ত্রিফলা, টোকেনের পর জ্বালানি তেল কেলেঙ্কারিতে কলকাতা পুরসভা

ত্রিফলা, টোকেনের পর এবার জ্বালানি তেল কেলেঙ্কারি ইস্যুতে অস্বস্তিতে কলকাতা পুরসভা। মেয়র শোভন চট্টোপাধ্যায়ের দাবি, তাঁরা উদ্যোগ নিয়ে অডিট করিয়ে ছেন বলেই  কোটি কোটি টাকার আর্থিক কেলেঙ্কারির ঘটনা সামনে এসেছে। কিন্তু বিরোধীদের দাবি, একের পর এক দুর্নীতি প্রকাশ্যে এলেও পুরসভার তরফে নজরদারির অভাব রয়েছে। একইসঙ্গে অডিটের স্বচ্ছতা নিয়েও প্রশ্ন তুলেছেন পুরসভার বিরোধী দলনেত্রী রূপা বাগচী।

ফের বিতর্কে ত্রিফলা আলো, অনিয়ম সত্ত্বেও ফের চলছে বাতি বসানোর কাজ

ফের বিতর্কে ত্রিফলা আলো। বারবার ত্রিফলা কাণ্ডে অনিয়ম ধরা পড়ার পরও ফের শহরে শুরু হয়েছে বাতিস্তম্ভ বসানোর কাজ।  এবার পুরসভার কাছ থেকে ত্রিফলা সংক্রান্ত সমস্ত ফাইল চেয়ে পাঠিয়েছে ক্যাগের দিল্লির সদর দফতর।  

দুর্নীতির ত্রিফলা

কাজ তাড়াতাড়ি করতে হবে এই যুক্তিতে সব কটি ক্ষেত্রেই পাঁচ লক্ষ বা তার কম টাকার ওয়ার্ক অর্ডারে ভেঙে শর্ট টেন্ডার নোটিস বা স্পট টেন্ডারের প্রস্তাব পাঠিয়েছে ইই(ই)। ডিজি সেই প্রস্তাবে সম্মতি দিয়েছেন এবং মেয়র পারিষদ সদস্য (আলো এবং বিদ্যুত্‍) সব ক্ষেত্রেই তাঁর অনুমোদন দিয়েছেন, কিন্তু কখনই বাল্ক টেন্ডরারিংয়ের কথা বলেননি। 

পুরসভার ত্রিফলা দুর্নীতিতে সিলমোহর ক্যাগের

ত্রিফলা দুর্নীতির অভিযোগে দীর্ঘদিন ধরেই জেরবার কলকাতা পুরসভা। এবার সেই অভিযোগে সিলমোহর দিল ক্যাগ। বিনা টেন্ডারে বরাতের পাশাপাশি ত্রিফলা আলো বসানোর ক্ষেত্রে একাধিক নিয়মকানুনের তোয়াক্কা করা হয়নি বলেই জানানো হয়েছে তাদের রিপোর্টে। এখানেই শেষ নয়। মেয়র এবং মেয়র পারিষদদের অজ্ঞাতে যে এই দুর্নীতি হয়নি তারও ইঙ্গিত মিলেছে রিপোর্টে।

ত্রিফলা দুর্নীতিকাণ্ড: ডেপুটেশনে পুর ইঞ্জিনিয়াররা

ত্রিফলা আলো দুর্নীতিকাণ্ডে আধিকারিকদের কাঁধে বন্দুক রেখে নিজেদের বাঁচাতে চাইছে কর্তৃপক্ষ। পুর কমিশনারকে ডেপুটেশনে এই অভিযোগই জানালেন পুর ইঞ্জিনিয়াররা। তাঁদের বক্তব্য, দোষ ঢাকতে সাধারণ কর্মীদের শিখণ্ডি করার চেষ্টা হচ্ছে। ত্রিফলাকাণ্ডে গতকালই শোকজ করা হয়েছে আলো বিভাগের বর্তমান ও প্রাক্তন ডিজি এবং জোন ফোর-এর এক্সিকিউটিভ ইঞ্জিনিয়ারকে। এই শোকজ প্রত্যাহারেরও দাবি তোলা হয়েছে।

ত্রিফলাকাণ্ডে আরও বিতর্কে কলকাতা পুরসভা

ত্রিফলাকাণ্ডে আরও বিতর্কে জড়াল কলকাতা পুরসভা। বিতর্ক তৈরি হল মেয়রের মন্তব্যে। মেয়র জানিয়েছেন,  ত্রিফলা নিয়ে দুর্নীতির অভিযোগে  কী ব্যবস্থা নেওয়া হবে তা ঠিক হবে  মেয়র পারিষদের বৈঠকে।  প্রশ্ন উঠছে যাঁদের বিরুদ্ধে দুর্নীতির অভিযোগ, সেই মেয়র বা মেয়র পারিষদ সদস্যরা কীভাবে নিজেরাই নিজেদের বিচার করবেন ? ত্রিফলা আলো নিয়ে শুরু থেকেই দুর্নীতির অভিযোগ কলকাতা পুরসভার বিরুদ্ধে।

ত্রিফলা বিতর্ক: মেয়রের পাশে নেই পারিষদরাই?

কলকাতা পুরসভার ইন্টারনাল অডিটের আগে ত্রিফলা আলোর জন্য বকেয়া বিল মেটানো নিয়ে দ্বিধাবিভক্ত মেয়র পারিষদরাই। শনিবার বিল মেটানো নিয়ে মেয়র পারিষদদের নিয়ে বৈঠকে বসেন মেয়র শোভন চট্টোপাধ্যায়। সেই বৈঠকেই মেয়র পারিষদরা জানিয়ে দেন, অডিটের আগে বিল মেটানো নিয়ে পুরসভার সিদ্ধান্তে তাঁরা আপত্তি না জানালেও বিষয়টি নিয়ে কোনও মতামতও দেবেন না তাঁরা।

টেন্ডার ছাড়াই টাইডেন্ট বরাত, ডিজিকে কারণ দর্শানোর নির্দেশ রাজ্যপালের

ত্রিফলা বাতি কেলেঙ্কারি নিয়ে রাজ্যপালকে রিপোর্ট পাঠালেন পুরকমিশনার খলিল আহমেদ। এবিষয়ে এর আগেই বিস্তারিত রিপোর্ট তলব করেছিলেন রাজ্যপাল। রিপোর্টে পুরকমিশনার মেনে নিয়েছেন কোনওরকম টেন্ডার ছাড়া স্পট কোটেশন করেই ট্রাইডেন্ট বাতিস্তম্ভের  বরাত দেওয়া হয়েছিল। 

ত্রিফলা অলোতেও দুর্নীতির অভিযোগ তৃণমূলের বিরুদ্ধে

ত্রিফলা আলোকে নিয়ে একের পর এক দুর্নীতির অভিযোগে রীতিমত জেরবার কলকাতা পুরসভা। এবার ইলেকট্রনিক বিজ্ঞাপন বোর্ডের বরাত দেওয়াকে কেন্দ্র করে দুর্নীতির অভিযোগে উত্তাল পুরসভা। অভিযোগ, একটি রাস্তায় ইলেকট্রনিক বিজ্ঞাপনের বোর্ড বসানোর জন্য টেন্ডার ডাকা হলেও, অন্য রাস্তার ক্ষেত্রে তেমনটা হয়নি।