বাঁকুড়ার শুশুনিয়া পাহাড় সংলগ্ন এলাকায় ঢুকে পড়ল ২২ টি হাতি বাঁকুড়ার শুশুনিয়া পাহাড় সংলগ্ন এলাকায় ঢুকে পড়ল ২২ টি হাতি

ভরা পর্যটন মরসুমে বাঁকুড়ার শুশুনিয়া পাহাড় সংলগ্ন এলাকায় ঢুকে পড়ল বাইশটি হাতি। কিন্তু হাতির দলকে তাড়াতে বনকর্মীদের কাছে নেই প্রয়োজনীয় সরঞ্জাম। দিনভর হাতির গতিবিধির ওপর নজর রাখা ছাড়া কোনও ভূমিকা ছিল না বনকর্মীদের। হাতির দলের তাণ্ডবে আতঙ্কিত এলাকার মানুষ। বাঁকুড়াসহ দক্ষিণবঙ্গের পর্যটনকেন্দ্রগুলির অন্যতম শুশুনিয়া পাহাড়। ভরা মরসুমে প্রতিদিনই হাজার হাজার পর্যটক ভিড় জমাচ্ছেন এখানে। আর এই খুশির আমেজ বদলে গেল রবিবার রাতে। বনদফতর সূত্রে খবর, গঙ্গাজল ঘাটির জঙ্গল থেকে বেরিয়ে শুশুনিয়া পাহাড় সংলগ্ন শুশুনিয়া, চাঁদরা, শিউলিবনা, নতুন গ্রাম এলাকায় অবস্থান করছে বাইশটি হাতি। রাতভর তাণ্ডবের পর এলাকাবাসীর তাড়া খেয়ে সোমবার সকালে হাতির দলটি ফিরে যায় নতুন গ্রাম সংলগ্ন শাল বাগানে। দিনভর সেখানেই ছিল হাতিগুলি। সন্ধে নামতেই ফের শুশুনিয়া পাহাড়ের উদ্দেশে রওনা হতে পারে হাতির দলটি।

মালবাজারে হাতির তাণ্ডবে লন্ডভন্ড চা শ্রমিকদের ঘর মালবাজারে হাতির তাণ্ডবে লন্ডভন্ড চা শ্রমিকদের ঘর

মালবাজারের রানিচিরা চা-বাগানের বাস লাইন ও নিউ স্টেশন লাইনে রাতভর তাণ্ডল চালাল কুড়ি-বাইশটি হাতির একটি দল। গতকাল গভীর রাতে ভুট্টাবাড়ি জঙ্গল থেকে হাতির দলটি গ্রামে ঢুকে প্রায় তিন ঘণ্টা তাণ্ডব চালায়। দশটি ঘর ভেঙে তছনছ করে দেয় হাতির দলটি। শ্রমিকদের ঘরের চাল, ডাল, সবজি সাবার করে বাসনপত্র, লেপ-তোষক ও জামাকাপড়ও নষ্ট করে হাতির দল। খবর পেয়ে ঘটনাস্থলে আসেন বনদফতরের কর্মীরা। ভোরে বনদফতরের কর্মীরা হাতির দলটিকে ভুট্টাবাড়ি জঙ্গলে ফেরত পাঠান। ক্ষতিপূরণের দাবি জানিয়েছেন চা-বাগানের শ্রমিকরা। ক্ষতিপূরণের আশ্বাস দিয়েছে বন দফতর।