কোচবিহারের দিনাহাটায় রমরমিয়ে চলছে গাজা চাষ

কোচবিহারের দিনাহাটায় রমরমিয়ে চলছে গাজা চাষ

রমরমিয়ে চলছে গাজা চাষ। কেউ কেউ ধানি জমির কাঠাখানেকে আফিম অর্থাত্‍ পোস্ত গাছের চাষও  করছেন। ঘরে বসে ব্যবসা। মাল নিয়ে যাচ্ছে বাইরের  ফড়ে। লাভ খারাপ নয়। কোচবিহারের দিনাহাটার রাজাখোরা গ্রামে ঘরে ঘরে গাজা, আফিমের কারবার। জানে পুলিস, জানে পঞ্চায়েত। পুলিসের গাড়ি মাঝে মধ্যেই গ্রামে ঢোকে। তোলা তুলতে। দিনাহাটা থানা থেকেতো রাজাখোরা গ্রাম বেশি দূরে নয়। জিপে, মোটরবাইকে আর  কতক্ষণই বা লাগে।  তাই  মান্থলির চুক্তি ভেঙে পুলিস প্রয়োজনে সপ্তাহে সপ্তাহে হানা দেয়।  তবে সে জন্য যে খালি হতে ফিরতে হয় এমনটা নয়, খালি হাতে ফেরাবে রাজাখোরা গ্রামের বাসিন্দাদের সে উপায়ও নেই। কারণ পুলিস সঙ্গে না থাকলে প্রকাশ্যে গাজা,পোস্ত গাছের চাষ করা যাবে কী করে।  অবস্থা এমন উত্‍কৃষ্ট গাজা পাওয়া যায় এ খবর পেয়ে কোচবিহার থেকেও পুলিস, আবগারির বড়বাবুরা গ্রামে এসে গাজা সেবন করে যায়,এমন কথাও জানাচ্ছেন গাজা চাষিরা।

 সীমান্ত অঞ্চলে পুলিসের নজরদারিতে গাঁজাচাষ, মদত দিচ্ছে ওপার বাংলার দুষ্কৃতীরাও সীমান্ত অঞ্চলে পুলিসের নজরদারিতে গাঁজাচাষ, মদত দিচ্ছে ওপার বাংলার দুষ্কৃতীরাও

চাষের জমি গ্রাস করে, গাঁজা চাষের বাড়বাড়ন্ত। তাও আবার পুলিসের সঙ্গে লুকোচুরি করে নয়। অভিযোগ, পুলিসেরই একাংশের নজরদারিতে ফুলেফেঁপে উঠছে এই অবৈধ ব্যবসা। খাস এরাজ্যে, হাসনাবাদের বেশ কিছু এলাকায় ঘটছে এই ঘটনা। প্রতিবাদ করলে দুষ্কৃতীদের রোষের মুখে পড়তে হচ্ছে গ্রামবাসীদের।  

রাষ্ট্রসংঘের ঐতিহাসিক সিদ্ধান্ত, প্যালেস্তাইন এখন `স্বাধীন রাষ্ট্র`

ইজরায়েল ও তৎসহ আমেরিকার চোখ রাঙানি উপেক্ষা করেই প্যালেস্তাইন স্বাধীন রাষ্ট্রের মর্যাদা পাচ্ছে। বৃহস্পতিবার রাষ্ট্রসংঘের সাধারণ সভায় ১৯৩টি দেশের মধ্যে ১৩৮টি দেশ প্যালেস্তাইনের সার্বভৌমত্বকে স্বীকৃতি প্রদান করেন। ভারতও এই প্রস্তাবে সর্মথন করেছে। শুরু থেকেই আমেরিকা ও ইজরায়েল এই প্রস্তাবের বিরোধিতা চালাচ্ছিল। কানাডা ও চেক রিপাবলিক সহ ৯টি দেশের সর্মথনও জোগার করে ফেলে তারা। তবে শেষরক্ষা হয়নি। ভোটদানে বিরত থাকে ব্রিটেন ও জার্মানি সহ ৪১টি দেশ।