগ বাজেট তামিল সিনেমা `বিশ্বরূপম`-এ মুখ্য নায়িকা চরিত্রে সোনাক্ষী সিনহার পরিবর্তে এলেন অনাবাসী অভিনেত্রী পূজা কুমার। সোনাক্ষীকে প্রথমে এই ফিল্মের জন্য নেওয়া হলেও পরে নানা কারণে বেরিয়ে যান তিনি। একসময় শোনা যেতে থাকে, এই ভূমিকায় আসতে পারেন শ্রিয়া সারণ।