তৃণমূলনেত্রীর বিরুদ্ধে সরাসরি ধোঁকাবাজির অভিযোগ আনলেন সোনিয়া কিন্তু মমতা কার্যত চুপ তৃণমূলনেত্রীর বিরুদ্ধে সরাসরি ধোঁকাবাজির অভিযোগ আনলেন সোনিয়া কিন্তু মমতা কার্যত চুপ

প্রধানমন্ত্রীর পর এবার কংগ্রেস সভানেত্রী। ভোটপ্রচারে বাংলায় এসে মমতাকে নাম করে বিঁধলেন সোনিয়া গান্ধী। তৃণমূলনেত্রীর বিরুদ্ধে সরাসরি ধোঁকাবাজির অভিযোগ এনেছেন তিনি। কিন্তু মমতা  কার্যত চুপ । কংগ্রেসকে নিশানা করলেও সোনিয়া গান্ধীর নাম নিলেন না তৃণমূলনেত্রী। ভোটপ্রচারে বুধবারই প্রথম রাজ্যে এলেন সোনিয়া। মমতার নাম করে তোপ কংগ্রেস সভানেত্রীর। চৈত্র শেষের খর রোদে মধ্যবঙ্গের মাটিতে দাঁড়িয়ে এভাবেই আগুন ঝরালেন সোনিয়া। মমতা কিন্তু কার্যত  চুপ । কংগ্রেসকে তুলোধোনা করলেও, সোনিয়াকে পাল্টা জবাব দেওয়ার রাস্তায় হাঁটলেন না।

জোট ছাড়াও ইতিমধ্যেই প্ল্যান বিও ছকে ফেলেছেন রাজ্য সিপিএমের শীর্ষনেতারা জোট ছাড়াও ইতিমধ্যেই প্ল্যান বিও ছকে ফেলেছেন রাজ্য সিপিএমের শীর্ষনেতারা

দোরগোড়ায় বিধানসভা নির্বাচন। দিল্লিতে জোরদার জোট তত্পরতা। বামসঙ্গ চেয়ে দরবার প্রদেশ নেতৃত্বের। বল এখন সোনিয়া গান্ধীর কোর্টে। তবে শুধুই কংগ্রেস নয় রাজ্যের বাম শিবিরের নজরও এখন দশ জনপথেই। তবে শুধুই জোটের ওপর ভরসা করে দুহাজার ষোলোর শক্তিপরীক্ষায় নামতে নারাজ  বামেরা। প্ল্যান এ বাম-কংগ্রেস জোট হলেও ইতিমধ্যেই প্ল্যান বিও ছকে ফেলেছেন রাজ্য সিপিএমের শীর্ষনেতারা।  কীরকম সেই প্ল্যান বি? অ্যাকশন প্ল্যানের নিরিখে বাছাই করা কেন্দ্রগুলিকে ভাগ করা হয়েছে তিনটি পর্যায়ে। কলকাতা বিধানসভার এগারোটি কেন্দ্রকে ভাগ করা হয়েছে সন্ত্রাস এবং  সাংগঠনিক শক্তির ভিত্তিতে। তৃতীয় পর্যায়ে রাখা হয়েছে এমন কেন্দ্রগুলিকে যেখানে সন্ত্রাসের আশঙ্কার পাশাপাশিই দুর্বল বামেদের সাংগঠনিক শক্তিও। এবং সেই নিরিখেই ইতিমধ্যেই ঠিক হয়ে গেছে কে কে হবেন সেনাপতি। কে কে হচ্ছেন ভোট যুদ্ধে সেনাপতি।চলুন একনজরে দেখে নেওয়া যাক:

মুখ পোড়াল মহরাষ্ট্র কংগ্রেসের মুখপত্র মুখ পোড়াল মহরাষ্ট্র কংগ্রেসের মুখপত্র

মুখ পোড়াল মুখপত্র। মহরাষ্ট্র কংগ্রেস মুখপত্র কংগ্রেস দর্শনে প্রকাশিত একাধিক প্রবন্ধে প্রবল অস্বস্তিতে ফেলেছে দশ জনপথকে। একটি প্রবন্ধে কংগ্রেস সভানেত্রী সোনিয়া গান্ধীর তীব্র সমালোচনা করা হয়েছে। লেখা হয়েছে সোনিয়ার বাবা ইতালির ফ্যাসিস্ত দলের সদস্য ছিলেন। আরেকটি প্রবন্ধে প্রশ্ন তোলা হয়েছে, কংগ্রেসের সদস্যপদ নেওয়ার মাত্র বাষট্টি দিনের মাথায় কী করে সোনিয়া কংগ্রেস সভানেত্রী হলেন? পার পাননি কংগ্রেসের সবচেয়ে বড় আইকন জওহরলাল নেহরুও। বলা হয়েছে কাশ্মীর প্রশ্নে যদি সর্দার বল্লভ ভাই প্যালেটের পরামর্শ নিতেন নেহরু তাহলে আজকের দিন দেখতে হত না। চিন, তিব্বত ও নেপাল নিয়ে নেহরুর নীতিরও সমালোচনা করা হয়েছে ওই মুখপত্রে। মুখপত্রের দায়িত্বে মহারাষ্ট্রের দাপুটে কংগ্রেস নেতা সঞ্জয় নিরুপম। এই ভুলের দায়স্বীকার করেছেন তিনি। অবিলম্বে তদন্তের নির্দেশ দিয়েছেন।  

ভোটের আগে জোটের খেলা কখনও মমতা-কেজরি, কখনও সোনিয়া-মমতা বৈঠক চলছে ভোটের আগে জোটের খেলা কখনও মমতা-কেজরি, কখনও সোনিয়া-মমতা বৈঠক চলছে

ফের দিল্লিতে মমতা-কেজরিওয়াল বৈঠক। দুপুরে মমতার দিল্লির বাসভবনে গিয়ে বৈঠক করেন কেজরিওয়াল। তারপর একসঙ্গেই তাঁরা সংসদে যান। স্বাভাবিকভাবেই রাজধানীর রাজনীতিতে অকংগ্রেসি, অবিজেপি জোটের জল্পনা ফের চরমে। অন্যদিকে আজ সোনিয়ার বাসভবনে গিয়ে তাঁর সঙ্গেও দেখা করবেন তৃণমূল নেত্রী। ন্যাশনাল হেরাল্ড বিতর্কে  গতকালই সোনিয়ার পাশে দাঁড়ান তিনি।  মমতা বলেন, এই ইস্যুতে কংগ্রেস সভানেত্রীকে আদালতে ডেকে পাঠানো দুঃখজনক। রাজ্যে তৃণমূলকে ঠেকাতে বাম-কংগ্রেসের হাত মেলানোর জল্পনা তুঙ্গে। ঠিক তখনই  কংগ্রেস-তৃণমূলের সখ্য সেই জল্পনায় জল ঢালতে পারে বলে মনে করছে রাজনৈতিক মহল।