লাভপুর হত্যাকাণ্ডের চার্জশিটে এবারও ছাড় মণিরুলকে, বিতর্কের মাঝেই আজ মামলার শুনানি

লাভপুর হত্যাকাণ্ডে ছাড় পেয়ে গেলেন মূল অভিযুক্ত তৃণমূল কংগ্রেস বিধায়ক মণিরুল ইসলাম। আদালতে জমা পড়া দ্বিতীয় চার্জশিটেও নাম নেই অভিযুক্ত বিধায়কের। সেজন্যই মামলা থেকে অব্যাহতি পেয়েছেন তিনি। অথচ প্রকাশ্য সভায় নিজে মুখেই তিনজনকে মেরে ফেলার কথা স্বীকার করেছিলেন মণিরুল ইসলাম। দু -দুবার চার্জশিট হলেও কেন মণিরুল ইসলামের নাম বাদ পড়ল তানিয়েই উঠছে প্রশ্ন। দুহাজার দশে লাভপুরের দ্বারকায় পিটিয়ে মারা হয়েছিল সিপিআইএম সমর্থক তিন ভাই ধানু, কুটুন ও ওইজুদ্দিন শেখকে। তিনজনকে পায়ে পিষে মারার কথা জনসভায় সদম্ভে ঘোষণা করেছিলেন তৃণমূল কংগ্রেস বিধায়ক মণিরুল ইসলাম।

হৃদরোগে মৃত্যু হল কামদুনির নির্যাতিতার কাকার, অন্যতম সাক্ষীর আকস্মিক মৃত্যুতে সংশয়ে কামদুনি মামলা

ধাক্কা খেল কামদুনি মামলা। হৃদরোগে আক্রান্ত হয়ে মৃত্যু হল কামদুনিকাণ্ডের মূল সাক্ষীর। গতকাল রাতে বুকে ব্যাথা নিয়ে আরজিকর হাসপাতালে ভর্তি হবার পর আজ ভোরে মৃত্যু হয় তাঁর। চিকিতসায় গাফিলতির অভিযোগ তুলেছে মৃতের পরিবার। হাসপাতাল চত্বরে দীর্ঘক্ষণ বিক্ষোভও দেখান তাঁরা। ঘটনার তদন্তের আশ্বাস দিয়েছেন হাসপাতাল সুপার।  অন্যদিকে অন্যতম সাক্ষীর মৃত্যু কামদুনি মামলায় কতটা প্রভাব ফেলবে? দোষীদের শাস্তি দিতে সমস্যা হবে কি? দীর্ঘায়িত হতে পারে কি বিচারপ্রক্রিয়া? শুরু হয়েছে জল্পনা। আটবিঘার যে জায়গায় ধর্ষণ ও খুনের ঘটনা ঘটেছিল, নির্যাতিতাকে সেই পথে শেষ যেতে দেখেছিলেন তাঁর কাকাই আদালতে কামদুনি মামলা চলছে পারিপার্শ্বিক তথ্যপ্রমাণের ভিত্তিতে। এই পরিস্থিতিতে মূল সাক্ষীর মৃত্যু সত্য উদঘাটনে পথ কঠিন করে দেবে বলেই মনে করছেন আইনজীবীদের একাংশ।