শপথ নিলেন বারাক ওবামা

সরকারি শপথগ্রহণ হয়ে গিয়েছিল রবিবার। আর সোমবার লক্ষাধিক মানুষের সামনে মার্কিন প্রেসিডেন্ট হিসেবে শপথ নিলেন বারাক হুসেন ওবামা। বাইবেলে বাঁ হাত, ডান হাত শপথ-ভঙ্গিতে উপরে তুলে ওয়াশিংটনে ক্যাপিটল প্রাসাদের ঐতিহাসিক সাদা গম্বুজের নিচে ৪৪তম প্রেসিডেন্ট হিসেবে শপথ নিলেন তিনি। শপথ বাক্য পাঠ করালেন দেশের প্রধান বিচারপতি জন রবার্টস।

ঋণমুক্ত আমেরিকা গঠনের আশ্বাস দিলেন নবনির্বাচিত প্রেসিডেন্ট

মার্কিন মহারণে জিতে দ্বিতীয়বারের জন্য ওভাল অফিসের মসনদের দখল নিলেন বারাক হুসেইন ওবামা। জয় নিশ্চিত করেই শিকাগো লেকের ধারে ম্যাককর্মিক প্লেসে উচ্ছ্বাসে ফেটে পড়া সমর্থকদের সামনে বক্তব্য রাখেন তিনি। নির্বাচন প্রক্রিয়ায় অংশ নেওয়ার জন্য সকলকে অভিনন্দন জানান তিনি। তিনি বলেন, "যাঁরা ভোটে অংশ নিয়েছেন সেই সব আমেরিকাবাসীকে আমি ধন্যবাদ জানাই।"

দ্বিতীয়বার ওভাল অফিসে ওবামা

সাফল্য আর ব্যর্থতা। ঝুলিতে দুইই ছিল। তাই নিয়েই দ্বিতীয়বারের জন্য ভোটযুদ্ধে নেমেছিলেন ডেমোক্র্যাট প্রার্থী বারাক ওবামা। বুধবার তিনি দেখিয়ে দিলেন, যে হ্যাঁ, তিনিই পারেন! প্রাক্ নির্বাচনী সমীক্ষায় উঠে এসেছিল হাড্ডাহাড্ডি লড়াইয়ের ইঙ্গিত। কিন্তু সেই পূর্বাভাসকে ভুল প্রমাণিত করে মার্কিন নাগরিকরা কৃষ্ণাঙ্গ প্রেসিডেন্টের ওপরেই আস্থা রাখলেন। ফলাফল থেকে পরিষ্কার, সঙ্কট জর্জরিত আমেরিকাতে এই মুহূর্তে ভরসা তিনিই।

মার্কিন মহারণ: জটিলতার টাই ভোট

প্রেসিডেন্ট মিট রোমনি। ভাইস প্রেসিডেন্ট জোসেফ বিডেন। প্রথমজন রিপাবলিকান। অন্যজন ডেমোক্র্যাট। কেমন হবে সেই যুগলবন্দি? ভাবতে অবাক লাগছে তো? ভাবছেন এমনটা আবার হয় নাকি? মার্কিন রাজনৈতিক বিশেষজ্ঞরা কিন্তু বলছেন, সম্ভব। ইলেক্টরাল কলেজ ভোটের ফল টাই হলে, ঘটতে পারে এমনই আশ্চর্য ঘটনা।

মার্কিন মহারণ: মধ্যরাতে নিউ হ্যাম্পশায়ারে শুরু হল ভোটগ্রহণ

আর মাত্র কয়েক ঘন্টার অপেক্ষা। উদ্যোগ পর্ব প্রায় শেষ। জল্পনা কল্পনা শেষে হোয়াইট হাউস দখলের যুদ্ধপর্ব শুরু। ভারতীয় সময় মঙ্গলবার বিকেল সাড়ে চারটেয় আমেরিকায় প্রেসিডেন্ট নির্বাচনের ভোটগ্রহণ শুরু হবে ইস্টার্ন টাইম জোনে। প্রতিবারের রীতি মেনে এবারও প্রথম ভোটগ্রহণ হবে নিউ হ্যাম্পশায়ারের ডিক্সভিলনচে। প্রচারের স্লগ ওভারে আদাজল খেয়ে লেগে রয়েছেন বারাক ওবামা ও মিট রমনি। তবে এই মুহূর্তে তাঁদের পাখির চোখ সেই সব প্রদেশের প্রচারে যেখানে ভোটের আগের সমীক্ষায় একক ভাবে সংখ্যাগরিষ্ঠতা পাননি যুযুধান দু'পক্ষের কেউই। অর্থাৎ সুইং স্টেটসগুলোতে।

মার্কিন মহারণ: প্রেসিডেন্ট নির্বাচন পদ্ধতি

ভারতের মতো আমেরিকাতেও ১৮ বছর বয়স হলে ভোট দেওয়ার অধিকার মেলে। প্রতি চার বছর অন্তর প্রেসিডেন্ট নির্বাচন হয়। তাও আবার একটি নির্দিষ্ট দিনে। প্রতিবারই নভেম্বরের প্রথম মঙ্গলবার ভোটগ্রহণ হয়। জয়ী প্রার্থীর প্রেসিডেন্ট হিসেবে শপথ নেওয়ার দিনটাও নির্দিষ্ট। সেটা হল ২০ জানুয়ারি। গোটা নির্বাচন প্রক্রিয়ায় এই দুটি দিনের নড়চড় হয় না।

মার্কিন রাষ্ট্রপতি নির্বাচন, গুরুত্বপূর্ণ ভূমিকায় ল্যাটিনো ভোট

মার্কিন প্রেসিডেন্ট নির্বাচনে প্রচারযুদ্ধের পারদ যত চড়ছে, ততই গুরুত্বপূর্ণ হয়ে উঠছেন ল্যাটিনো ভোটাররা। মার্কিন জনসংখ্যার একটা বড় অংশ এই ল্যাটিনো সম্প্রদায়ের সমর্থন যেকোনও প্রেসিডেন্ট পদপ্রার্থীর কাছেই গুরুত্বপূর্ণ। ফলে প্রচারের শেষ বেলায় এই সম্প্রদায়ের মানুষের মত পেতে মরিয়া বারাক ওবামা এবং মিট রমনি, দুজনেই। কিন্তু ল্যাটিনোরা কি বলছেন? এই সম্প্রদায়ের একটা বড় অংশের সমর্থন বারাক ওবামার দিকে থাকলেও, সম্প্রতি ওবামার বেশ কিছু নীতি নিয়ে প্রশ্ন তুলছেন তারা।

কৃষ্ণাঙ্গ ভোট পাবেন ওবামাই, বলছে সমীক্ষা

২০০৮-এর প্রেসিডেন্ট নির্বাচনে বারাক ওবামার প্রাপ্ত মোট ভোটের ৯৫ শতাংশই ছিল অ্যাফ্রো-আমেরিকান নাগরিকদের ভোট। সেই সময় আমেরিকায় কৃষ্ণাঙ্গ বেকারের সংখ্যা অপেক্ষাকৃত কম ছিল। কিন্তু বারাক ওবামার শাসনকালে গত তিন বছরে সেই সংখ্যাটা অনেকটাই বেড়েছে। পাল্লা দিয়ে কমেছে মধ্যবিত্ত মার্কিনিদের রোজগার। তবু এবারের নির্বাচনেও কৃষ্ণাঙ্গ ভোটারদের সমর্থন যে বারাক ওবামাই পাবেন, সেবিষয়ে অনেকটাই নিশ্চিত বিশেষজ্ঞমহল।

স্যান্ডি কাটিয়ে ফের ভোট ময়দানে ওবামা-রমনি

ঘূর্ণিঝড় স্যান্ডির কারণে তিন দিন বন্ধ থাকার পর ফের নির্বাচনী প্রচারে যোগ দিয়েছেন মার্কিন প্রেসিডেন্ট বারাক ওবামা। প্রচার শুরু করেছেন তাঁর ঘাড়ে নিশ্বাস ফেলা প্রতিদ্বন্দ্বী রিপাব্লিকান প্রার্থী মিট রোমনিও। ভোটের চূড়ান্ত পরীক্ষার আগে ওবামা ও রমনি দুজনকেই নতুন পরীক্ষার মুখে ঠেলে দিয়েছে স্যান্ডি। দুর্গত মানুষের সাহায্যে কারা কতটা ভূমিকা রাখতে পারে, শুরু হয়েছে তার প্রতিযোগিতা।

প্রচারযুদ্ধে সরগরম আমেরিকা

প্রকাশ্য বিতর্কসভায় প্রতিদ্বন্দ্বীর কাছে ধাক্কা খাওয়ার পর ফের লস এঞ্জেলসে ভোটারদের মুখোমুখি হলেন বারাক ওবামা। ডেনভারে মিট রমনির কাছে নাস্তানাবুদ হওয়ার কথা স্বীকার করে নিয়েই রিপাবলিকান চ্যালেঞ্জারের আর্থিক নীতির সমালোচনায় সরব হলেন তিনি। অন্যদিকে, ফ্লোরিডায় নিজের প্রচারে কর্মসংস্থান, স্বাস্থ্য বিমার প্রসঙ্গ তুলে ওবামার বিরুদ্ধে তোপ দাগলেন রমনি।