মাধ্যমিকে এবারও কলকাতাকে টেক্কা দিল জেলা, রাজ্যে সেরা কামারপুকুরের অর্ণব

মাধ্যমিকে এবারও কলকাতাকে টেক্কা দিল জেলা। ছশো বিরাশি পেয়ে প্রথম কামারপুকুর আর কে মিশনের অর্ণব মল্লিক। ছশো একাশি পেয়ে দ্বিতীয় কাটোয়া কাশীরাম ইনস্টিটিউশনের অনিরুদ্ধ সরকার। ছশো আশি পেয়ে যুগ্মভাবে তৃতীয় প্রীতম দাস এবং বীথি মণ্ডল। বসিরহাটের বিথী মণ্ডলই এবারে রাজ্যে মেয়েদের মধ্যে প্রথম।ফের জেলার জয়জয়কার মাধ্যমিকে। বৃহস্পতিবার ফল বেরোনোর পরই দেখা গেল প্রথম তিনটি স্থানেই রয়েছেন বিভিন্ন জেলার ছাত্র ছাত্রীরা। মেধা তালিকার শীর্ষে কামারপুর রাম কৃষ্ণমিশনের ছাত্র অর্ণব মল্লিক। প্রাপ্ত নম্বর ছশো বিরাশি।

ছশো একাশি নম্বর পেয়ে তালিকার দ্বিতীয় স্থানে কাটোয়া কাশীরাম ইনস্টিটিউশনের অনিরুদ্ধ সরকার।

যুগ্মভাবে তৃতীয় স্থানে ইসলামপুর হাইস্কুলের প্রীতম দাস এবং বসিরহাট হরিমোহন দালাল হাইস্কুলের ছাত্রী বীথি মণ্ডল। বীথিই এবার রাজ্যে মেয়েদের মধ্যে প্রথম।

মেধা তালিকায় কলকাতার প্রথম দেখা মিলেছে ষষ্ঠ স্থানে। মোট নজন ছাত্র ছাত্রীর সঙ্গে সম্ভাব্য ষষ্ঠ স্থানে নাম রয়েছে নব নালন্দা হাইস্কুলের অর্ঘ্য মাইতির।

নবম স্থানে রয়েছে কলকাতার আরও দুই ছাত্র স্বাগতম হালদার এবং স্কটিশ চার্চের মৌসম দত্ত। দশম স্থানে জায়গা পেয়েছে নব নালন্দা হাইস্কুলের আরও এক ছাত্র অরিত্র পাল। সব মিলে এবারে দশম স্থান পর্যন্ত মোট চুয়ান্ন জনের মধ্যে কলকাতার ছাত্রছাত্রীর সংখ্যা মাত্র চার।

বিনিয়োগ টানতে পিছিয়ে পশ্চিমবঙ্গ, বলছে স্বশাসিত সংস্থার রিপোর্ট

বিনিয়োগ টানায় অনেকটাই পিছিয়ে পশ্চিমবঙ্গ। একথা বলছে কেন্দ্রীয় বাণিজ্য মন্ত্রকের এক স্বশাসিত সংস্থার রিপোর্ট। তথ্য অনুযায়ী, সারা দেশে বিনিয়োগ প্রস্তাবের নিরিখে অন্যান্য বড় রাজ্যগুলির চেয়ে পশ্চিমবঙ্গ অনেক পিছনে। শুধু টাকার অঙ্কেই নয়, প্রস্তাব-প্রাপ্তির সংখ্যার বিচারেও রাজ্য পিছনের সারিতে।         বিনিয়োগ টানার লক্ষ্যে রাজ্যে রাজনৈতিক স্থিতিশীলতার যুক্তি তুলে ধরছেন মুখ্যমন্ত্রী। বলছেন, হাজার হাজার কোটির বিনিয়োগ আসছে রাজ্যে। কিন্তু কেন্দ্রের বাণিজ্য মন্ত্রকের স্বশাসিত সংস্থা "ইন্ডাস্ট্রিয়াল পলিসি অ্যান্ড প্রমোশন" বিভাগের পরিসংখ্যান অনুযায়ী ছবিটা কিন্তু পুরোপুরি উল্টো। ২০১৩-২০১৪ আর্থিক বছরের প্রথম পাঁচ মাসে দেশের অন্যান্য বড় রাজ্যগুলির তুলনায় শিল্পে বিনিয়োগ প্রস্তাবের প্রায় কিছুই পায়নি পশ্চিমবঙ্গ। কেন্দ্রের রিপোর্ট থেকে জানা যাচ্ছে,

বন্যা পরিস্থিতি খতিয়ে দেখতে গোপীবল্লভপুরে মমতা, মুখ্যমন্ত্রীর নালিশের জেরে জল ছাড়ার পরিমাণ কমাল ডিভিসি

বন্যা পরিস্থিতি খতিয়ে দেখতে গোপীবল্লভপুর পৌঁছে গিয়েছেন মুখ্যমন্ত্রী। শুরু হয়েছে ত্রাণ বিলির কাজ। বন্যায় ক্ষতিগ্রস্ত বাড়ি পুনর্গঠনের জন্য পনেরো হাজার টাকা আর্থিক সাহায্যের কথা ঘোষণা করেছেন তিনি। বিডিওদের বাড়ি বাড়ি গিয়ে পরিস্থিতি খতিয়ে দেখার নির্দেশ দিয়েছেন মুখ্যমন্ত্রী। তিনি বিডিওদের ব্লক ছেড়ে না যাওয়ার নির্দেশও দিয়েছেন। আজ  দাঁতন ও নয়াগ্রামেও যেতে পারেন মুখ্যমন্ত্রী। গতকাল রাতেই ঝাড়গ্রাম পৌঁছন মমতা বন্দ্যোপাধ্যায়। মুখ্যমন্ত্রীর নিরাপত্তা নিয়ে আজ যথেষ্টই সতর্ক প্রশাসন। পশ্চিম মেদিনীপুরের পাশাপাশি পূর্ব মেদিনীপুরেও বন্যাদুর্গত এলাকা পরিদর্শনে যেতে পারেন তিনি। ত্রাণ পরিষেবা নিয়ে বৈঠক করতে পারেন জেলা প্রশাসনের কর্তাদের সঙ্গে।