ক্যানিংয়ে সিআই অফিসে তৃণমূলের বোমাবাজি ক্যানিংয়ে সিআই অফিসে তৃণমূলের বোমাবাজি

ফের পুলিসের অফিসে তৃণমূলের দাদাগিরি। ক্যানিংয়ের সিআই অফিসের সামনে বোমাবাজির অভিযোগ উঠল তৃণমূল কংগ্রেসের বিরুদ্ধে। গতকাল রাতে ঘুটিয়ারি শরিফ এলাকায় নিজের গাড়িতে যাচ্ছিলেন ক্যানিংয়ের সিআই রতন চক্রবর্তী। সে সময় স্থানীয় তৃণমূল নেতা কাশেম সরদার ওই পুলিস অফিসারের উদ্দেশ্যে গালিগালাজ করে বলে অভিযোগ। অভিযোগ, গাড়ি থেকে নেমে তৃণমূল নেতাকে চড়-থাপ্পর মারেন রতন চক্রবর্তী। পরে অনুগামীদের নিয়ে সিআই অফিসে চড়াও হয় কাশেম সরদার। পুলিসের দফতরের সামনে বোমাবাজির অভিযোগ উঠেছে কাশের সরদারের বিরুদ্ধে। দফতর থেকে বেড়িয়ে এলে সিআইকে ধাক্কাও মারা হয় বলে অভিযোগ উঠেছে। উত্তেজনা বাড়তে থাকায় ঘটনাস্থলে পৌছন ক্যানিংয়ের এসডিপিওর নেতৃত্বে জীবনতলা ও ক্যানিং থানার বিশাল পুলিসবাহিনী। তবে পুলিসের দফতরের সামনে বোমাবাজি এবং সিআইকে ধাক্কা মারার কথা অস্বীকার করেছেন তিনি।

মঞ্জুলে চলছে বিবেচনা, এখনই হচ্ছে না 'ঘর ওয়াপসি' মঞ্জুলে চলছে বিবেচনা, এখনই হচ্ছে না 'ঘর ওয়াপসি'

এখনই তৃণমূলে ফেরানো হচ্ছে না মঞ্জুলকৃষ্ণ ঠাকুরকে। আজ বিধানসভায় একথা জানিয়েছেন তৃণমূলের মহাসচিব পার্থ চট্টোপাধ্যায়। তিনি জানান, তৃণমূল ছাড়ার পর দলত্যাগ বিরোধী আইনে অভিযোগ আনা হয়েছিল স্পিকারের কাছে। বিষয়টি এখনও স্পিকারের বিবেচনাধীন বলে জানিয়েছেন তৃণমূলের মহাসচিব। একইসঙ্গে তাঁর বক্তব্য, দল ছাড়ার আগে সবারই ভেবে দেখা উচিত। কিছুদিন আগেই তৃণমূলের ফেরার জন্য মমতা বন্দ্যোপাধ্যায়োর কাছে চিঠি লিখে আর্জি জানিয়েছিলেন মঞ্জুলকৃষ্ণ ঠাকুর। তবে তাঁর দলে ফেরার পথে বাধা হয়ে দাঁড়ায় মা বীণাপানি দেবীর চিঠি। তৃণমূল সূত্রে খবর, মমতা বন্দ্যোপাধ্যায়কে চিঠি লিখে  মঞ্জুলকে দলে না নেওয়ার অনুরোধ করেন তিনি।

তৃণমূলের গোষ্ঠীদ্বন্দ্বে বন্ধ হিমঘর  তৃণমূলের গোষ্ঠীদ্বন্দ্বে বন্ধ হিমঘর

এবার হিমঘরের দখল নিয়েও তৃণমূলের গোষ্ঠীদ্বন্দ্বের অভিযোগ। বন্ধ হয়ে গেল হুগলির পুরশুড়ার বিহিবাতকুর হিমঘর। নষ্ট হতে বসেছে তিন লক্ষ প্যাকেট আলু। কর্মহীন হয়ে পড়লেন হিমঘরের কর্মীরা। হিমঘরের মালিক থেকে চাষি, সকলের মাথায় হাত। দীর্ঘ ছবছর বন্ধ ছিল হিমঘরটি। স্থানীয় তৃণমূল নেতা শ্যামল ঘোষের উদ্যোগে কৃষিমন্ত্রী বেচারাম মান্নার সহযোগিতায় সম্প্রতি খোলে হিমঘরটি। কিন্তু এরপরেই হিমঘরের দখল নিয়ে বেধে যায় তৃণমূলের গোষ্ঠীকোন্দল। পুরশুড়ার তৃণমূল বিধায়ক পারভেজ রহমানের অনুগামীরা INTTUC-র নামে হিমঘরের কর্মীদের মারধর করে বলে অভিযোগ। তাঁদের হিমঘরে ঢুকতেও বাধা দেওয়া হয় বলে অভিযোগ। হিমঘরের মালিক সুচাঁদ দাসকে হেনস্থা করা হয়। তাঁর প্রাণনাশের হুমকিও দেওয়া হয় বলে অভিযোগ। প্রশাসনকে জানিয়েও কোনও কাজ হয়নি বলে অভিযোগ হিমঘর মালিকের। অভিযোগ নিয়ে অবশ্য মুখ খুলতে চাননি পারভেজ রহমান। কৃষিমন্ত্রী বেচারাম মান্না ঘটনার কথা স্বীকার করেছেন। উপযুক্ত ব্যবস্থা নেওয়ার আশ্বাস দিয়েছেন তিনি।

'লাশ নিয়ে রাজনীতি করতে দেব না', ফরজানার মৃত্যুতে তৃণমূলকেই দুষলেন দাদা  'লাশ নিয়ে রাজনীতি করতে দেব না', ফরজানার মৃত্যুতে তৃণমূলকেই দুষলেন দাদা

ফরজানা আলমের মরদেহ নিয়ে তৃণমূল রাজনীতি করতে চাইছে বলে অভিযোগ করলেন তাঁর দাদা খুরশিদ আলম। তাঁর অভিযোগ, ফরজানার সঙ্গে যে অন্যায় হয়েছে সেটাকে ঢাকার জন্য তৃণমূল তাঁর দেহ পুরসভায় নিয়ে যেতে চেয়েছিল। কলকাতা পুরসভার প্রাক্তন ডেপুটি মেয়রের মৃত্যুর জন্য তৃণমূলকেই দায়ী করেছেন তিনি। ফরজানার মৃত্যুর খবর পেয়েও মুখ্যমন্ত্রী কেন একবারের জন্যও এলেন না, সে প্রশ্ন তুলেছেন তাঁর দাদা। শাসকদলের বিরুদ্ধে ক্ষুব্ধ ফরজানার পরিবার জানিয়ে দিয়েছে, মরদেহ পুরসভায় নিয়ে যাওয়া হবে না। পিস হাভেন থেকে বের করার পর আজই দেহ সমাধিস্থ করা হবে।   

লাস্যময়ী হাসিতে 'হাউস' জয় অনন্যার লাস্যময়ী হাসিতে 'হাউস' জয় অনন্যার

ইংরাজিতে একটি প্রবাদ আছে, 'বিউটি এট ইটস বেস্ট'। সেই প্রবাদটিই অক্ষরে অক্ষরে মিলিয়ে ফেললেন সদ্য জয়ী কাউন্সিলর অনন্যা ব্যানার্জি। ১০৯ নম্বর ওয়ার্ডের তৃণমূল কাউন্সিলর। রাজনীতির ময়দানে একেবারেই আনকোরা মুখ কিন্তু ভোটের রেজাল্টে হেভিওয়েটদের থেকে একচুলও কম নন। বাম, ডান, নির্দল সবাইকে পর্যুদস্ত করে রাজনীতির মাটিতে অভ্যুত্থান অনন্যার। ভোট পেলেন ১৮৮৭১টি। যা ১০৯ নম্বর ওয়ার্ডে রেকর্ড। এর আগে ১০৯ নম্বর ওয়ার্ডের দখল নিয়েছিল বামেরা। বাম প্রার্থী রুমকি দাস ভোট পেয়েছিলেন ১১৬৭৫টি। জয়ী হয়েছিলেন মাত্র ৫৮৪ ভোটে। আর প্রথমবার ভোট লড়েই অনন্যা জয়ী হলেন ২৭৩৯ ভোটে। সেই থেকেই শুরু অনন্যা ম্যাজিক।