ভারতের ধর্মস্থান গুলিতে গঙ্গার জলে ভয়ঙ্কর হারে বৃদ্ধি পাচ্ছে অ্যান্টিবায়োটিক প্রতিরোধকারী মারণ ব্যাকটেরিয়ার সংখ্যা

উত্তরাখণ্ডের ঋষিকেশ ও হরিদ্বারে মে, জুন মাসে লক্ষ লক্ষ তীর্থ যাত্রীরা ভিড় করেন। ডুব দেন গঙ্গার জলে। আর তখনই সেখানকার জলে অ্যান্টিবায়োটিক প্রতিরোধকারী `সুপারবাগ` ব্যাকটেরিয়ার সংখ্যা ৬০ গুন বৃদ্ধি পায়। অ্যান্টিবায়োটিক এই ব্যাকটেরিয়াগুলির উপর কোনও রকম প্রভাব ফেলতে পারে না বলে একবার শরীরে এই ব্যাকটেরিয়া প্রবেশ করলে যে সমস্ত অসুখ সৃষ্টি হয় তার নিরাময় এক কথায় অসম্ভব হয়ে ওঠে। বহু সময় মৃত্যুর কারণ হয়ে ওঠে এই `সুপারবাগ`। সাম্প্রতিক গবেষণায় উঠে এসেছে এমনই তথ্য।

বাঙালি বাবার খোঁজে কল্পেশ্বর

ছয় ঘণ্টা লেটে হরিদ্বার স্টেশনে পৌঁছল স্পেশাল ট্রেনটি। স্পেশালই বটে। কারণ স্টেশনের আউটারেই দাঁড়িয়ে রইল দেড়ঘণ্টা। স্পেশাল অভ্যর্থনা বলে কথা! স্বয়ংক্রিয় সিগন্যাল ব্যবস্থা খারাপ হওয়ায় আগের স্টেশনে অতি প্রাচীন পদ্ধতিতে পাশের লাইন দিয়ে ট্রেন পাস করানোও দেখেছি। আগের দিন দুপুরে হাওড়া থেকে যাত্রা করেছিলাম পাঁচ জন। ডানকুনি পৌঁছতেই থমকে গেল ট্রেন। কারণ ইঞ্জিন বিকল। হাওড়া থেকে নতুন ইঞ্জিন এনে ফের যাত্রা শুরু। মে মাসের দুপুরে বাইরে তখন আগুন জ্বলছে। স্পেশাল ট্রেন কোন স্টেশনে থামবে তার কোনও ঠিক নেই। ফলে পরদিন স্টেশন থেকে খাবার-দাবারও ঠিকঠাক পাইনি। তার ওপর জল নেই সকাল থেকেই। দুপুরে এক গ্রামের মধ্যে ট্রেন দাঁড়িয়ে দীর্ঘক্ষণ। রোদ ঝলসানো মাঠের পাশে ছোট্ট কুঁড়ে ঘর। চোখে পড়ল কুয়ো থেকে জল তুলে স্নানে ব্যস্ত গৃহকর্তা। ট্রেন থেকে নেমে দলের চারজন সেই গৃতকর্তার বদান্যতায় কিছুটা গা ভেজালাম।

Live Streaming of Lalbaugcha Raja