২০০২ গুজরাত দাঙ্গা: জাকিয়া জাফরির আবেদনের ভিত্তিতে নরেন্দ্র মোদীকে ক্লিনচিট দেওয়া নিয়ে আজ রায় শোনাবে আদালত

লোকসভা নির্বাচনের আগে আজ নরেন্দ্র মোদীর সামনে অগ্নিপরীক্ষা। জাকিয়া জাফরির পিটিশনের ভিত্তিতে আজ তাঁর বিরুদ্ধে বন্ধ হওয়া গুজরাত দাঙ্গা সংক্রান্ত মামলা পূণর্বার চালু হবে কী না, সেই সংক্রান্ত রায় দেবে আহমেদাবাদের ম্যাজিস্ট্রেট আদালত। এর আগে বিশেষ তদন্তকারী দলের রিপোর্টের ভিত্তিতে আদালত ২০০২ গুজরাত দাঙ্গায় জড়িত থাকার অভিযোগ থেকে মোদী সহ ৫৯ জনকে ক্লিনচিট দিয়েছিল।

মোদীর বিরুদ্ধে মামলার সুপারিশ আদালত বান্ধব রামচন্দ্রনের

গুজরাট সরকার এবং সুপ্রিম কোর্ট নিযুক্ত সিট-এর তরফে আপত্তি তোলা হয়েছিল। কিন্তু তা উপেক্ষা করেই গোধরা পরবর্তী দাঙ্গাপর্বের গুলবার্গ সোসাইটি গণহত্যাকাণ্ডের সিট-রিপোর্ট জাকিয়া জাফরির হাতে তুলে দিল আমদাবাদ মেট্রোপলিটন আদালত। মুখ্যমন্ত্রী নরেন্দ্র মোদী-সহ মোট ৫৮ জন অভিযুক্তকেই ক্লিনচিট দেওয়া এই রিপোর্ট নিয়ে আগামী ১০ মে শুনানি হবে আদালতে।

গুলবার্গ গণহত্যা, সিট রিপোর্টে ক্লিনচিট মোদীকে

গত দু`মাস ধরেই বিষয়টি নিয়ে জল্পনা চলছিল তামাম গুজরাটের মিডিয়ায়। মঙ্গলবার তাতে আইনি শিলমোহর দিলেন আমদাবাদের মেট্রোপলিটন ম্যাজিস্ট্রট এম এস ভাট। বিচারক ভাট জানিয়ে দিলেন, মুখ্যমন্ত্রী নরেন্দ্র মোদীর বিরুদ্ধে গুলবার্গকাণ্ডে মদত দেওয়ার কোনও প্রমাণ নেই এই রিপোর্টে।

আদালত অবমাননা, সিট-রিপোর্ট: জোড়া রায়ে অস্বস্তিতে মোদী

গুলবার্গ সোসাইটি গণহত্যাকাণ্ড নিয়ে `সিট`-এর রিপোর্ট প্রকাশ ঘিরে আইনি বিতর্কের মধ্যেই নতুন করে অস্বস্তিতে পড়লেন গুজরাটের মুখ্যমন্ত্রী নরেন্দ্র মোদী।

গুলবার্গ গণহত্যা রিপোর্ট প্রকাশে অনিচ্ছুক `সিট`

গুলবার্গ গণহত্যার তদন্ত রিপোর্ট এবং আনুষঙ্গিক নথিপত্র কোনও ব্যক্তি বা প্রতিষ্ঠানের হাতে তুলে দেওয়ার ক্ষেত্রে আপত্তি তুলল বিশেষ তদন্তকারী দল (সিট)। ২০০২ সালের গোধরা পরবর্তী গুজরাত দাঙ্গার বিভিন্ন ঘটনার তদন্তে সুপ্রিম কোর্ট নিযুক্ত সিট-এর তরফে এদিন আমদাবাদের মেট্রোপলিটন ম্যাজিস্ট্রেটের এজলাসে এই `অবস্থান` স্পষ্ট করা হয়েছে।

গুলবার্গ গণহত্যা রিপোর্ট, মোদীকে নিষ্কৃতি ঘিরে বিতর্ক

গোধরা পরবর্তী দাঙ্গার সময় তাঁর সরকারের ভূমিকা নিয়ে বুধবার কড়া সমালোচনা করেছিল গুজরাত হাইকোর্ট। কিন্তু ২০০২ সালের দাঙ্গাপর্বের গুলবার্গ সোসাইটি গণহত্যাকাণ্ড নিয়ে বিশেষ তদন্তকারী দল (সিট)-এর রিপোর্ট স্বস্তি দিল নরেন্দ্রভাই দামোদরদাস মোদীকে।