অঝোর শ্রাবণ, সন্তানের মুখে একমুঠো খাবার তোলার আকাঙ্ক্ষায় নাকাল ফুটপাথের মা

নিম্নচাপের বৃষ্টিতে শহরের যানযন্ত্রণা আর জমা জল নিয়ে চারদিকে সোরগোল। পুরসভাকে শাপ শাপান্ত করতে করতেই হয়তো অনেকের দিন কেটেছে। এর মাঝেই বৃষ্টির রোমান্টিসিজম নিয়ে মাতোয়ারা বহুজন। স্বভাব কবিরাও এতক্ষণে খাতা কলম নিয়ে কবিতায় মজেছেন। তার জ্যান্ত প্রমাণ ফেসবুকের ক্রমাগত স্টেটাস আপডেট। মধ্যবিত্তের হেঁসেলে আজ খিচুড়ির সুগন্ধ। বিকেল হতেই ভিড় জমেছে পাড়ার তেলেভাজার দোকানে। কিন্তু এর মাঝেই কোথায় যেন হারিয়ে গেছেন ওঁরা। শহর কলকাতার ফুটপাথবাসীরা। আসলে তথাকথিত স্বচ্ছল মধ্যবিত্ত বাঙালির দুনিয়ায় ওঁরাতো চিরকাল গুটিকতক গল্প, কবিতার বিষয় হয়েই থেকে গেছেন। সহনাগরিকের মর্যাদাটুকু দেওয়ার প্রয়োজন মনে করেনি শিখিত বাঙালি সমাজ। কিন্তু ওরাও আছেন। খোলা আকাশের নীচে ফুটপাথটুকু আঁকড়ে প্রতিনিয়ত লড়ছেন বাঁচার লড়াই। আজ সারাদিনের অঝোর শ্রাবণ তাঁদের সেই লড়াইকে আরও কয়েকশোগুণ কঠিন করে তুলেছে। ভিজে নেয়ে একাকার হয়েও সন্তানের মুখে একমুঠো খাবার তুলে দিতে গোটা দিন নাকাল হতে হয়েছে ফুটপাতবাসী মায়েদের।

তীব্র শীতে অসহায় দিল্লির পথের সংসার

রাজধানীতে তীব্র শৈত্যপ্রবাহে কাঁপছে গোটা উত্তর ভারত। তাপমাত্রার নিম্নমুখী গ্রাফ ৪৪ বছরের রেকর্ড ভেঙে দিয়েছে। আর এই শীতের দাপটে সবচেয়ে সমস্যায় পড়েছেন

রাজধানীর গৃহহীন মানুষ। সরকারের উদ্যোগে অস্থায়ী তাঁবু থাকলেও, তা যথেষ্ট নয়। এই অবস্থায় দিল্লির রাজপথে প্রবল ঠাণ্ডায় বেঁচে থাকার লড়াই চালিয়ে যাচ্ছেন

তাঁরা।শিব কুমার, রাজু, মোহন, এদের ঠিকানা কেয়ার অফ ফুটপাথ। রাজধানীর ফুটপাথেই লেখা হয় এঁদের রোজনামচা। তবে গত কয়েকদিনে তীব্র শীতের কামড়ে কাবু

রাজধানী দিল্লি। শৈত্যপ্রবাহের জেরে গত চুয়াল্লিশ বছরের রেকর্ড ভেঙেছে নিম্নমুখী তাপমাত্রা।  এখন তাই ঠাণ্ডার সঙ্গে পাঞ্জা কষে বেঁচে থাকার লড়াইয়ে সামিল রাজু,

মোহনরা। 

Live Streaming of Lalbaugcha Raja