রাজ্যের ঋণ মকুবের আবেদন, ফিকি-কেও পাশে চান মমতা রাজ্যের ঋণ মকুবের আবেদন, ফিকি-কেও পাশে চান মমতা

রাজ্যের ঋণ মকুব ইস্যুতে বরাবর সরব মুখ্যমন্ত্রী। এনিয়ে এবার বণিকসভা ফিকিকেও পাশে দাঁড়ানোর আবেদন জানালেন মুখ্যমন্ত্রী। আজ বণিকসভার এক অনুষ্ঠানে তিনি বলেন, এবিষয়ে সরব হওয়া উচিত ফিকিরও। শিল্পপতিদের উদ্দেশে তাঁর আহ্বান, রাজ্যে আসুন। আরও বিনিয়োগ করুন। জমি কোনও বাধা হবে না। ঋণের সুদ আদায়ের নামে রাজ্যের আয়ের একটা বড় অংশ কেটে নিয়ে যাচ্ছে  কেন্দ্র। ক্ষমতায় আসার পর থেকে বহুবার, বহুক্ষেত্রে এই অভিযোগ করেছেন মুখ্যমন্ত্রী। শুক্রবারও করলেন। বণিকসভা ফিকির এক অনুষ্ঠানে। তবে এই প্রথম শিল্পমহলকে পাশে দাঁড়াতে আবেদন জানালেন মুখ্যমন্ত্রী।

বণিকসভায় 'বোন' মমতার পাশেই মোদী

'পশ্চিমবঙ্গের বর্তমান সরকার উন্নয়নের পথেই চলছে।' নতুন রাজনৈতিক সমীকরণের ইঙ্গিত দিয়ে 'মু-বোলে বহেনের'ই পাশে দাঁড়ালেন গুজরাটের মুখ্যমন্ত্রী নরেন্দ্র মোদী। দক্ষিণেশ্বরে পুজো সেরে বণিকসভায় ভাষণ দিতে গিয়ে কেন্দ্রের বিরুদ্ধে তোপ দাগেন নরেন্দ্র মোদী। পশ্চিমবঙ্গের মুখ্যমন্ত্রী মমতা বন্দ্যোপাধ্যায়ের সুরে সুর মিলিয়ে তিনি বলেন দ্বিতীয় ইউপিএ সরকার অকংগ্রেস রাজ্যগুলির সঙ্গে বিমাতৃসুলভ আচরণ করছে। তাঁর দাবি অটলবিহারী বাজপেয়ীর এনডিএ আমলে পশ্চিমবঙ্গও কেন্দ্রের বিরুদ্ধে বঞ্চনার অভিযোগ আনতে পারেনি। একই সঙ্গে তিনি এ রাজ্যে বাম জমানার সমালোচনা করে বলেন, 'বিগত ৩২ বছরে বাংলায় যে অবক্ষয় হয়েছে তা মেটাতে বহুদিন সময় লাগবে।'

দিল্লিতেও জমি প্রশ্নে অনড় মুখ্যমন্ত্রী

রাজ্যের শিল্পায়নে জমি বড় বাধা হয়ে দাঁড়ালেও রাজ্যের জমিনীতিতে বদল ঘটাতে রাজি নন মুখ্যমন্ত্রী মমতা বন্দ্যোপাধ্যায়। আজ দিল্লিতে মুখ্যমন্ত্রী ফের জানিয়েছেন, জোর করে জমি অধিগ্রহণ করবে না রাজ্য সরকার। সেইসঙ্গে তিনি জানান, কেন্দ্র জমি বিল প্রকাশ্যে আনার পরই নিজেদের জমি বিল নিয়ে এগোবে রাজ্য সরকার। গত দেড় বছরে মুখ্যমন্ত্রী মমতা বন্দ্যোপাধ্যায়ের ডাকে শিল্পপতিরা একাধিকবার তাঁর সঙ্গে দেখা করেছেন। কিন্তু, রাজ্যে এখনও সেভাবে বড় কোনও বিনিয়োগ আসেনি। বিনিয়োগ না আসার অন্যতম কারণ হিসেবে রাজ্য সরকারের জমিনীতিকেই দায়ী করেছে শিল্প মহল। রাজ্যের সিদ্ধান্ত, সরকার জোর করে জমি অধিগ্রহণ করবে না। বিনিয়োগ টানার লক্ষ্যে দিল্লিতে গিয়েও পুরোনো অবস্থানেই অনড় থাকার কথা জানালেন মমতা বন্দ্যোপাধ্যায়।