ছাড়া পেলেন দেবযানী

এসএসকেএম হাসপাতাল থেকে ছেড়ে দেওয়া হল সারদা চিটফান্ড কেলেঙ্কারির অন্যতম অভিযুক্ত দেবযানী মুখোপাধ্যায়কে। সকালে কয়েকটি রুটিন পরীক্ষার পর তাঁকে ছেড়ে দেওয়ার সিদ্ধান্ত নেন চিকিৎসকেরা। এসএসকেএম কর্তৃপক্ষ জানিয়েছে, বড় কোনও শারীরিক সমস্যা নেই দেবযানীর। হাসপাতাল কর্তৃপক্ষের দাবি শারীরিক দূর্বলতা, ডিহাইড্রেশন এবং ইউরিনের  সমস্যাও অনেকটাই কেটে গেছে দেবযানীর।

আত্মহত্যার প্ররোচনার অভিযোগ সুদীপ্তর বিরুদ্ধে

সারদা চিটফান্ড কেলেঙ্কারিতে সুদীপ্ত সেনের বিরুদ্ধে এবার যোগ হতে চলেছে আত্মহত্যায় প্ররোচনা দেওয়ার মামলা। সারদা গোষ্ঠীর বিরুদ্ধে আর্থিক প্রতারণার অভিযোগ সামনে আসার পরই আত্মঘাতী হন উর্মিলা প্রামাণিক নামে বারুইপুরের এক এজেন্ট। এরপরই তাঁর ছেলে ভোলা প্রামাণিক বারুইপুর থানায় আত্মহত্যায় প্ররোচনা দেওয়ার অভিযোগ দায়ের করেন সুদীপ্ত সেন ও অরিন্দম দাস ওরফে বুম্বার বিরুদ্ধে। 

আজ আদালতে পেশ দেবযানীকে

আজ আদালতে পেশ করা হবে দেবযানী মুখার্জিকে। সারদাকাণ্ডে অন্যতম অভিযুক্ত দেবযানীকে শনিবারই বিধাননগর মহকুমা আদালতে পেশ করার কথা ছিল। তবে অসুস্থতার কারণে তাঁকে সেদিন আদালতে পেশ করা সম্ভব হয়নি।

আদালতে সুদীপ্ত, হাসপাতালে দেবযানী

আজ ফের আদালতে পেশ করা হল সুদীপ্ত সেন, অরবিন্দ সিং চৌহানকে। সুদীপ্ত সেনের জেল হেফাজতের আর্জি জানান হল বিধাননগর পুলিসের পক্ষ থেকে। অসুস্থ হয়ে পড়ায় একটি বেসরকারি হাসপাতালে ভর্তি করা হয়েছে দেবযানী মুখোপাধ্যায়কে।

দশদিনেই ডিগবাজি সুদীপ্ত সেনের

মাত্র এক মাস দশ দিনের ব্যবধানে একশো আশি ডিগ্রি ঘুরে গেল সারদাকর্তা সুদীপ্ত সেনের বয়ান। যে সিবিআইএয়ের উপর ভরসা করেই চিঠি  লিখেছিলেন সুদীপ্ত সেন, সেই সিবিআই তদন্তেই অনাস্থা প্রকাশ করে আদালতে হলফনামা দিলেন সুদীপ্ত সেন।

সরকারের সঙ্গেই সুর মিলিয়ে সিবিআই তদন্তের বিরোধীতায় সুদীপ্ত সেন

রাজ্য সরকারের মতোই সুদীপ্ত সেনও চান না সারদা চিটফান্ড কাণ্ডে তদন্ত করুক সিবিআই। শুধু তাই নয়, সুদীপ্ত সেনের ভরসার জায়গা রাজ্য সরকারের তৈরি করা স্পেশাল ইনভেস্টগেশন টিম এবং কমিশন। কলকাতা হাইকোর্টে হলফনামা জমা দিয়ে এমনই জানিয়েছেন সারদা কর্তা সুদীপ্ত সেন। হলফনামা জমা দিয়েছে সিবিআইও।সারদা কাণ্ডে সিবিআই তদন্তের বিরোধিতা করে একাধিকবার মুখ খুলতে দেখা গেছে মুখ্যমন্ত্রী মমতা বন্দ্যোপাধ্যায়কে। সরকারের সেই বক্তব্যই এবার ধরা পড়ল হাইকোর্টে পেশ হওয়া সারদা কর্তার হলফনামায়.  হলফনামায় সিবিআই তদন্তের বিরোধিতা করেছেন সুদীপ্ত সেন।

সারদা কাণ্ডে রাজ্যের বিরুদ্ধে অসহযোগিতার অভিযোগ

সারদা-কাণ্ডের তদন্তে এ বার রাজ্যের বিরুদ্ধে অসহযোগিতার অভিযোগ উঠল। হাইকোর্টের বিচারপতির কাছে সরাসরি এই অভিযোগ জানিয়েছে ডিরেক্টরেট অফ এনফোর্সমেন্ট। আগামিকালের মধ্যে এ বিষয়ে রাজ্যকে তাদের বক্তব্য জানানোর নির্দেশ দিয়েছে আদালত। বৃহস্পতিবার, সারদা-কাণ্ডের সিবিআই তদন্ত নিয়ে শুনানি হবে।

রহস্যজনক ফোনে নেপাল ছেড়ে ভারতে প্রত্যাবর্তন সুদীপ্তর

পরিকল্পনামাফিক পালিয়েছিলেন সারদাকর্তা। পুলিসি জেরায় ক্রমশ জোরালো হচ্ছে সেই তথ্য। দেশ ছেড়ে তিনি নেপাল পৌঁছে গেলেও একটি ফোন পেয়ে ভারতে ফিরে এসেছিলেন বলে জেরায় জানিয়েছেন সুদীপ্ত সেন। গত সতেরোই এপ্রিল মহাকরণে মুখ্যমন্ত্রী বলেছিলেন, সুদীপ্ত সেন উত্তর ভারতে রয়েছেন। মুখ্যমন্ত্রীর ওই মন্তব্যের পরই ফোন পেয়ে নেপাল থেকে ভারতে ফেরেন সুদীপ্ত সেন। প্রশ্ন উঠতে শুরু করেছে কার ফোনে এতোটা ঝুঁকি নিলেন তিনি?

সর্ষের মধ্যে ভূত, নজরদারী অফিসাররা মাসোহারা নিতেন সুদীপ্তর থেকে

আদালতের অনুমতি নিয়ে এই প্রথম সারদাকাণ্ডের তদন্তে হস্তক্ষেপ করল কেন্দ্রীয় সরকার। শুক্রবার অর্থমন্ত্রকের অধীনস্থ সিরিয়াস ফ্রড ইনভেসটিগেটিং অর্গানাইজেশনের দুই কর্তা পুলিসের থেকে তদন্তের গতিপ্রকৃতি বিস্তারিতভাবে জানেন। একইসঙ্গে সুদীপ্তকে জেরায় জানা গিয়েছে কেন্দ্র ও রাজ্য উভয় সরকারের যাঁদের এই বেআইনি চিটফাণ্ডের ওপর নজর রাখারা কথা ছিল তাঁরা নিয়মিত মাসোহারার বিনিময়ে আদতে সুদীপ্ত সেনকেই সহযোগিতা করেছেন।