ডিয়ার পার্কে নতুন অতিথি ৬ বছরের হস্তিশাবক   ডিয়ার পার্কে নতুন অতিথি ৬ বছরের হস্তিশাবক

ঝাড়গ্রাম ডিয়ার পার্কে ফের অতিথি সমাগম। কেশিয়ারির কুসুমপুর গ্রাম থেকে উদ্ধার করে আনা হল ৬ বছরের একটি হস্তিশাবককে। তাকে কুনকি হাতি করা হবে জানিয়েছেন বনকর্তারা। নতুন অতিথি আসার আনন্দ থাকলেও, বারবার হস্তিশাবকের দলছুট হওয়ার ঘটনা বনকর্তাদের কপালে চিন্তার ভাঁজ ফেলেছে। এজন্য ওড়িশা সরকারের নীতিকেই দুষছেন তাঁরা। আগে ঝাড়খণ্ড থেকে আসা হাতির পাল পশ্চিম মেদিনীপুরের নয়াগ্রাম হয়ে ওড়িশায় যেত। কিন্তু, ওড়িশা সরকার হাতি রুখতে ইলেকট্রিক তারের বেড়া দেওয়ায় জঙ্গলে চলাচলের স্বাভাবিক পথ ঘেঁটে গেছে। এছাড়া হালেই একটি হাতির পালকে ওড়িশার জঙ্গল থেকে তাড়িয়ে দিয়েছিল সেরাজ্যের বনবিভাগ। সেই পালটি ফেরার পথেই এই শাবককে ফেলে যায়। ওড়িশা সীমান্ত এলাকার কেশরেখা রেঞ্জের জুগিসোলে এই শাবকটিকে উদ্ধার করা হয়।

২৪ ঘণ্টা পেরিয়েও সন্তানের মৃতদেহ আঁকড়ে ধরে রাখল হাতি মা

পেরিয়ে গেছে চব্বিশটা ঘণ্টা। তবুও সন্তানের মৃতদেহ ছাড়ল না মা হাতি। আগুন জ্বালিয়ে ভয় দেখানো হল। হুলা ছুঁড়ে আতঙ্ক তৈরির চেষ্টা হল। তবু পিছু হঠল না মা। পরম মমতায় আগলে রাখল মৃত সন্তানের দেহ। শেষ পর্যন্ত ব্যর্থ বনকর্মীরাও। সন্তানের মৃতদেহ নিয়েই গভীর জঙ্গলে ফিরে গেল মা। হাতি-মায়ের এমন সন্তানপ্রেমের সাক্ষী থাকলেন বাঁকুড়ার মেজিয়া রেঞ্জের বাঘমারা স্রোত এলাকার বাসিন্দারা। । সময়ের আগেই ভূমিষ্ঠ হয়েছিল সন্তান। শারীরিক দুর্বলতার কারণে জন্মের কিছুক্ষণের মধ্যেই মৃত্যু হয় সদ্যোজাতের। কিন্তু সন্তান বিয়োগের শোক মেনে নিতে পারেনি মা-হাতি। একটানা চব্বিশ ঘণ্টা মৃত সন্তানের দেহ আগলে রাখল মা।