আজ দিকশূন্যপুরে বিলীন হল নীললোহিতের ডিঙা

মানুষের সঙ্গে জীবনের পরতে পরতে কাটানো অভিজ্ঞতা থেকেই সংগ্রহ করতেন তাঁর অনন্য সাহিত্য, কবিতা সৃষ্টির রসদ। তাঁর শেষ যাত্রায় সেই সাধারণ মানুষের আবেগ যেন ভেঙে পড়ল। বিশিষ্ট সাহিত্যিক তথা কবি সুনীল গঙ্গোপাধ্যায়কে শেষ শ্রদ্ধা জানাতে গিয়ে, ভালবাসার ঝুলি উজাড় করে দিলেন আজীবন মানুষকে ভালবেসেছেন। চেষ্টা করতেন মানুষের সঙ্গে থাকার। মানুষের সঙ্গে জীবনের পরতে পরতে কাটানো অভিজ্ঞতা থেকেই সংগ্রহ করতেন তাঁর অনন্য সাহিত্য, কবিতা সৃষ্টির রসদ। তাঁর শেষ যাত্রায় সেই সাধারণ মানুষের আবেগ যেন ভেঙে পড়ল। বিশিষ্ট সাহিত্যিক তথা কবি সুনীল গঙ্গোপাধ্যায়কে শেষ শ্রদ্ধা জানাতে গিয়ে ভালবাসার ঝুলি উজাড় করে দিলেন কবির গুনমুগ্ধ পাঠকরা।

দিকশূন্যপুরে যাত্রা করলেন নীললোহিত (১৯৩৪-২০১২)

বাংলা সংস্কৃতির জগতে নবমীর সকালে বিসর্জনের সুর। বাকি 'অর্দ্ধেক জীবন' কাটিয়েও চলে গেলেন সুনীল গঙ্গোপাধ্যায়। আটাত্তর বছরের বর্ণময় জীবনের স্পন্দন স্তব্ধ হয়ে গেল সোমবার  রাত ২টোয়। অবসান ঘটল বাংলা সাহিত্যের একটা উজ্জ্বল অধ্যায়ের। রেখে গেলেন স্ত্রী স্বাতী গঙ্গোপাধ্যায় পুত্র শৌভিক আর তাঁর বিশাল সাহিত্য সম্ভারকে। পুজোর আনন্দ উত্সবের মধ্যে 'কৃত্তিবাস'-এর সম্পাদকের  প্রয়াণে অগণিত গুণমুগ্ধ পাঠকের মনে বিষাদের ছায়া। আগামিকাল তাঁর শেষকৃত্য। তার জন্য দেশে ফিরছেন তাঁর বস্টন প্রবাসী ছেলে। সুনীল গঙ্গোপাধ্যায়ের দেহ রাখা হয়েছে পিস হাভেনে।