মিসেস সেন -উত্তম কুমার জুটি, ম্যাজিক-সম্মোহনের রুপোলি রূপকথা

শুরুটা হয়েছিল ১৯৫২ সালে। নির্মল দের পরিচালনায় সাড়ে চুয়াত্তরের হাত ধরে। বাংলা সিনেমায় এক অবিস্মরণীয় রোম্যান্টিক জুটির উত্থানের সাক্ষী থেকেছিলেন দর্শকরা। উত্তম-সুচিত্রা জুটি। রুপোলী পর্দায় চির প্রেমিক বাঙালির রোম্যান্টিসিজম ভাষা খুঁজে পেল এই জুড়ির হাত ধরে। আর তারপর? তারপরটা ইতিহাস। সোনায় মোড়া সেই ইতিহাস। `৫০, `৬০-এর দশকে পর্দা জুড়ে থাকা সেই জুটির আবেদন কয়েক প্রজন্ম পড়ে একই রকম। এই জুটির জনপ্রিয়তার তুলনা শুধু তাঁরা দু`জনেই। এখনও পর্যন্ত যে জনপ্রিয়তা আর স্টারডাম-এর এই জুটিকে কেন্দ্র করে তৈরি হয়েছিল তার আসে পাশেও পৌঁছাতে পারেনি কেউই।

আরও সঙ্কটে সুচিত্রা, দেখে এলেন মুখ্যমন্ত্রী

প্রতিদিনের মতো এদিনও সন্ধেবেলা বেলভিউতে গিয়ে সুচিত্রা সেনকে দেখে এলেন মুখ্যমন্ত্রী মমতা বন্দ্যোপাধ্যায়। বিকেল গড়াতেই সঙ্কট বেড়েছে বলে জানানো হয়েছে মেডিক্যাল বুলেটিনে। খুলে ফেলা হল এন্ডোট্র্যাকিয়াল টিউব। আজ দুপুরে বৈঠকে বসে মেডিক্যাল টিম। ডেকে পাঠানো হয় সুচিত্রা সেনের পরিবারকে। তারপরই পরিবারের সম্মতিতে এন্ডোট্র্যাকিয়াল টিউব খুলে ফেলার গুরুত্বপূর্ণ সিদ্ধান্ত নেন চিকিত্‍সকরা। ওই টিউবের মাধ্যমে ফুসফুসের অক্সিজেন নিয়ন্ত্রণ করা হচ্ছিল। চিকিত্‍সক সুব্রত মৈত্র জানান টিউবটির কাজের মেয়াদ ফুরিয়েছে। তাই এই সিদ্ধান্ত। রবিবার থেকে টানা উদ্বেগ। কখনও সুচিত্রা সেনের শারীরিক অবস্থা স্থিতিশীল হয়েছে। তো কখনও সঙ্কট গভীর হয়েছে।

স্থিতিশীল হলেও এখনও সঙ্কট মুক্ত নন সুচিত্রা সেন

সঙ্কট জনক হলেও কিছুটা স্থিতিশীল সুচিত্রা সেন। তাঁর হৃদস্পন্দন ওঠানামা করছে। খোলা হয়েছে এন্ডোট্র্যাকিয়াল টিউব। টিউব ছাড়াই তিনি এখন শ্বাস নিচ্ছেন। পরিবারের সম্মতিতেই খোলা হয়েছে এই টিউব।

আজ সকালে গভীর সঙ্কটে চলে যান মহানায়িকা। গতকাল গভীর রাতে শ্বাসকষ্ট শুরু হয় তাঁর। ইশারায় বুকে ব্যথার কথা জানান সুচিত্রা সেন। মহানায়িকার শ্বাসকষ্ট হচ্ছে অনুমান করে ছুটে আসেন চিকিত্সকেরা। এন্ডোট্র্যাকিয়াল টিউবের সাহায্যে অক্সিজেন চলছে তাঁর। তা সত্বেও কেন তাঁর শ্বাসকষ্ট, তা নিয়ে উদ্বিগ্ন চিকিত্সকেরা। রক্তে অক্সিজেন ও কার্বন ডাই অক্সাইডের মাত্রা কত, তা দেখতে আজ সুচিত্রা সেনের ব্লাড গ্যাস পরীক্ষা করা হয়। এরপরই এন্ডোট্র্যাকিয়াল টিউব খোলার বিষয়ে সিদ্ধান্ত নেন চিকিত্সকেরা।