রাতে বাইক বাহিনীর দাপট, অভিযোগ, বাড়ি গিয়ে হুমকি দিচ্ছে তৃণমূলের নেতারা

রাতে বাইক বাহিনীর দাপট, অভিযোগ, বাড়ি গিয়ে হুমকি দিচ্ছে তৃণমূলের নেতারা

রাতে বাইক বাহিনীর দাপট। অভিযোগ, বাড়ি বাড়ি গিয়ে হুমকি দিচ্ছে তৃণমূলের স্থানীয় নেতারা। ভোট দিতে যেতে নিষেধ করা হচ্ছে। দিনের পর দিন এই হুমকির জেরে আতঙ্কে রাতের ঘুম উড়েছে পঞ্চসায়রের শহীদ স্মৃতি কলোনির বাসিন্দাদের। বাসিন্দাদের অভিযোগ, রবিবার রাতেও বাইক বাহিনীর দাপট অব্যাহত। এ নিয়ে পুলিসে লিখিত অভিযোগ দায়ের করেছেন তাঁরা। এলাকায় মোতায়েন করা হয়েছে প্রচুর পুলিস। তবুও রবিবার রাতে কেন আবার বাইক বাহিনী দাপিয়ে বেড়াল, তা নিয়ে প্রশ্ন তুলছেন বাসিন্দারা। এত মানা করা সত্ত্বেও কেন আজও বন্ধ করা গেল না বাইক বাহিনীর দাপট? উঠছে প্রশ্ন।

জেলায় জেলায় জোরকদমে প্রচার শুরু করে দিল তৃণমূল কংগ্রেস জেলায় জেলায় জোরকদমে প্রচার শুরু করে দিল তৃণমূল কংগ্রেস

শুধু যেন আনুষ্ঠানিক ঘোষণাটুকুই বাকি ছিল। তৃণমূল নেত্রী প্রার্থী তালিকা প্রকাশ্যে আনতেই, জেলায় জেলায় জোরকদমে প্রচার শুরু করে দিল তৃণমূল কংগ্রেস। গতকাল বিকেল থেকেই শুরু হয়ে যায় প্রচার-পর্ব। কোথাও দেওয়াল লিখন, আবার কোথাও প্রার্থীর সমর্থনে মিটিং-মিছিল।বনগাঁ উত্তর কেন্দ্রে রাতেই শুরু হয়ে যায় দেওয়াল লিখন। চুঁচুড়া বিধানসভা এলাকায় তৃণমূল প্রার্থী অসিত মজুমদারের সমর্থনেও রাতেই চলে দেওয়াল লিখন। বাঁকুড়ায় প্রার্থী মিনতি মিশ্র নিজেই নেমে পড়েন প্রচার-অভিযানে। কর্মী-সমর্থকদের সঙ্গে বেরিয়ে, নিজের হাতেই রং-তুলি নিয়ে নেমে পড়েন দেওয়াল লিখতে। রাস্তায় ঘুরে ঘুরে প্রচারও সারেন। অন্যদিকে আবার, বর্ধমান দক্ষিণ কেন্দ্রে তৃণমূল প্রার্থী রবিরঞ্জন চট্টোপাধ্যায়ের নাম ঘোষণা হতেই, উনত্রিশ নম্বর ওয়ার্ডে বাইক মিছিল করেন তৃণমূল সমর্থকরা। উনিশ নম্বর ওয়ার্ডেও মিছিল হয়। তমলুক বিধানসভা কেন্দ্রে তৃণমূল প্রার্থী নির্বেদ রায়ের সমর্থনেও রাতেই শুরু হয়ে যায় দেওয়াল লিখন।

কালনায় পুলিসের সামনেই দলের নেতাদের কাছে আক্রান্ত তৃণমূল পঞ্চায়েত প্রধান   কালনায় পুলিসের সামনেই দলের নেতাদের কাছে আক্রান্ত তৃণমূল পঞ্চায়েত প্রধান

নিজের দলের নেতাদের হাতেই আক্রান্ত কালনার পাটদুপসা গ্রামে তৃণমূল পরিচালিত পঞ্চায়েতের মহিলা প্রধান। পুলিসের সামনেই তাঁর শ্লীলতাহানি করা হয় বলে অভিযোগ। পরে পুলিসই তাঁকে উদ্ধার করে হাসপাতালে নিয়ে যায়। কালনার পাটদুপসা গ্রামে সরকারি সহায়ক প্রকল্পে দুর্নীতি হচ্ছে। এ খবর পাওয়ার পরই পঞ্চায়েত প্রধানকে গ্রামে গিয়ে অনুসন্ধান করার নির্দেশ দেন বিডিও।  সেই মত উপ প্রধান ও কয়েকজন সরকারি কর্মীকে নিয়ে গ্রামে যান তৃণমূল পরিচালিত পঞ্চায়েতের মহিলা প্রধান। তখনই স্থানীয় দুই তৃণমূল নেতা হাসিবুল মল্লিক ও তোতন মল্লিকের সঙ্গে বচসায় জড়িয়ে পড়েন মহিলা প্রধান। তখনই পঞ্চায়েত প্রধান ও উপ প্রধানকে আটকে রেখে মারধর এবং শ্লীলতাহানি করা হয় বলে অভিযোগ। 

ত্রিনেত্র চিটফান্ডের টাকাতেই কি ফুলে ফেপে উঠেছে তৃণমূলের নির্বাচনী তহবিল?  ত্রিনেত্র চিটফান্ডের টাকাতেই কি ফুলে ফেপে উঠেছে তৃণমূলের নির্বাচনী তহবিল?

চিটফান্ডের টাকাতেই কি ফুলেফেঁপে উঠেছিল তৃণমূলের নির্বাচনী তহবিল? ত্রিনেত্র কেলেঙ্কারি নিয়ে তদন্ত যত এগোচ্ছে, ততই জোরালো হচ্ছে ED-র তদন্তকারীদের সন্দেহ। শুক্রবার CGO কমপ্লেক্সে এক বেসরকারি ব্যাঙ্কের দুই কর্তাকে জিজ্ঞাসাবাদ করেন তদন্তকারীরা। ওই ব্যাঙ্কের ডালহৌসি শাখায় ত্রিনেত্র-র পাঁচটি অ্যাকাউন্ট ছিল। সেখান থেকে এক রাষ্ট্রায়ত্ত ব্যাঙ্কের ভবানীপুর শাখায়, তৃণমূলের নির্বাচনী অ্যাকাউন্টে ২০১৪ মার্চ-এপ্রিলে পাঁচ কোটি টাকা ট্রান্সফার হয়েছিল। তদন্তে উঠে এসেছে  মাইক্রোসেক নামে একটি সংস্থার নামও। যেটি আসলে একটি চিটফান্ড সংস্থা। সারদার বাড়বাড়ন্তের সময়েই ফুলেফেঁপে উঠেছিল ওই সংস্থাও। ওই কোম্পানির টাকাই ঘুরপথে ত্রিনেত্রর অ্যাকাউন্টে ঢুকেছিল বলে প্রমাণ পেয়েছেন তদন্তকারীরা। শুক্রবার দুই ব্যাঙ্ককর্তাকে জেরাতেও ধরা পড়েছে বেশ কিছু অসঙ্গতি। তাঁকে সোমবার যাবতীয় নথিপ্রমাণ সহ দেখা করতে বলা হয়েছে। 

তৃণমূলের গোষ্ঠীদ্বন্দ্বে বন্ধ হিমঘর  তৃণমূলের গোষ্ঠীদ্বন্দ্বে বন্ধ হিমঘর

এবার হিমঘরের দখল নিয়েও তৃণমূলের গোষ্ঠীদ্বন্দ্বের অভিযোগ। বন্ধ হয়ে গেল হুগলির পুরশুড়ার বিহিবাতকুর হিমঘর। নষ্ট হতে বসেছে তিন লক্ষ প্যাকেট আলু। কর্মহীন হয়ে পড়লেন হিমঘরের কর্মীরা। হিমঘরের মালিক থেকে চাষি, সকলের মাথায় হাত। দীর্ঘ ছবছর বন্ধ ছিল হিমঘরটি। স্থানীয় তৃণমূল নেতা শ্যামল ঘোষের উদ্যোগে কৃষিমন্ত্রী বেচারাম মান্নার সহযোগিতায় সম্প্রতি খোলে হিমঘরটি। কিন্তু এরপরেই হিমঘরের দখল নিয়ে বেধে যায় তৃণমূলের গোষ্ঠীকোন্দল। পুরশুড়ার তৃণমূল বিধায়ক পারভেজ রহমানের অনুগামীরা INTTUC-র নামে হিমঘরের কর্মীদের মারধর করে বলে অভিযোগ। তাঁদের হিমঘরে ঢুকতেও বাধা দেওয়া হয় বলে অভিযোগ। হিমঘরের মালিক সুচাঁদ দাসকে হেনস্থা করা হয়। তাঁর প্রাণনাশের হুমকিও দেওয়া হয় বলে অভিযোগ। প্রশাসনকে জানিয়েও কোনও কাজ হয়নি বলে অভিযোগ হিমঘর মালিকের। অভিযোগ নিয়ে অবশ্য মুখ খুলতে চাননি পারভেজ রহমান। কৃষিমন্ত্রী বেচারাম মান্না ঘটনার কথা স্বীকার করেছেন। উপযুক্ত ব্যবস্থা নেওয়ার আশ্বাস দিয়েছেন তিনি।