স্বাগত ১৪২০

উনিশের চৌকাঠ টপকিয়ে আজ বাংলা চোদ্দশ সাল কুড়ির দোরগোড়া ছুঁল। সদ্য তারুণ্যের উচ্ছলতায় ভরপুর ১৪২০। গত বছরের জীর্ণ-পুরাতনকে ভাসিয়ে নতুন করে জীবন শুরু করার বার্তা নিয়ে এল বছরের প্রথম দিন। পয়লা বৈশাখ।

যেখানে ভূতের ভয়

যে তিনটে গল্প নিয়ে সন্দীপ রায় এই ছবি বানালেন, সেগুলো অনেকেরই ফেলে আসা সোনালি কৈশোরের বড় আদরের বন্ধু ছিল। গত বছর অনীক দত্ত যেভাবে বাঙালিমানসে ভূতগুলোকে অকৃত্রিম ঠাঁই দিয়েছিলেন, তারপর থেকেই বাংলা সিনেমায় ভূতের উপস্থিতি আছে শুনলেই নিজের অজান্তেই মনটা কীরকম ভাল-ভাল হয়ে ওঠে।

দুই বাংলাকে এক করার আবেদন ঋতুপর্ণর

তাঁর হাত ধরেই নতুন উচ্চতায় পৌঁছেছে সমকালীন বাংলা ছবি। এবার সেই বাংলা ছবির উন্নতির খাতিরেই ভারত-বাংলাদেশ যৌথ মঞ্চ তৈরির আবেদন করলেন জাতীয় পুরস্কার প্রাপ্ত পরিচালক ঋতুপর্ণ ঘোষ।

ভাইয়ের মঙ্গল কামনায় রাজ্য জুড়ে পালিত ভাইফোঁটা

আজ ভাইফোঁটা। ভাই-বোনের চিরন্তন মধুর সম্পর্ক উদ্বযাপনের ভালবাসার উৎসব। বছরের বাকি দিন গুলোর খুনসুটি, ঝগড়া, অকারণ হিসাবনিকাস আজ কুঠুরিতে তালা বন্দী। শহর,শহরতলীর সীমানা ছাড়িয়ে গ্রাম-গঞ্জ- গোটা রাজ্যেই ভ্রাতৃদ্বীতিয়ায় ব্যস্ত সবাই। বাঙালির সব থেকে লম্বা উৎসব মরসুমের আজ শেষ দিন। আরও একবার সেই রুটিনে বাঁধা অনুজ্জ্বল যান্ত্রিক জীবনে ফিরে যাওয়ার আগে উৎসবের আনন্দেকে চেটেপুটে উপভোগ করতে ভীষণ ব্যস্ত সবাই।

সপ্তমীর জোয়ারে ভেসে মহানগরে জনসমুদ্র

শাস্ত্র মানলে পুজোর শুরু আজ সপ্তমী থেকেই। রবিবার দিনের শুরুটা হয়েছিল নবপত্রিকাস্নান আর প্রাণ প্রতিষ্ঠা করে। এরপর সব আচার নিষ্ঠাভরে পালন করে বাঙালি এখন প্যান্ডেলমুখি।
আর তাই একডালিয়া এভারগ্রিন থেকে সুরুচি সংঘ। বাগবাজার থেকে শোভাবাজার। বেহালা থেকে বড়িশা। খিদিরপুর থেকে মোমিনপুর। সব জায়াগায় এক ছবি। চিন্তা-উদ্বেগ দূরে সরিয়ে রেখে বাঙালি গা ভাসিয়েছে সপ্তমীর জোয়ারে।

কেসর শ্রীখণ্ডে স্ট্রবেরি

শ্রীখণ্ডে মিশে আছে ভারতের উত্তুরে হাওয়া। কেসর গন্ধে তাতেই আসে মুঘল সাম্রাজ্যের আস্বাদ। শেষ পাতে শ্রীখণ্ড সাংঘাতিক স্বাবলম্বী। তবে স্ট্রবেরি সঙ্গে মিশলে যে ফিউশন প্যাশন তৈরি হয় তাতে কন্টিনেন্ট্যাল ডিনারকে অবলীলায় মধুরেণ সমাপয়েত করে তোলে।

সঙ্কটে বাঙালির ব্রেকফাস্ট

দক্ষিণ কলকাতার বিস্তীর্ণ এলাকায় বন্ধ হয়ে গেল পাউরুটি সরবরাহ। সোমবার থেকে থেকে অনির্দিষ্ট কালের জন্য ধর্মঘটে যাওয়ার সিদ্ধান্ত নিয়েছেন পাউরুটি সরবরাহকারী শ্রমিকরা। কিন্তু কমিশন বাড়ানোর দাবিতে তাই ধর্মঘটের সিদ্ধান্ত নিয়েছেন তাঁরা।

জন্মদিনে মহানায়ক

আরও একবার এল ৩ সেপ্টেম্বর। মহানায়ক উত্তম কুমারের আরো একটা জন্মদিন। ৩১ বছর হল বাংলা ছবি হারিয়েছে তার মহানায়ককে। তবুও আজও উত্তমকুমারে আটকে গোটা বাঙলা। রোমান্টিক উত্তম সর্বকালের সেরা। তাঁর তাকানো, কথা বলা, হাসি, সবমিলিয়ে চুম্বকের মতো ছিল তাঁর ব্যক্তিত্ব।

আনন্দ সম্মান পেলেন কবি পিনাকী ঠাকুর

`আনন্দ সম্মান ১৪১৮` পুরস্কার পেলেন বিশিষ্ট কবি পিনাকী ঠাকুর। `চুম্বনের ক্ষত` কাব্যগ্রন্থের জন্য এই সম্মান পেলেন তিনি। বৃহস্পতিবার এক অনুষ্ঠানে কবির হাতে `আনন্দ সম্মান` পুরস্কার তুলে দেন অভিনেতা সৌমিত্র চট্টোপাধ্যায়। উপস্থিত ছিলেন বিশিষ্ট সাহিত্যিক সুনীল গঙ্গোপাধ্যায়ও।