মালালার আক্রমণকারী ১০ জনের যাবজ্জীবন কারাদণ্ড

মালালার আক্রমণকারী ১০ জনের যাবজ্জীবন কারাদণ্ড

মালালা ইউসুফজাইয়ের ওপর আক্রমণকারীদের সারা জীবনের জন্য হাজতবাসের সাজা ঘোষণা করল সওয়াতের সন্ত্রাস বিরোধী  আদালত(অ্যান্টি-টেরোরিজম কোর্ট/ATC)। ২০১৪ সেপ্টেম্বরে মালালা সহ আরও ২ ছাত্রীর ওপর সন্ত্রাসবাদী হামলায় অভিযুক্তদের চিহ্নিত করে গ্রেফতার করে পুলিস।  

ব্রিটেনে হাসপাতাল থেকে ছাড়া পেলেন মালালা

হাসপাতাল থেকে ছাড়া পেল মালালা ইউসুফজাহি। পাকিস্তানের সোয়াতে মেয়েদের শিক্ষার অধিকারের স্বপক্ষে সওয়াল করায় গত বছরের অক্টোবরে তালিবানরা তাঁর কপালে গুলি করে। কোনও মতে প্রাণে বেঁচে গেলেও চিকিৎসার জন্য তাঁকে ব্রিটেনে নিয়ে যাওয়া হয়। সেখানকার হাসপাতাল থেকেই আজ ছাড়া পেলেন মালালা। তবে এ মাসের শেষেই মাথায় ফের অস্ত্রপচারের জন্য তাঁকে আবারও হাসপাতালে ভর্তি হতে হবে।

পড়াশুনার মাসুল, তালিবানি গুলিতে ক্ষত বিক্ষত পাক কিশোরী

তালিবানদের রক্তচক্ষু উপেক্ষা করে পড়াশুনা চালিয়ে যেতে চেয়েছিল মালালা ইউসুফজাই। স্বপ্ন ছিল ডাক্তার হওয়ার। আর সেই স্বপ্নেরই মাসুল দিতে হল চোদ্দ বছরের এই কিশোরীকে। স্কুলের সামনে তালিবানি বুলেটে ক্ষত বিক্ষত হতে হল মালালাকে। পেশোয়ারের সামরিক হাসপাতালে গুরুতর জখম মামালার চিকিতসা চলছে। হামলার দায় স্বীকার করেছে তেহরিক-এ-তালিবান। বছর চারেক আগে পাকিস্তানের সোয়াতে শুরু হয়েছিল তালিবানি দাপট। গোটা অঞ্চল জুড়ে শুরু হয়েছিল চরম অরাজকতা। পশ্চিমি সংস্কৃতির প্রচার হচ্ছে এই অজুহাতে প্রায় সব স্কুল বন্ধ করে দিয়েছিল তালিবান। তালিবানি ফতোয়ায় নিষিদ্ধ হয়ে ছিল মেয়েদের স্কুলে যাওয়াও। কিন্তু এই ফতোয়া মানতে পারেনি বছর এগারোর মালালা ইউসুফজাই। গুল মাকাই ছদ্মনামে উর্দুতে ব্লগ লেখা শুরু করেছিল সে। আর তখন থেকেই হয়ে উঠেছিল তালিবানের চক্ষুশূল। সাহসিকতার সঙ্গে শিক্ষা ও শান্তির প্রচার করার জন্য পাক সরকারের তরফে পুরস্কার দেওয়া হয়েছিল তাকে। মালালার স্বপ্ন ছিল বড় হয়ে চিকিত্‍সক হবে সে।