বছর পেরিয়ে এখনও ভূমিকম্পের আতঙ্কে ঘুম ভাঙে নেপালবাসীর বছর পেরিয়ে এখনও ভূমিকম্পের আতঙ্কে ঘুম ভাঙে নেপালবাসীর

দেখতে দেখতে একটা বছর কেটে গেল নেপালের ভয়ঙ্কর ভূমিকম্পের। কিন্তু সেই আতঙ্কের স্মৃতি যেন এখনও তাড়া করে বেড়াচ্ছে দুর্ঘটনায় আক্রান্ত মানুষগুলোকে। নেপালের সেই ভয়াবহ প্রাকৃতিক দুর্যোগের ফলে এখনও বহু মানুষ ঘর ছাড়া। প্রাণ বাঁচিয়ে রেখেছেন সাময়িক তাঁবুতে। কখন আবার ভূমিকম্পের ফলে এলোমেলো হয়ে যাবে তাঁদের জীবন, সেই আশঙ্কাই করছেন সারাক্ষণ মনে মনে। চোখ বন্ধ করলেই দেখতে পাচ্ছেন দুর্যোগের ভয়াবহ দৃশ্যগুলো। কীভাবে হাজার খানেক মানুষ প্রাণ হারিয়েছিলেন। কীভাবে হুড়মুড় করে ভেঙে পড়েছিল বহু ঘর বাড়ি প্রাসাদ। তাই বছর ঘুরে গেলেও দুর্ঘটনার কবলে পড়া মানুষগুলোর মন ঘোরেনি এখনও।

১১ মিনিটের ব্যবধানে পরপর ২ বার ভয়ঙ্কর মাত্রার কম্পন ইকুয়েডরে ১১ মিনিটের ব্যবধানে পরপর ২ বার ভয়ঙ্কর মাত্রার কম্পন ইকুয়েডরে

জাপানে ভূমিকম্পের রেশ এখনও কাটেনি। সেই ধাক্কা সামলানোর আগেই ফের ভূমিকম্পের খবর। এবার ইকুয়েডরে। ১১ মিনিটের ব্যবধানে পরপর ২ বার ভয়ঙ্কর মাত্রার কম্পন। প্রথমটি রিখটার স্কেলে ৪.৮ এবং দ্বিতীয়টি আরও ভয়ঙ্কর। রিখটার স্কেলে কম্পনের মাত্রা ধরা পড়েছে ৭.৮। ভূমিকম্পের পরপরই স্থানীয় উপকূল এলাকায় সুনামি সতর্কতা জারি করা হয়েছে। রাজধানী কুইটোতে প্রবলভাবে কম্পন অনুভূত হয়েছে বলে খবর। তবে ক্ষয়ক্ষতির ছবি কেমন, তা এখনও স্পষ্ট নয়। কম্পন অনুভূত হয়েছে উত্তর পেরুতেও। অসংখ্য বাড়ি মাটিতে মিশে গেছে। বহু লোক ধ্বংসস্তূপের নিচে আটকে রয়েছে বলে মনে করছে প্রশাসন। এখনো পর্যন্ত মৃতের সংখ্যা ২৮ জন।

ভূমিকম্পের জেরে আহত হয়েছেন তিনজন ভূমিকম্পের জেরে আহত হয়েছেন তিনজন

মাত্র কয়েক সেকেন্ডের ব্যবধান। তার মধ্যেই পরপর দুবার ভূমিকম্পে কেঁপে উঠল কলকাতার পায়ের তলার মাটি। রিখটার স্কেলে কম্পনের তীব্রতা ছিল  ছয় দশমিক আট।  সন্ধ্যে সাতটা তেইশ মিনিটে প্রথম কম্পন ধরা পড়ে।  মাটি কেঁপে ওঠার পরেই আতঙ্কে রাস্তায় নেমে আসেন কলকাতার লোকজন। খালি করে দেওয়া হয় সেক্টর ফাইভের বহুতলগুলি। রাস্তায় নামিয়ে আনা হয় কর্মীদের। বন্ধ করে দেওয়া শহরের মেট্রো পরিষেবা। সাতটা সাতাশ  থেকে সাতটা তেত্রিশ পর্যন্ত মিনিট ছয়েক সম্পূর্ণ বন্ধ করে দেওয়া হয় মেট্রো পরিষেবা। তারপর মেট্রোর গতি নিয়ন্ত্রিত করে দেওয়া হয়।শুধু কলকাতাই নয়, ভূমিকম্প অনুভূত হয় জেলাগুলিতেও।