গোর্খাল্যান্ডের দাবি ছেড়ে পাহাড়ের বাসিন্দাদের উন্নয়নের বার্তা দিলেন বিমল গুরুং

উন্নয়নই এখন তাঁর একমাত্র লক্ষ্য। পাহাড়ের বাসিন্দাদের কাছে টানতে বার্তা দিলেন গোর্খা জনমুক্তি মোর্চা প্রধান বিমল গুরুং। জিটিএ-র চিফ এক্সিকিউটিভ পদে ফের শপথ নিয়ে গতকালই দার্জিলিং ফিরেছেন তিনি। গুরুংকে স্বাগত জানাতে বাগডোকরা বিমানবন্দরে হাজির ছিলেন মোর্চার কর্মী-সমর্থকরা। কয়েক মাস আগেও পৃথক গোর্খাল্যান্ডের প্রশ্নে যে দূরত্বটা রাজ্য সরকারের সঙ্গে তৈরি হয়েছিল মোর্চার, সে দূরত্বটা এখন অতীত। জিটিএ-র পদে ফের শপথ নিয়েছেন বিমল গুরুং। দার্জিলিং ফেরার পর তাই মোর্চা সভাপতি এখন মন দিতে চান পাহাড়ের উন্নয়নে। বাগডোগরা বিমানবন্দরে নেমে গুরুংয়ের প্রতিশ্রুতি, পাহাড়ের উন্নয়নে জোর গতিতে কাজ করবে জিটিএ।

আজও পাহাড় জুড়ে বনধের ছবি, জিটিএ বৈঠক নিয়ে শর্ত কঠোর মোর্চার

আজও পাহাড় জুড়ে কার্যত বনধের ছবি। চলছে মোর্চার  `জনতা সড়কে` কর্মসূচী। পাহাড়ের পথ ঘাট আজও কার্যত শুনশান। বন্ধ রয়েছে দোকান বাজার। শুক্রবারই চক বাজারে জয়েন্ট অ্যাকশন কমিটির সমাবেশ থেকে `জনতা সড়কে`  কর্মসূচির ঘোষণা করেন মোর্চা নেতা রোশন গিরি। জানান, পিকেটিং বা অবরোধ নয়। এবার পাহাড়ের নানা জায়গায় সভা-সমাবেশ করবে মোর্চা। কিন্তু মোর্চা নেতা রোশন গিরির এই ঘোষণার পরেও পাহাড়ে খোলেনি দোকানপাট, বাজার। রাস্তাঘাটও শুনশান। রাজনৈতিক মহলের মতে, হাইকোর্টের নির্দেশের কথা মাথায় রেখেই আসলে বনধের নাম বদলেছে মোর্চা।